১
জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান
লেখকঃ আব্দুল মালেক আল-কাসেম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
ইবাদাতের মৌসুমগুলো আমরা কীভাবে গ্রহণ করব?
প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য ইবাদতের মৌসুমগুলোতে বেশি বেশি তাওবা করা। গুনাহ ও অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকা। কারণ, গুনাহ মানুষকে আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত রাখে। গুনাহ ব্যক্তির অন্তর ও আল্লাহর মাঝে বাঁধার সৃষ্টি করে। বান্দার আরো উচিত কল্যাণকর ও শুভ দিনগুলোতে এমন সব আমল ও কাজে নিয়োজিত থাকা, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ হয়। আর যে আল্লাহ র সাথে সত্যতার প্রমাণ দেবে আল্লাহও তার সাথে তাঁর ওয়াদা বাস্তবায়ন করবেন। তিনি বলেন:
﴿وَٱلَّذِينَ جَٰهَدُواْ فِينَا لَنَهۡدِيَنَّهُمۡ سُبُلَنَاۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَمَعَ ٱلۡمُحۡسِنِينَ ٦٩﴾ [ العنكبوت : ٦٩ ] “আর যারা আমাদের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্ট চালায়, তাদেরকে আমরা অবশ্যই আমাদের পথসমূহ দেখিয়ে দিব, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ মুহসিনদের সাথে (জ্ঞানে ও সহায্য-সহযোগিতায়) রয়েছেন।” [সূরা আল-‘আনকাবূত, আয়াত: ৬৯]
তিনি অন্যত্র বলেন:
﴿وَسَارِعُوٓاْ إِلَىٰ مَغۡفِرَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ وَجَنَّةٍ عَرۡضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ أُعِدَّتۡ لِلۡمُتَّقِينَ ١٣٣﴾ [ ال عمران : ١٣٣ ] “আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও জমিনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৩]
হে মুসলিম ভাই, এ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর জন্য সজাগ থাক, তার প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ রাখ, তা যেন কোনো ভাবেই তোমার থেকে অবহেলায় অতিবাহিত না হয়। ফলে তুমি লজ্জিত হবে; কিন্তু তোমার লজ্জা সেদিন কোনো কাজে আসবে না। কারণ, দুনিয়া ছায়ার ন্যায়। আজকে আমরা কর্মস্থলে অবস্থান করছি আগামিকাল অবস্থান করব প্রতিদান ও হিসাব-নিকাশের দিবসে, জান্নাত কিংবা জাহান্নামে। তুমি তাদের মত হও, এ আয়াতে আল্লাহ যাদের উল্লখ করেছেন :
﴿إِنَّهُمۡ كَانُواْ يُسَٰرِعُونَ فِي ٱلۡخَيۡرَٰتِ وَيَدۡعُونَنَا رَغَبٗا وَرَهَبٗاۖ وَكَانُواْ لَنَا خَٰشِعِينَ﴾ [ الانبياء : ٩٠ ] “তারা সৎকাজে প্রতিযোগিতা করত। আর আমাদেরকে আশা ও ভীতি সহকারে ডাকত আর তারা ছিল আমাদের নিকট বিনয়ী। [সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৯০]
﴿وَٱلَّذِينَ جَٰهَدُواْ فِينَا لَنَهۡدِيَنَّهُمۡ سُبُلَنَاۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَمَعَ ٱلۡمُحۡسِنِينَ ٦٩﴾ [ العنكبوت : ٦٩ ] “আর যারা আমাদের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্ট চালায়, তাদেরকে আমরা অবশ্যই আমাদের পথসমূহ দেখিয়ে দিব, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ মুহসিনদের সাথে (জ্ঞানে ও সহায্য-সহযোগিতায়) রয়েছেন।” [সূরা আল-‘আনকাবূত, আয়াত: ৬৯]
তিনি অন্যত্র বলেন:
﴿وَسَارِعُوٓاْ إِلَىٰ مَغۡفِرَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ وَجَنَّةٍ عَرۡضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ أُعِدَّتۡ لِلۡمُتَّقِينَ ١٣٣﴾ [ ال عمران : ١٣٣ ] “আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও জমিনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৩]
হে মুসলিম ভাই, এ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর জন্য সজাগ থাক, তার প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ রাখ, তা যেন কোনো ভাবেই তোমার থেকে অবহেলায় অতিবাহিত না হয়। ফলে তুমি লজ্জিত হবে; কিন্তু তোমার লজ্জা সেদিন কোনো কাজে আসবে না। কারণ, দুনিয়া ছায়ার ন্যায়। আজকে আমরা কর্মস্থলে অবস্থান করছি আগামিকাল অবস্থান করব প্রতিদান ও হিসাব-নিকাশের দিবসে, জান্নাত কিংবা জাহান্নামে। তুমি তাদের মত হও, এ আয়াতে আল্লাহ যাদের উল্লখ করেছেন :
﴿إِنَّهُمۡ كَانُواْ يُسَٰرِعُونَ فِي ٱلۡخَيۡرَٰتِ وَيَدۡعُونَنَا رَغَبٗا وَرَهَبٗاۖ وَكَانُواْ لَنَا خَٰشِعِينَ﴾ [ الانبياء : ٩٠ ] “তারা সৎকাজে প্রতিযোগিতা করত। আর আমাদেরকে আশা ও ভীতি সহকারে ডাকত আর তারা ছিল আমাদের নিকট বিনয়ী। [সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৯০]