১
২
অনুবাদকের কথা
৩
(১) শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ
৪
(২) মুক্বীম অবস্থায় ‘ইমারত’ বিষয়ক বিধি-বিধান সম্পর্কে সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদের ফৎওয়া
৫
(৩) জগদ্বিখ্যাত মুহাদ্দিছ আল্লামা নাছিরুদ্দীন আলবানী
৬
(৪) সঊদী আরবের সাবেক প্রধান মুফতী আব্দুল আযীয ইবনে বায
৭
(৫) আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে ছালেহ আল-উছায়মীন
৮
(৬) সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শায়খ ছালেহ আল-ফাওযান
৯
(৭) সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শায়খ বকর আবু যায়েদ( [() শায়খ বকর আবু যায়েদ ১৩৬৫ হিজরীতে নাজদ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। রিয়াদ, মক্কা ও মদীনায় তিনি শিক্ষা অর্জন করেন। তাঁর শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে শায়খ ইবনে বায, শায়খ মুহাম্মাদ আল-আমীন আশ-শানক্বীতী প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি মদীনার উচ্চ বিচারালয়ের বিচারপতি নিযুক্ত হন এবং মসজিদে নববীর শিক্ষক, ইমাম ও খত্বীবের দায়িত্ব পান। ১৪১২ হিজরীতে সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদ এবং ফৎওয়া বোর্ডের সদস্য নিযুক্ত হন। তিনি একদিকে যেমন ছিলেন মুহাদ্দিছ ও ফক্বীহ, অন্যদিকে আরবী ভাষা ও সাহিত্যে ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তিনি ষাটেরও অধিক অতিমূল্যবান গ্রন্থ রচনা করে গেছেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ১. ফিক্বহুল ক্বযাইয়া আল-মু‘আছেরাহ, ২. ফাতওয়াস্-সায়েল আন মুহিম্মাতিল মাসায়েল, ৩. আত-তা‘ছীল লিউছূলিত-তাখরীজি ওয়া ক্বওয়া‘ইদিল জারহি ওয়াত-তা‘দীল, ৪. হুকমুল ইনতিমা ইলাল ফিরাক্ব ওয়াল আহযাব ওয়াল জামা‘আত আল-ইসলামিইয়াহ, ৫. আর-রুদূদ ইত্যাদি।])
১০
(৮) ইয়েমেনের প্রখ্যাত মুহাদ্দিছ মুক্ববিল ইবনে হাদী আল-ওয়াদে‘ঈ( [() শায়খ মুক্ববিল ইয়েমেনের দাম্মাজ নগরীর ওয়াদেআহ এলাকায় ১৩৫০ হিজরীর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইয়েমেন, নাজদ, মক্কা ও মদীনায় শিক্ষা অর্জন করেন। তিনি ইয়েমেনের প্রখ্যাত মুহাদ্দিছগণের অন্যতম। তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে ১. রিয়াযুল জান্নাহ ফির-রদ্দি আলা আ‘দাইস-সুন্নাহ, ২. আশ-শাফা‘আহ, ৩. ক্বম্উল মুআনেদ ওয়া যাজ্রুল হাক্বেদিল হাসেদ, ৪. ফাযায়েহ্ ওয়া নাছায়েহ্ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০০১ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।])
১১
(৯) সিরিয়ার প্রসিদ্ধ আলেম শায়খ আদনান ইবনে মুহাম্মাদ আল-আরউর( [() শায়খ আদনান সিরিয়ার হামা নগরীতে ১৩৬৮ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। শায়খ ইবনে বায, শায়খ আলবানী, শায়খ মুহাম্মাদ হামেদ প্রমুখ জগদ্বিখ্যাত উলামায়ে কেরামের নিকটে তিনি শিক্ষা অর্জন করেন। সিরিয়ার বড় বড় আলেমগণের মধ্যে তাঁর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শীআদের সাথে বাহাছ-মুনাযারা করে এবং তাদের গোঁমর ফাঁস করে দিয়ে ইতিমধ্যে তিনি সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে ১. আত-তা’মীন বায়নাত-তাশদীদি ওয়াত-তাসহীল, ২. আস-সাবীলু ইলা মানহাজি আহলিস-সুন্নাহ ওয়াল-জামা‘আহ, ৩. ছিফাতুত-ত্বয়েফাতিল মানছূরাহ, ৪. জামেউস-সুন্নাহ সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। শেষোক্ত গ্রন্থটি ৪০ খণ্ড পর্যন্ত পৌঁছেছে, এটি প্রণয়নের কাজ এখনো শেষ হয়নি।])
১২
(১০) আল্লামা আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আল-গুদাইয়ান( [() শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুর রাযযাক আল গুদায়য়ান ১৩৪৫ হিজরীতে যুলফী শহরে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ শহরে তাওহীদ, নাহু, ফারায়েয প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা লাভের পর রিয়াদে এসে পড়াশুনা শেষ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে রয়েছেন, শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম (সঊদী আরবের সাবেক প্রধান মুফতী), শায়খ সঊদ ইবনে রশুদ (রিয়াদ আদালতের বিচারক), শায়খ আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায প্রমুখ আলেমগণ। তিনি খোবার আদালতের বিচারক হিসাবে নিয়োগ পান। পরে সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদ এবং সরকারী ফৎওয়া বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হন। রেডিও, টেলিভিশন সহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রয়েছে।])
১৩
(১১) মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ( [() শায়খ মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ ১৩৮০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। রিয়াদে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর শেষ করে যাহরান চলে যান এবং সেখানে গিয়ে পড়াশুনা শেষ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষকগণের মধ্যে শায়খ ইবনে বায, শায়খ উছায়মীন, শায়খ জিবরীন, শাখয় আব্দুর রহমান নাছের আল-বাররাক প্রমুখ আলেমগণ উল্লেখযোগ্য। তিনি সঊদী আরবের খোবার শহরে অবস্থিত ওমর ইবনে আব্দুল আযীয জুম‘আ মসজিদের ইমাম এবং খত্বীব। তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পাঠদান এবং বক্তব্য প্রদান করে থাকেন। রেডিও, টেলিভিশনের বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রয়েছে। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছেঃ ১. কূনূ আলাল খয়রি আ‘ওয়ানা ২. মুহাররামাত ইসতাহানা বিহা কাছীরুম মিনান নাস ৩. আল-আসালীব আন নাবাবিয়্যাহ ফী ইলাজিল আখত্বা। তিনি তাঁর নিম্নোক্ত ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে ১৯৯৬ সাল থেকে অদ্যাবধি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আসছেন: http://www.islamqa.com/ar])
১৪
(১২) আলী ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল হামীদ আল-হালাবী আল-আছারী( [() শায়খ আলী ইবনে হাসান ১৩৮০ হিজরীতে জর্দানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শায়খ আলবানীর খুব ঘনিষ্ঠ ছাত্র ছিলেন। আলবানী, ইবনে বায, মুক্ববিল আল-ওয়াদেঈ, বকর আবু যায়েদ, আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ প্রমুখ বিদ্বানগণ তাঁর প্রশংসা করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছেঃ ১. আদ-দা‘ওয়াহ ইলাল্লাহ বায়নাত্-তাজাম্মুইল হিযবী ওয়াত-তা‘আউন আশ-শারঈ ২. রু’ইয়া ওয়াক্বে‘ইয়াহ ফিল-মানাহিজ্ আদ-দা‘বিইয়াহ।])
১৫
(১৩) শায়খ ছালেহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-লুহায়দান( [() শায়খ ছালেহ আল-লুহায়দান একজন খ্যাতনামা আলেম। ১৩৫০ হিজরীতে কাছীমের বুকায়রিয়াহ শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৩৭৯ হিজরীতে রিয়াদে শারী‘আহ বিভাগে অনার্স শেষ করেন। এক সময় সঊদী আরবের সাবেক প্রধান মুফতী মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীমের সেক্রেটারী হিসাবে কাজ করতেন। ১৩৮৩ হিজরীতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডেপুটি হিসাবে নিয়োগ পান। পররর্তীতে ১৩৮৪ হিজরীতে প্রধান বিচারপতি নির্বাচিত হন। এমনিভাবে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদগুলি অলংকৃত করতে থাকেন। ১৩৯১ হিজরীতে সঊদী আরবের খ্যাতনামা আলেমগণের নিয়ে গঠিত সংস্থা ‘হায়আতু কিবারিল উলামা’ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই তিনি এর সদস্য। রেডিও, টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সহ দা‘ওয়াতী কাজে তাঁর ব্যাপক অংশগ্রহণ রয়েছে। তিনি মসজিদে হারামে পাঠদান করতেন।])
১৬
(১৪) শায়খ রবী ইবনে হাদী আল-মাদখালী( [() বিশিষ্ট আলেম ও মুহাদ্দিছ রবী ইবনে হাদী আল-মাদখালী ১৩৫১ হিজরীতে সঊদী আরবের ছামেতা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ শহরে এবং মদীনা মুনাওয়ারায় পড়াশুনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষকগণের মধ্যে ইবনে বায, আলবানী, আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ, মুহাম্মাদ আল-আমীন আশ-শানক্বীতী প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে ১. মানহাজুল আম্বিয়া ফিদ-দা‘ওয়াহ ইলাল্লাহ, ২. মাকানাতু আহলিল হাদীছ, ৩. মাতা‘ইনু সাইয়্যেদ কুতুব ফী আছহাবি রাসূলিল্লাহ a ৪. জামা‘আহ ওয়াহেদাহ লা জামা‘আ-ত ওয়া ছিরাত ওয়াহেদ লা আশারা-ত প্রসিদ্ধ।])
১৭
(১৫) শায়খ মুহাম্মাদ আমান ইবনে আলী আল-জামী( [() শায়খ মুহাম্মাদ আমান ১৩৪৯ হিজরীতে ইথিওপিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী এবং কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি.এইচ.ডি. ডিগ্রী অর্জন করেন। শায়খ ইবনে বায তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে রয়েছেঃ ১. আযওয়া আলা ত্বরীক্বিদ্-দা‘ওয়াহ ইলাল ইসলাম ২. আল-মুহাযারাহ আদ-দিফা‘ইয়াহ আনিস-সুন্নাতিল মুহাম্মাদিইয়াহ ৩. হাক্বীক্বাতুদ-দেমুক্বরাতিইয়াহ ওয়া আন্নাহা লায়সা মিনাল ইসলাম।])
১৮
(১৬) শায়খ উছমান মুহাম্মাদ আল-খামীস( [() শায়খ উছমান মুহাম্মাদ আল-খামীস কুয়েতী উলামায়ে কেরামের একজন। তিনি কাছীমের মুহাম্মাদ ইবনে সুঊদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষকগণের মধ্যে রয়েছেনঃ মুহাম্মাদ ইবনে ছালেহ আল-উছায়মীন, ইবরাহীম আল লাহেম প্রমুখ আলেমগণ। শী‘আদের সাথে বাহাছ-মুনাযারায় তিনি ব্যাপক প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন। তাঁর জিহ্বা খোলা তরবারীর ন্যায় তীক্ষ্ন। দলীল ছাড়া তিনি কোন কথা বলেন না। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে রয়েছেঃ ১. মিনাল ক্বলবি ইলাল ক্বলব ২. মাতা ইয়াশরাক্বু নুরুকা আইউহাল মুনতাযির ৩. শুবুহাত ওয়া রুদূদ ৪. হিক্ববাতুন মিনাত তারীখ।])
১৯
(১৭) শায়খ ইবরাহীম ইবনে আমের আর-রুহায়লী( [() শায়খ ইবরাহীম আর-রুহায়লী ১৩৮৩ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আক্বীদা বিভাগের অধ্যাপক এবং মসজিদে নববীতে নিয়মিত দারস প্রদান করেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে রয়েছেঃ ১. মাওক্বিফু আহলিস-সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহ মিন আহলিল আহওয়া ওয়াল বিদ‘আহ ২. আত-তাকফীর ওয়া যওয়াবিতুহু। তিনি ত্রিশটিরও অধিক বইয়ের ভাষ্যকর। যেমনঃ ১. শারহুল আক্বীদাহ আল-ওয়াসেতিইয়াহ ২. শারহুল আরবা‘ঈন আন-নাবাবিইয়াহ ইত্যাদি।])
২০
(১৮) আবু মালেক আর-রেফাঈ আল-জুহানী( [() শায়খ আবু মালেক আল-জুহানী ১৩৯০ হিজরীতে ইয়ামবু শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইয়মবুর ওমর জামে মসজিদের ইমাম ও খত্বীব এবং সঊদী ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত প্রসিদ্ধ দা‘ঈ। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে ১. আস-সীরাহ আন-নাবাবিইয়াহ ২. আল-ক্বযা ওয়াল ক্বদার আলা যওয়ে মু‘তাক্বাদে আহলিস-সুন্নাহ ওয়াল-আছার উল্লেখযোগ্য।])
২১
(১৯) আল্লামা সা‘দ ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুছাইন( [() সা‘দ ইবনে আব্দুর রহমান আল হুছাইন ১৩৫৪ হিজরীতে সঊদী আরবের শুকরায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আমেরিকার দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে শিক্ষা বিভাগে মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেন। সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে রয়েছেঃ ১. হাকিকাতুত দা‘ওয়াহ ইলাল্লাহ ২. ফিকরো সাইয়েদ কুতুব বায়না রায়ায়নে ৩. তাছহীহুত তাশায়উ।])
২২
(২০) শায়খ আবু উসামাহ সালীম ইবনে ‘ঈদ আল-হেলালী( [() শায়খ আবু উসামাহ আল-হেলালী ১৩৭৭ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। ধার্মিক ও দ্বীনদার পরিবারে তিনি বড় হন। সিরিয়া, পাকিস্তান এবং সঊদী আরবে পড়াশুনা করেন এই খ্যাতিমান আলেম। তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে রয়েছেনঃ আলবানী, হাম্মাদ আল-আনছারী, বাদীউদ্দীন আর-রাশেদী। শায়খ আলবানী, মুক্ববিল আল-ওয়াদেঈ, রবী আল-মাদখালী তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে রয়েছেঃ ১. যুবদাতুল আফহাম বিফাওয়াইদি উমদাতিল আহকাম ২. আল-বিদ‘আহ ওয়া আছারুহাস সাইয়্যে ফিল উম্মাহ, ৩. মাউসূ‘আতুল-মানাহি আশ-শার‘ইয়্যাহ ফী ছহীহিস-সুন্নাহ আন-নাবাবিইয়াহ।])
২৩
(২১) আবু মুহাম্মাদ আমীনুল্লাহ পেশোয়ারী( [() আল্লামা আমীনুল্লাহ পেশোয়ারী আফগানিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুরআন এবং হাদীছ শাস্ত্রে প্রথিতযশা এক পুরুষ। আরবী, উর্দূ এবং পশতু ভাষায় তিনি অনেকগুলি গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন। তাঁর গ্রন্থাবলীর মধ্যে ১. তাক্বলীদ কে আন্ধেরুঁ সে নাজাত, ২. আফিঊন আওর উসকী তিজারাত কী হুরমাত, ৩. আত-তাহক্বীক্বুস-ছরীহ ফী শারহি মিশকাতিল মাছাবীহ, ৪. আল-ফাওয়ায়েদ, ৫. আসমা ওয়া ছিফাত উল্লেখযোগ্য। শায়খের ফৎওয়ার বই ‘ফাতাওয়াদ্-দীনিল খালেছ’ এ পর্যন্ত ১০ খণ্ড ছাপা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য মতে, এটি ৫০ খণ্ড পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।])
২৪
(২২) শায়খ আহমাদ ইবনে ইয়াহ্ইয়া আন-নাজমী( [() বিখ্যাত মুহাদ্দিছ এবং ফক্বীহ আহমাদ আন-নাজমী ১৩৪৬ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খ্যাতিমান আলেমগণের নিকট থেকে শিক্ষাগ্রহণ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে রয়েছেনঃ সঊদী আরবের সাবেক প্রধান মুফতী শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম, আব্দুল্লাহ আল-ক্বারআবী, হাফেয ইবনে আহমাদ আল-হাকামী প্রমুখ। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছাত্রবৃন্দের মধ্যে রয়েছেনঃ শায়খ রবী আল-মাদখালী, আলী ইবনে নাছের আল-ফাক্বীহী প্রমুখ। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে ১. তা’সীসুল আহকাম শারহু উমদাতিল আহকাম ২. ফাতহুর-রব্বিল ওয়াদুদ ফিল ফাতাওয়া ওয়ার-রুদূদ ৩. তানযীহুশ-শারী‘আহ আন ইবাহাতিল আগানী আল-খালী‘আহ উল্লেখযোগ্য।])
২৫
আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুনঃ
২৬
নিম্নোক্ত ওয়েবসাইটগুলি ব্রাউস করুনঃ
দল, সংগঠন, ইমারত ও বায়‘আত সম্পর্কে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের বক্তব্য
লেখকঃ আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
(৬) সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শায়খ ছালেহ আল-ফাওযান
মুহতারাম শায়খ বলেন, আল্লাহ্র রাস্তায় দা‘ওয়াত দেওয়া ওয়াজিব। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿ ٱدۡعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلۡحِكۡمَةِ وَٱلۡمَوۡعِظَةِ ٱلۡحَسَنَةِۖ ﴾ [ النحل : ١٢٥ ]
‘আপনি আপনার পালনকর্তার পথের দিকে দা‘ওয়াত দিন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে এবং উত্তমরূপে উপদেশ শুনিয়ে’ (আন-নাহ্ল ১২৫)। তবে মুসলিমদের পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এবং অন্যকে হক মনে না করে শুধুমাত্র নিজেকে হক মনে করা দা‘ওয়াতের কোনো পদ্ধতি ও মূলনীতি হতে পারে না। যদিও বর্তমানে বিভিন্ন দলের বাস্তব চিত্র তা-ই। যাহোক, যে মুসলিমের জ্ঞান ও সামর্থ্য আছে, তার উপর কর্তব্য হচ্ছে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন জ্ঞান সহকারে মানুষকে আল্লাহ্র পথে ডাকা এবং অন্যদেরকে সহযোগিতা করা। তবে যেন এমন না হয় যে, প্রত্যেকটি জামা‘আতের নিজেদের জন্য আলাদা নিয়মনীতি নির্দিষ্ট করে নেয়, যা অন্য জামা‘আতের বিরোধী। বরং গোটা মুসলিম উম্মাহ্র জন্য উচিত একটিমাত্র নিয়মনীতি থাকা, সবাই পারস্পরিক সহযোগিতা করা এবং একে অন্যের সাথে পরামর্শ করে চলা। বিভিন্ন দল এবং ভিন্ন ভিন্ন পথ ও মত সৃষ্টির কোনো প্রয়োজন নেই। কেননা এগুলি মুসলিম ঐক্য ধ্বংস করে এবং মানুষের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি করে, যেমনটি মুসলিম ও অমুসলিম দেশে বিভিন্ন দলের মধ্যে আজ এই বাস্তব চিত্র দেখা যাচ্ছে। সুতরাং দা‘ওয়াতী ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দল গঠন করার কোনো প্রয়োজনই নেই; বরং এক্ষেত্রে যরূরী বিষয় হচ্ছে, যার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা আছে, সে একাকী হলেও মানুষকে আল্লাহ্র পথে দা‘ওয়াত দিবে। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কাজে জড়িয়ে থাকলেও দাঈদের দা‘ওয়াতী মূলনীতি এক এবং হকের উপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।( [() নিম্নোক্ত লিঙ্ক থেকে ১১/১২/২০১২ তারিখ দুপুর ১৮:৪৪ টায় সংগৃহীত:http://www.ahlelhadith.com/vb/showthread.php?t=6786])
﴿ ٱدۡعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلۡحِكۡمَةِ وَٱلۡمَوۡعِظَةِ ٱلۡحَسَنَةِۖ ﴾ [ النحل : ١٢٥ ]
‘আপনি আপনার পালনকর্তার পথের দিকে দা‘ওয়াত দিন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে এবং উত্তমরূপে উপদেশ শুনিয়ে’ (আন-নাহ্ল ১২৫)। তবে মুসলিমদের পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এবং অন্যকে হক মনে না করে শুধুমাত্র নিজেকে হক মনে করা দা‘ওয়াতের কোনো পদ্ধতি ও মূলনীতি হতে পারে না। যদিও বর্তমানে বিভিন্ন দলের বাস্তব চিত্র তা-ই। যাহোক, যে মুসলিমের জ্ঞান ও সামর্থ্য আছে, তার উপর কর্তব্য হচ্ছে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন জ্ঞান সহকারে মানুষকে আল্লাহ্র পথে ডাকা এবং অন্যদেরকে সহযোগিতা করা। তবে যেন এমন না হয় যে, প্রত্যেকটি জামা‘আতের নিজেদের জন্য আলাদা নিয়মনীতি নির্দিষ্ট করে নেয়, যা অন্য জামা‘আতের বিরোধী। বরং গোটা মুসলিম উম্মাহ্র জন্য উচিত একটিমাত্র নিয়মনীতি থাকা, সবাই পারস্পরিক সহযোগিতা করা এবং একে অন্যের সাথে পরামর্শ করে চলা। বিভিন্ন দল এবং ভিন্ন ভিন্ন পথ ও মত সৃষ্টির কোনো প্রয়োজন নেই। কেননা এগুলি মুসলিম ঐক্য ধ্বংস করে এবং মানুষের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি করে, যেমনটি মুসলিম ও অমুসলিম দেশে বিভিন্ন দলের মধ্যে আজ এই বাস্তব চিত্র দেখা যাচ্ছে। সুতরাং দা‘ওয়াতী ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দল গঠন করার কোনো প্রয়োজনই নেই; বরং এক্ষেত্রে যরূরী বিষয় হচ্ছে, যার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা আছে, সে একাকী হলেও মানুষকে আল্লাহ্র পথে দা‘ওয়াত দিবে। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কাজে জড়িয়ে থাকলেও দাঈদের দা‘ওয়াতী মূলনীতি এক এবং হকের উপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।( [() নিম্নোক্ত লিঙ্ক থেকে ১১/১২/২০১২ তারিখ দুপুর ১৮:৪৪ টায় সংগৃহীত:http://www.ahlelhadith.com/vb/showthread.php?t=6786])
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
রিডিং সেটিংস
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Madinah Mushaf (Qcf V1)
Kfgq Hafs
Indopak
Scheherazade
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
25
16
সাধারণ সেটিংস
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন