১
জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান
লেখকঃ আব্দুল মালেক আল-কাসেম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
কুরবানীর গোস্ত বণ্টন করা:
কুরবানী পেশকারী ব্যক্তির জন্য সুন্নত হচ্ছে কুরবানীর গোস্ত নিজে খাওয়া, আত্মীয় ও প্র্রতিবেশীদের হাদিয়া দেওয়া এবং গরীবদের সদকা করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
﴿فَكُلُواْ مِنۡهَا وَأَطۡعِمُواْ ٱلۡبَآئِسَ ٱلۡفَقِيرَ ﴾ [ الحج : ٢٨ ]
“অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও এবং দুস্থ-দরিদ্রকে তা থেকে দাও। [সুরা আল-হজ, আয়াত: ২৮]
তিনি আরো বলেন :
﴿فَكُلُواْ مِنۡهَا وَأَطۡعِمُواْ ٱلۡقَانِعَ وَٱلۡمُعۡتَرَّۚ﴾ [ الحج : ٣٦ ]
“তখন তা থেকে খাও। যে অভাবী, মানুষের কাছে হাত পাতে না এবং যে অভাবী চেয়ে বেড়ায়-তাদেরকে খেতে দাও। [সূরা আল-হজ, আয়াত: ৩৬]
পূর্বসূরীদের অনেকের পছন্দ হচ্ছে, কুরবানীর গোশত তিনভাগে ভাগ করা: এক তৃতীয়াংশ নিজের জন্য রাখা, এক তৃতীয়াংশ ধনীদের হাদীয়া দেওয়া এবং এক তৃতীয়াংশ ফকীরদের জন্য সদকা করা। পারিশ্রমিক হিসেবে এখান থেকে কসাই বা মজদুরদের কোনো অংশ প্রদান করা যাবে না।
﴿فَكُلُواْ مِنۡهَا وَأَطۡعِمُواْ ٱلۡبَآئِسَ ٱلۡفَقِيرَ ﴾ [ الحج : ٢٨ ]
“অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও এবং দুস্থ-দরিদ্রকে তা থেকে দাও। [সুরা আল-হজ, আয়াত: ২৮]
তিনি আরো বলেন :
﴿فَكُلُواْ مِنۡهَا وَأَطۡعِمُواْ ٱلۡقَانِعَ وَٱلۡمُعۡتَرَّۚ﴾ [ الحج : ٣٦ ]
“তখন তা থেকে খাও। যে অভাবী, মানুষের কাছে হাত পাতে না এবং যে অভাবী চেয়ে বেড়ায়-তাদেরকে খেতে দাও। [সূরা আল-হজ, আয়াত: ৩৬]
পূর্বসূরীদের অনেকের পছন্দ হচ্ছে, কুরবানীর গোশত তিনভাগে ভাগ করা: এক তৃতীয়াংশ নিজের জন্য রাখা, এক তৃতীয়াংশ ধনীদের হাদীয়া দেওয়া এবং এক তৃতীয়াংশ ফকীরদের জন্য সদকা করা। পারিশ্রমিক হিসেবে এখান থেকে কসাই বা মজদুরদের কোনো অংশ প্রদান করা যাবে না।