১
প্রতিবন্ধী ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
প্রতিবন্ধীতা যাদেরকে বিশ্বের মধ্যে অনন্য প্রতীক করেছে:
ইসলামি বিশ্বের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে কিছু লোককে তাদের প্রতিবন্ধীতা বিশ্বে অনন্য প্রতীক বানিয়েছে। তাদের কয়েক জনের নাম এখানে উল্লেখ করছি।
১- আল-আহওয়াল (ট্যারা চক্ষুবিশিষ্ট): ‘আসিম ইবন সুলাইমান আল-বসরী (মৃত্যু ১৪২হি:), তিনি হাফিযুল হাদীস ও সিকাহ ছিলেন। আধ্যাত্মিকতা ও ইবাদত বন্দেগীতে তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন।
২- আল-আখফাশ (দিন-কানা) : আলিমদের কাছে এ নামে চারজন পরিচিত, তারা হলেন, বড় আখফাশ, মেঝ আখফাশ, ছোট আখফাশ ও দামেস্কের আখফাশ। আখফাশ আল-আকবার হলেন আব্দুল হামীদ আব্দুল মজীদ (মৃত্যু ১৭৭হি:), তিনি আরবী ভাষার বড় পণ্ডিত ছিলেন। আখফাশ আল-আওসাত হলেন সাঈদ ইবন মাস‘আদাহ আল-জামাশা‘য়ী (মৃত্যু ২১৫হি:), তিনি আরবী ভাষা ও সাহিত্যের বিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন। আখফাশ আল-আসগার হলেন আলী ইবন সুলাইমান ইবন ফদল (মৃত্যু ৩১৫হি:), তিনি নাহু বিশেষজ্ঞ ছিলেন। আর আখফাশ আদদামেস্কী হলেন হারুন ইবন মূসা ইবন শরীক আস-সা‘আলাবী (মৃত্যু ২৯২হি:), তিনি দামেস্কের কারীদের শাইখ ছিলেন। তিনি তাফসীর, ইলমে মা‘আনী ও কবিতা জানতেন।
৩- আল-আ‘সাম (সাদা পা বিশিষ্ট) : আলেমদের কাছে এ নামে দু’জন প্রসিদ্ধ। তারা হলেন, হাতিম ইবন ‘উনওয়ান (মৃত্যু ২৩৭ হি:), তিনি আল্লাহভীরুতা, আত্মসংযমব্রতা ও অনাড়ম্বরতায় বিখ্যাত ছিলেন। তাকে এ উম্মতের লুকমান হাকিম হিসেবে বলা হয়ে থাকে। আর দ্বিতীয়জন হলেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব ইবন ইউসুফ আল-উমাবী। তিনি ৩৪৬ হি: মৃত্যু বরণ করেন। তিনি একজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস, সিকাহ ও আমীন ছিলেন।
৪- আল-আ‘রাজ (খঞ্জ) : ইনি হলেন আব্দুর রহমান ইবন হরমুয, ১১৭ হিজরীতে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি বনী হাশিমের দাস ছিলেন। তিনি একজন হাফিয ও কারী ছিলেন। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে ইলম অর্জন করেন। কুরআন ও সুন্নাহতে বিখ্যাত ছিলেন। তিনি আরবদের নসব সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
৫- আল-আ‘মাশ (ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন) : সুলাইমান ইবন মিহরান আল-আসাদী, ১৪৮ হিজরীতে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি একজন বিখ্যাত তাবে‘য়ী ছিলেন। তিনি কুরআন, হাদীস ও ফারায়েয সম্পর্কে বিজ্ঞ ছিলেন। তিনি দরিদ্র ও অভাবী থাকা সত্বেও তার মজলিসে রাজা বাদশারা নিজে এসে উপস্থিত হতেন।
৬- আল-আ‘মা (অন্ধ): মু‘আবিয়া ইবন সুফইয়ান, (মৃত্যু ২২০ হি:)। তিনি ইমাম কাসায়ীর শিষ্য ও বাগদাদের কবি ছিলেন।
৭- আল-আফতাস (চেপ্টা নাক বিশিষ্ট) : আলী ইবন হাসান আল-হুযালী, (মৃত্যু ২৫৩ হি:)। তিনি নিসাপুরের বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও তাদের শাইখ ছিলেন। তিনি হাফেযে হাদীস ছিলেন এবং তার নিজস্ব মুসনাদ রয়েছে।
১- আল-আহওয়াল (ট্যারা চক্ষুবিশিষ্ট): ‘আসিম ইবন সুলাইমান আল-বসরী (মৃত্যু ১৪২হি:), তিনি হাফিযুল হাদীস ও সিকাহ ছিলেন। আধ্যাত্মিকতা ও ইবাদত বন্দেগীতে তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন।
২- আল-আখফাশ (দিন-কানা) : আলিমদের কাছে এ নামে চারজন পরিচিত, তারা হলেন, বড় আখফাশ, মেঝ আখফাশ, ছোট আখফাশ ও দামেস্কের আখফাশ। আখফাশ আল-আকবার হলেন আব্দুল হামীদ আব্দুল মজীদ (মৃত্যু ১৭৭হি:), তিনি আরবী ভাষার বড় পণ্ডিত ছিলেন। আখফাশ আল-আওসাত হলেন সাঈদ ইবন মাস‘আদাহ আল-জামাশা‘য়ী (মৃত্যু ২১৫হি:), তিনি আরবী ভাষা ও সাহিত্যের বিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন। আখফাশ আল-আসগার হলেন আলী ইবন সুলাইমান ইবন ফদল (মৃত্যু ৩১৫হি:), তিনি নাহু বিশেষজ্ঞ ছিলেন। আর আখফাশ আদদামেস্কী হলেন হারুন ইবন মূসা ইবন শরীক আস-সা‘আলাবী (মৃত্যু ২৯২হি:), তিনি দামেস্কের কারীদের শাইখ ছিলেন। তিনি তাফসীর, ইলমে মা‘আনী ও কবিতা জানতেন।
৩- আল-আ‘সাম (সাদা পা বিশিষ্ট) : আলেমদের কাছে এ নামে দু’জন প্রসিদ্ধ। তারা হলেন, হাতিম ইবন ‘উনওয়ান (মৃত্যু ২৩৭ হি:), তিনি আল্লাহভীরুতা, আত্মসংযমব্রতা ও অনাড়ম্বরতায় বিখ্যাত ছিলেন। তাকে এ উম্মতের লুকমান হাকিম হিসেবে বলা হয়ে থাকে। আর দ্বিতীয়জন হলেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব ইবন ইউসুফ আল-উমাবী। তিনি ৩৪৬ হি: মৃত্যু বরণ করেন। তিনি একজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস, সিকাহ ও আমীন ছিলেন।
৪- আল-আ‘রাজ (খঞ্জ) : ইনি হলেন আব্দুর রহমান ইবন হরমুয, ১১৭ হিজরীতে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি বনী হাশিমের দাস ছিলেন। তিনি একজন হাফিয ও কারী ছিলেন। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে ইলম অর্জন করেন। কুরআন ও সুন্নাহতে বিখ্যাত ছিলেন। তিনি আরবদের নসব সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
৫- আল-আ‘মাশ (ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন) : সুলাইমান ইবন মিহরান আল-আসাদী, ১৪৮ হিজরীতে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি একজন বিখ্যাত তাবে‘য়ী ছিলেন। তিনি কুরআন, হাদীস ও ফারায়েয সম্পর্কে বিজ্ঞ ছিলেন। তিনি দরিদ্র ও অভাবী থাকা সত্বেও তার মজলিসে রাজা বাদশারা নিজে এসে উপস্থিত হতেন।
৬- আল-আ‘মা (অন্ধ): মু‘আবিয়া ইবন সুফইয়ান, (মৃত্যু ২২০ হি:)। তিনি ইমাম কাসায়ীর শিষ্য ও বাগদাদের কবি ছিলেন।
৭- আল-আফতাস (চেপ্টা নাক বিশিষ্ট) : আলী ইবন হাসান আল-হুযালী, (মৃত্যু ২৫৩ হি:)। তিনি নিসাপুরের বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও তাদের শাইখ ছিলেন। তিনি হাফেযে হাদীস ছিলেন এবং তার নিজস্ব মুসনাদ রয়েছে।