১
জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান
লেখকঃ আব্দুল মালেক আল-কাসেম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
জিলহজ মাসের ফযীলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের কতক দলীল:
১. আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَٱلۡفَجۡرِ ١ وَلَيَالٍ عَشۡرٖ ٢﴾ [ الفجر : ١، ٢ ] “কসম ভোর বেলার। কসম দশ রাতের।” [সূরা আল-ফাজর, আয়াত: ১-২] ইবন কাসীর রহ. বলেছেন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য জিলহজ মাসের দশ দিন।
২. আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَيَذۡكُرُواْ ٱسۡمَ ٱللَّهِ فِيٓ أَيَّامٖ مَّعۡلُومَٰتٍ﴾ [ الحج : ٢٨ ] “তারা যেন নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করে।” [সূরা আল-হজ, আয়াত: ২৮]
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেছেন: অর্থাৎ জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন।
৩. ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দিনগুলোর তুলনায় কোনো আমল-ই অন্য কোনো সময় উত্তম নয়। তারা বলল: জিহাদও না? তিনি বললেন: জিহাদও না, তবে যে ব্যক্তি নিজের জানের শঙ্কা ও সম্পদ নিয়ে বের হয়েছে অতঃপর কিছু নিয়েই ফিরে আসে নি”। [সহীহ বুখারী]
৪. ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দশ দিনের তুলনায় অন্য কোনো দিন না আল্লাহর কাছে প্রিয়, আর না তাতে আমল করা প্রিয়। সুতরাং তাতে তোমরা বেশি করে তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ পাঠ কর”। [তাবারানী ফিল মুজামিল কাবীর]
৫. সা‘ঈদ ইবন জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহর অভ্যাস ছিল, যিনি পূর্বে বর্ণিত ইবন আব্বাসের হাদীস বর্ণনা করেছেন: “যখন জিলহজ মাসের দশ দিন প্রবেশ করত তখন তিনি খুব মুজাহাদা অর্থাৎ এত বেশি বেশি ইবাদত করতেন, যেন তার চেয়ে বেশি প্রচেষ্টা চালানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়”। [দারেমী, হাসান সনদে]
৬. ইবন হাজার রহ. বলেছেন: জিলহজ মাসের দশ দিনের ফযিলতের তাৎপর্যের ক্ষেত্রে যা স্পষ্ট, তা হচ্ছে এখানে মূল ইবাদাতগুলোর সমন্বয় ঘটেছে। অর্থাৎ সালাত, সিয়াম, সাদকা ও হজ, যা অন্যান্য সময় আদায় করা হয় না। [ফাতহুল বারী]
৭. উলামায়ে কিরাম বলেছেন: জিলহজ মাসের দশ দিন সর্বোত্তম দিন আর রমযান মাসের দশ রাত, সব চেয়ে উত্তম রাত।
﴿وَٱلۡفَجۡرِ ١ وَلَيَالٍ عَشۡرٖ ٢﴾ [ الفجر : ١، ٢ ] “কসম ভোর বেলার। কসম দশ রাতের।” [সূরা আল-ফাজর, আয়াত: ১-২] ইবন কাসীর রহ. বলেছেন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য জিলহজ মাসের দশ দিন।
২. আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَيَذۡكُرُواْ ٱسۡمَ ٱللَّهِ فِيٓ أَيَّامٖ مَّعۡلُومَٰتٍ﴾ [ الحج : ٢٨ ] “তারা যেন নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করে।” [সূরা আল-হজ, আয়াত: ২৮]
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেছেন: অর্থাৎ জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন।
৩. ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দিনগুলোর তুলনায় কোনো আমল-ই অন্য কোনো সময় উত্তম নয়। তারা বলল: জিহাদও না? তিনি বললেন: জিহাদও না, তবে যে ব্যক্তি নিজের জানের শঙ্কা ও সম্পদ নিয়ে বের হয়েছে অতঃপর কিছু নিয়েই ফিরে আসে নি”। [সহীহ বুখারী]
৪. ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দশ দিনের তুলনায় অন্য কোনো দিন না আল্লাহর কাছে প্রিয়, আর না তাতে আমল করা প্রিয়। সুতরাং তাতে তোমরা বেশি করে তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ পাঠ কর”। [তাবারানী ফিল মুজামিল কাবীর]
৫. সা‘ঈদ ইবন জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহর অভ্যাস ছিল, যিনি পূর্বে বর্ণিত ইবন আব্বাসের হাদীস বর্ণনা করেছেন: “যখন জিলহজ মাসের দশ দিন প্রবেশ করত তখন তিনি খুব মুজাহাদা অর্থাৎ এত বেশি বেশি ইবাদত করতেন, যেন তার চেয়ে বেশি প্রচেষ্টা চালানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়”। [দারেমী, হাসান সনদে]
৬. ইবন হাজার রহ. বলেছেন: জিলহজ মাসের দশ দিনের ফযিলতের তাৎপর্যের ক্ষেত্রে যা স্পষ্ট, তা হচ্ছে এখানে মূল ইবাদাতগুলোর সমন্বয় ঘটেছে। অর্থাৎ সালাত, সিয়াম, সাদকা ও হজ, যা অন্যান্য সময় আদায় করা হয় না। [ফাতহুল বারী]
৭. উলামায়ে কিরাম বলেছেন: জিলহজ মাসের দশ দিন সর্বোত্তম দিন আর রমযান মাসের দশ রাত, সব চেয়ে উত্তম রাত।