১
গুনাহের দরজা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
গুনাহের দরজা পর্ব-১
গুনাহের কিছু কারণ ও ভূমিকা রয়েছে যা গুনাহের প্রতি টেনে নিয়ে যায় এবং তার কিছু প্রবেশ পথ রয়েছে যা সেখানে প্রবিষ্ট করে দেয়। গুনাহ থেকে বিরত ও বেঁচে থাকার জন্য এই সব বিষয়ের জানা নিতান্ত অপরিহার্য।
আল্লাহর অবাধ্য আচরণের অনেক কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো, অপ্রয়োজনীয় ও নিরর্থক কাজে মানুষের জড়িয়ে পড়া। তাকে দীন বা দুনিয়ার কোনো উপকার করবে না। উপরন্তু নিরর্থক কাজ বর্জন করা মানুষের ইসলামের পরিপূর্ণতা ও তার ঈমান বৃদ্ধির পরিচায়ক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مِنْ حُسْنِ إِسْلَامِ المَرْءِ تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ»
“মানুষের সর্বোত্তম ইসলাম হলো নিরর্থক কাজ বর্জন করা।” [. সুনান তিরমিযী, হাদীস নং ২৩১৭; সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩৯৭৬। আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সুনান তিরমিযী, হাদীস নং ১৮৮৭।]
অতএব, যে ব্যক্তি অনর্থক কাজে ব্যস্ত রইল এবং দুনিয়ার কাজে তার পূর্ণ সময় ব্যয় করল এবং অধিক হারে মুবাহ কাজ করল -এ মুবাহ কাজ দ্বারা আল্লাহর আনুগত্য করার সাহায্য চাওয়া ছাড়া সে তার জন্য গুনাহের উপকরণসমূহ উন্মুক্ত করে দিল।
তবে মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সমূহ-ই হলো গুনাহের দরজা। আর সবচেয়ে ক্ষতিকারক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন, যে ব্যক্তি চতুষ্টয়কে সংরক্ষণ করল সে তার দীনকে নিরাপদ করল সে গুলো হলো, মুহূর্ত ও সময়, ক্ষতিকারক বস্তুসমূহ, বাকশক্তি ও পদক্ষেপসমূহ।
অতএব, এই চারটি দরজায় নিজের পাহারাদার নিযুক্ত করা উচিত। এগুলোর প্রাচীরসমূহে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৃষ্টি করবে। কেননা এগুলোর মাধ্যমেই শত্রু পরবশ করে তাকে। অতঃপর সে গোটা ভূমিকে গ্রাস করে নেয় এবং প্রবল পরাক্রম হয়ে বিস্তার লাভ করে। মানুষের কাছে অধিকাংশ গুনাহ এ চারটি পথেই প্রবেশ করে থাকে। সুতরাং গুনাহের উপকরণ ও যেসব প্রবেশপথে গুনাহ বিস্তার লাভ করে থাকে সেগুলো সম্পর্কে সম্যক অবগতি লাভ করা মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যেন সে সেসব থেকে বেঁচে থাকতে পারে। এখন সেসব বিষয়ের বিশদ আলোচনা উপস্থাপিত হচ্ছে।
আল্লাহর অবাধ্য আচরণের অনেক কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো, অপ্রয়োজনীয় ও নিরর্থক কাজে মানুষের জড়িয়ে পড়া। তাকে দীন বা দুনিয়ার কোনো উপকার করবে না। উপরন্তু নিরর্থক কাজ বর্জন করা মানুষের ইসলামের পরিপূর্ণতা ও তার ঈমান বৃদ্ধির পরিচায়ক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مِنْ حُسْنِ إِسْلَامِ المَرْءِ تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ»
“মানুষের সর্বোত্তম ইসলাম হলো নিরর্থক কাজ বর্জন করা।” [. সুনান তিরমিযী, হাদীস নং ২৩১৭; সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩৯৭৬। আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সুনান তিরমিযী, হাদীস নং ১৮৮৭।]
অতএব, যে ব্যক্তি অনর্থক কাজে ব্যস্ত রইল এবং দুনিয়ার কাজে তার পূর্ণ সময় ব্যয় করল এবং অধিক হারে মুবাহ কাজ করল -এ মুবাহ কাজ দ্বারা আল্লাহর আনুগত্য করার সাহায্য চাওয়া ছাড়া সে তার জন্য গুনাহের উপকরণসমূহ উন্মুক্ত করে দিল।
তবে মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সমূহ-ই হলো গুনাহের দরজা। আর সবচেয়ে ক্ষতিকারক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন, যে ব্যক্তি চতুষ্টয়কে সংরক্ষণ করল সে তার দীনকে নিরাপদ করল সে গুলো হলো, মুহূর্ত ও সময়, ক্ষতিকারক বস্তুসমূহ, বাকশক্তি ও পদক্ষেপসমূহ।
অতএব, এই চারটি দরজায় নিজের পাহারাদার নিযুক্ত করা উচিত। এগুলোর প্রাচীরসমূহে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৃষ্টি করবে। কেননা এগুলোর মাধ্যমেই শত্রু পরবশ করে তাকে। অতঃপর সে গোটা ভূমিকে গ্রাস করে নেয় এবং প্রবল পরাক্রম হয়ে বিস্তার লাভ করে। মানুষের কাছে অধিকাংশ গুনাহ এ চারটি পথেই প্রবেশ করে থাকে। সুতরাং গুনাহের উপকরণ ও যেসব প্রবেশপথে গুনাহ বিস্তার লাভ করে থাকে সেগুলো সম্পর্কে সম্যক অবগতি লাভ করা মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যেন সে সেসব থেকে বেঁচে থাকতে পারে। এখন সেসব বিষয়ের বিশদ আলোচনা উপস্থাপিত হচ্ছে।