১
গুনাহের দরজা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
তৃতীয়তঃ মেধার চিন্তা ও কল্পনাসমূহ:
চিন্তা ও কল্পনা বিষয়ক অধ্যায়টি বিশেষ গুরুত্ববহ। কেননা মানুষের কথা, কাজ ও আচরণসমূহে এর শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে। কারণ, চিন্তাই হলো ভালো-মন্দের উৎস এবং চিন্তা থেকেই নানা ইচ্ছা, প্রেরণা ও সংকল্পের সৃষ্টি হয়। অতএব, সে তার কল্পনা শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করবে সে তার প্রবৃত্তির লাগাম এর নিয়ন্ত্রক হবে এবং সে প্রবৃত্তর ওপর বিজয় লাভ করবে। পক্ষান্তরে যার কল্পনা তাকে পরাজিত করবে তার প্রবৃত্তি মন তার ওপর বিজয়ী হবে। আর সে কল্পনাকে লঘু দৃষ্টিতে দেখবে তাকে ধ্বংসের প্রান্তসীমায় নিয়ে যাবে এবং এই কল্পনা মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকবে যাবৎ না তার নিরর্থক হিসেবে সাব্যস্ত হবে।
আর কল্যাণময় কল্পনা যা মানুষের উপকারে আসে তা হচ্ছে, পার্থিব বা অপার্থিব কল্যাণ অর্জনের উদ্দেশ্যে যা নিবেদিত অথবা কোনো ইহলৌকিক বা পারলৌকিক অনিষ্ট দূর করার উদ্দেশ্যে যা নির্দিষ্ট।
আর সর্বাধিক উপকারী হলো যা আল্লাহ ও পরকালের উদ্দেশে হয়ে থাকে যেমন পবিত্র কুরআনের আয়াতের অর্থসমূহ গভীর চিন্তা-ভাবনা করা এবং তা দ্বারা আল্লাহর উদ্দেশ্য উপলব্ধি করা এবং আমাদের সামনে উপস্থিত জাগতিক নিদর্শনসমূহে ধ্যানমগ্ন হওয়া এবং তা দ্বারা আল্লাহর নাম, গুণ ও প্রজ্ঞার ওপর প্রমাণ উপস্থাপন করা। এমনভাবে আল্লাহর নি‘আমত অনুগ্রহ ও দানসমূহ সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করা। প্রবৃত্তির দোষ-ত্রুটি ও সমস্যাসমূহ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। সময়ের দায়িত্ব প্রয়োজন সম্পর্কে চিন্তামগ্ন হওয়া। এই মোট পাঁচ প্রকার।
পূর্ণতা হলো হৃদয়কে কল্পনা শক্তি, চিন্তা-ভাবনা ও প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের চিন্তায় নিমগ্ন ও পরিপূর্ণ রাখা এবং তার পথ ও গন্তব্য সম্পর্কে চিন্তা করা। সবচেয়ে পূর্ণতম মানুষ সে যে কল্পনা, চিন্তা ও ইচ্ছায় এর বাস্তবায়নে অধিক মনোযোগী। পক্ষান্তরে সবচেয়ে অসম্পূর্ণ মানুষ সে যে কল্পনা, চিন্তা ও ইচ্ছায় তার প্রবৃত্তির অধিক অনুগামী। আর কেউ তো অধিক এমন বিষয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে যা পুরো পুরি অর্থহীন, ফলে তার ইচ্ছাশক্তি প্রকৃত অর্থবহ কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকে। অতপর তার ইহকাল ও পরকাল উভয়ই নষ্ট হয়ে যায়। অতএব, অর্থহীন কল্পনা ও চিন্তা-ভাবনা এবং কাল্পনিক ও সুদূর পরাহত বিষয়ের চিন্তা কী উপকারে আসবে?
নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হচ্ছে, মেধাকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাকে কল্পনা ও প্রশস্ত চিন্তায় নির্বিঘ্নে খোরাখুরির সুযোগ না দেওয়া, যা তাকে পার্থিব উপকরণ তার বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় পরিভ্রমণ করাবে। আর তাকে এক বস্তু থেকে আরেক বস্ত্তর দিকে স্থানান্তর করবে। তবে তা তাকে প্রয়োজনীয় কোনো স্থানে অবস্থান করাবে না। আর বিক্ষিপ্ত, অবিন্যস্ত চিন্তা-ভাবনার সুসংহত চিন্তা-ভাবনা মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বস্তু এবং জাতিকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য।
আর কল্যাণময় কল্পনা যা মানুষের উপকারে আসে তা হচ্ছে, পার্থিব বা অপার্থিব কল্যাণ অর্জনের উদ্দেশ্যে যা নিবেদিত অথবা কোনো ইহলৌকিক বা পারলৌকিক অনিষ্ট দূর করার উদ্দেশ্যে যা নির্দিষ্ট।
আর সর্বাধিক উপকারী হলো যা আল্লাহ ও পরকালের উদ্দেশে হয়ে থাকে যেমন পবিত্র কুরআনের আয়াতের অর্থসমূহ গভীর চিন্তা-ভাবনা করা এবং তা দ্বারা আল্লাহর উদ্দেশ্য উপলব্ধি করা এবং আমাদের সামনে উপস্থিত জাগতিক নিদর্শনসমূহে ধ্যানমগ্ন হওয়া এবং তা দ্বারা আল্লাহর নাম, গুণ ও প্রজ্ঞার ওপর প্রমাণ উপস্থাপন করা। এমনভাবে আল্লাহর নি‘আমত অনুগ্রহ ও দানসমূহ সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করা। প্রবৃত্তির দোষ-ত্রুটি ও সমস্যাসমূহ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। সময়ের দায়িত্ব প্রয়োজন সম্পর্কে চিন্তামগ্ন হওয়া। এই মোট পাঁচ প্রকার।
পূর্ণতা হলো হৃদয়কে কল্পনা শক্তি, চিন্তা-ভাবনা ও প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের চিন্তায় নিমগ্ন ও পরিপূর্ণ রাখা এবং তার পথ ও গন্তব্য সম্পর্কে চিন্তা করা। সবচেয়ে পূর্ণতম মানুষ সে যে কল্পনা, চিন্তা ও ইচ্ছায় এর বাস্তবায়নে অধিক মনোযোগী। পক্ষান্তরে সবচেয়ে অসম্পূর্ণ মানুষ সে যে কল্পনা, চিন্তা ও ইচ্ছায় তার প্রবৃত্তির অধিক অনুগামী। আর কেউ তো অধিক এমন বিষয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে যা পুরো পুরি অর্থহীন, ফলে তার ইচ্ছাশক্তি প্রকৃত অর্থবহ কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকে। অতপর তার ইহকাল ও পরকাল উভয়ই নষ্ট হয়ে যায়। অতএব, অর্থহীন কল্পনা ও চিন্তা-ভাবনা এবং কাল্পনিক ও সুদূর পরাহত বিষয়ের চিন্তা কী উপকারে আসবে?
নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হচ্ছে, মেধাকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাকে কল্পনা ও প্রশস্ত চিন্তায় নির্বিঘ্নে খোরাখুরির সুযোগ না দেওয়া, যা তাকে পার্থিব উপকরণ তার বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় পরিভ্রমণ করাবে। আর তাকে এক বস্তু থেকে আরেক বস্ত্তর দিকে স্থানান্তর করবে। তবে তা তাকে প্রয়োজনীয় কোনো স্থানে অবস্থান করাবে না। আর বিক্ষিপ্ত, অবিন্যস্ত চিন্তা-ভাবনার সুসংহত চিন্তা-ভাবনা মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বস্তু এবং জাতিকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য।