১
একজন সফল শিক্ষকের গুণাবলি
লেখকঃ মুহাম্মাদ শামসুল হক সিদ্দিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
তৃতীয়তঃ সঠিক শিক্ষা পদ্ধতি অবলম্বন-
১. পাঠ প্রস্তুতি এবং অধ্যয়নের মাধ্যমে যথার্থরূপে নিজেকে তৈরি করা।
২. যে বিষয়ে পাঠদান করা হচ্ছে তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া এবং ছাত্রদেরকে বোঝার জন্য সার্বিক সহায়তা দান।
৩. যেভাবে পাঠদান করলে ছাত্রদের উৎসাহ আগ্রহ বেড়ে যাবে সে ভাবে পাঠদান করা।
৪. শিক্ষকের একটি উদ্দেশ্য থাকতে হবে যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি সচেষ্ট হবেন। একটি সুনির্দিষ্ট কর্ম সামনে হাজির রাখতে হবে যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি উৎসাহী হবেন।
অন্য এক গবেষণায় সফল গুণাবলি নির্ণয় করতে গিয়ে Trever Kdrry (১৯৮১) বলেন,
ক. শিক্ষক নিজের জন্য একটি স্পষ্ট টার্গেট নির্ধারণ করবেন যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি কাজ করে যাবেন।
খ. তিনি যা করতে যাচ্ছেন তার স্পষ্টাকারে বর্ণনা দেবেন।
গ. তিনি মনোযোগসহ ছাত্রদের কথা শুনবেন।
ঘ. তিনি সজাগ দৃষ্টির অধিকারী হবেন।
ঙ. ছাত্রদের মাঝে সামাজিক ও বৈষয়িক পার্থক্যসমূহ দূরীভূত করার জন্য উৎসাহী হবেন।
চ. শিক্ষক তার অভিমত ও রায় বস্তুনিষ্ঠ দলীল-প্রমাণের ভিত্তিতে দাঁড় করাবেন।
ছ. শিক্ষক তার ছাত্রদেরকে এমন সব প্রশ্ন করবেন যার দ্বারা ছাত্রদের চিন্তাশক্তি শাণিত হয়, তাদের উদ্ভাবন ক্ষমতা বাড়ে।
জ. দলিল-প্রমাণ বিবর্জিত পূর্বনির্ধারিত যে কোনো সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকবেন।
ঝ. আলোচনা-পর্যালোচনা, পাঠদান সুনির্দিষ্ট একটি বিষয়ে সীমিত রাখবেন। বিক্ষিপ্ত হবেন না।
ঞ. শেখা ও জ্ঞানলাভের প্রতি ছাত্রদেরকে আগ্রহী করে তুলবেন।
ট. যেসব তথ্য ছাত্রদের জানা প্রয়োজন বা ছাত্ররা যেসব তথ্য জানতে আগ্রহী সেগুলো তিনি সরবরাহ করবেন।
ঠ. ছাত্রদেরকে বিচারের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতার আশ্রয় নেবেন। ব্যক্তিগত রায় অথবা স্বেচ্ছাচারিতা বর্জন করবেন।
২. যে বিষয়ে পাঠদান করা হচ্ছে তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া এবং ছাত্রদেরকে বোঝার জন্য সার্বিক সহায়তা দান।
৩. যেভাবে পাঠদান করলে ছাত্রদের উৎসাহ আগ্রহ বেড়ে যাবে সে ভাবে পাঠদান করা।
৪. শিক্ষকের একটি উদ্দেশ্য থাকতে হবে যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি সচেষ্ট হবেন। একটি সুনির্দিষ্ট কর্ম সামনে হাজির রাখতে হবে যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি উৎসাহী হবেন।
অন্য এক গবেষণায় সফল গুণাবলি নির্ণয় করতে গিয়ে Trever Kdrry (১৯৮১) বলেন,
ক. শিক্ষক নিজের জন্য একটি স্পষ্ট টার্গেট নির্ধারণ করবেন যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি কাজ করে যাবেন।
খ. তিনি যা করতে যাচ্ছেন তার স্পষ্টাকারে বর্ণনা দেবেন।
গ. তিনি মনোযোগসহ ছাত্রদের কথা শুনবেন।
ঘ. তিনি সজাগ দৃষ্টির অধিকারী হবেন।
ঙ. ছাত্রদের মাঝে সামাজিক ও বৈষয়িক পার্থক্যসমূহ দূরীভূত করার জন্য উৎসাহী হবেন।
চ. শিক্ষক তার অভিমত ও রায় বস্তুনিষ্ঠ দলীল-প্রমাণের ভিত্তিতে দাঁড় করাবেন।
ছ. শিক্ষক তার ছাত্রদেরকে এমন সব প্রশ্ন করবেন যার দ্বারা ছাত্রদের চিন্তাশক্তি শাণিত হয়, তাদের উদ্ভাবন ক্ষমতা বাড়ে।
জ. দলিল-প্রমাণ বিবর্জিত পূর্বনির্ধারিত যে কোনো সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকবেন।
ঝ. আলোচনা-পর্যালোচনা, পাঠদান সুনির্দিষ্ট একটি বিষয়ে সীমিত রাখবেন। বিক্ষিপ্ত হবেন না।
ঞ. শেখা ও জ্ঞানলাভের প্রতি ছাত্রদেরকে আগ্রহী করে তুলবেন।
ট. যেসব তথ্য ছাত্রদের জানা প্রয়োজন বা ছাত্ররা যেসব তথ্য জানতে আগ্রহী সেগুলো তিনি সরবরাহ করবেন।
ঠ. ছাত্রদেরকে বিচারের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতার আশ্রয় নেবেন। ব্যক্তিগত রায় অথবা স্বেচ্ছাচারিতা বর্জন করবেন।