১
সফলতার পথ-পথান্তর
লেখকঃ ড. তাওফিক আলি যবাদি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
চার : খাশয়াতুল্লাহ তথা আল্লাহভীতি ও তাকওয়া
আল্লাহ বলেন,
(আরবি)
আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই সফল ও কৃতকার্য। [সূরা আন-নূর:৫২]
খাশয়াত বলা হয় ভক্তি মাখা ভয়কে। এমন ভীতি যার সাথে সম্মান জড়িত। আর এই গুণাগুন অর্জিত হবার জন্য জ্ঞান ও ইলমের প্রয়োজন। আল্লাহ সম্বন্ধে যে ব্যক্তি জানবে, তাঁর অবস্থা-অবস্থান বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে তার ভেতরে অবস্থিত চেতনা ও বোধ সেই আল্লাহকে সম্মান ও ভয় করতে তাগিদ করবে। তাইতো এ গুণগুন বিষয়ে ওলামাদেরকে বিশেষায়িত করা হয়েছে, মহান আল্লাহ বলেন,
(আরবি)
আল্লাহকে তাঁর বান্দাদের মাঝে কেবল জ্ঞানীরাই ভয় করে। [সূরা ফাতির:২৮]
অর্থাৎ এমন ভয় যা কেবল তার সম্বন্ধে ধারনা লাভ হলেই সম্ভব হয়। আর ভয় হবে তার সম্মানের সাথে যথাযথ ও সঙ্গতিপূর্ণ। ফলশ্রুতিতে তিনি যা নিষেধ করেছেন তা ত্যাগ করবে এবং নিজেকে প্রবৃত্তির চাহিদা চরিতার্থ করা হতে নিয়ন্ত্রণ করবে। এজন্যই আল্লাহ বলেছেন,
﴿ وَيَتَّقْهِ ﴾ অর্থাৎ তাকে ভয় করবে নিষিদ্ধ বিষয়াদি পরিত্যাগ করার মাধ্যমে। কেননা সাধারণভাবে তাকওয়া শব্দ নির্দেশিত বিষয়াদি বাস্তবায়ন ও নিষিদ্ধ বিষয়াদি পরিত্যাগ করাকে সন্বিবেশিত করে। আর তার (তাকওয়ার) সাথে যদি আনুগত্য কিংবা নেক কাজকে মিলিয়ে ব্যবহার করা হয় -যেমনটি আমাদের এখানে হয়েছে-, তখন অর্থ হয় আল্লাহর অবাধ্যতা ও পাপকাজ পরিত্যাগ করার মাধ্যমে তাঁর শাস্তি থেকে পরিত্রাণ লাভ করা। [ তাফসির আস-সা’দি : ৫৭২]
তাকওয়া খাশিয়াত থেকে ব্যাপক, তাকওয়া হচ্ছে ছোট-বড় যাবতীয় পাপ সম্পাদন কালে আল্লাহর ধ্যান ও তাঁর অস্তিত্ব মনে উপলব্ধি করে অপসন্দীয় কাজ বাস্তবায়িত হয়ে যাওয়াতে মানসিক যন্ত্রনা ও সঙ্কট অনুভব করা। আর তা হবে আল্লাহর সম্মান, মর্যাদা ও তাঁর প্রতি লজ্জা বোধের কারণে। তাছাড়া ভয় আর খাশিয়ত তো আছেই। [ফী জিলালিল কোরআন: ৫/২৯১]
(আরবি)
আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই সফল ও কৃতকার্য। [সূরা আন-নূর:৫২]
খাশয়াত বলা হয় ভক্তি মাখা ভয়কে। এমন ভীতি যার সাথে সম্মান জড়িত। আর এই গুণাগুন অর্জিত হবার জন্য জ্ঞান ও ইলমের প্রয়োজন। আল্লাহ সম্বন্ধে যে ব্যক্তি জানবে, তাঁর অবস্থা-অবস্থান বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে তার ভেতরে অবস্থিত চেতনা ও বোধ সেই আল্লাহকে সম্মান ও ভয় করতে তাগিদ করবে। তাইতো এ গুণগুন বিষয়ে ওলামাদেরকে বিশেষায়িত করা হয়েছে, মহান আল্লাহ বলেন,
(আরবি)
আল্লাহকে তাঁর বান্দাদের মাঝে কেবল জ্ঞানীরাই ভয় করে। [সূরা ফাতির:২৮]
অর্থাৎ এমন ভয় যা কেবল তার সম্বন্ধে ধারনা লাভ হলেই সম্ভব হয়। আর ভয় হবে তার সম্মানের সাথে যথাযথ ও সঙ্গতিপূর্ণ। ফলশ্রুতিতে তিনি যা নিষেধ করেছেন তা ত্যাগ করবে এবং নিজেকে প্রবৃত্তির চাহিদা চরিতার্থ করা হতে নিয়ন্ত্রণ করবে। এজন্যই আল্লাহ বলেছেন,
﴿ وَيَتَّقْهِ ﴾ অর্থাৎ তাকে ভয় করবে নিষিদ্ধ বিষয়াদি পরিত্যাগ করার মাধ্যমে। কেননা সাধারণভাবে তাকওয়া শব্দ নির্দেশিত বিষয়াদি বাস্তবায়ন ও নিষিদ্ধ বিষয়াদি পরিত্যাগ করাকে সন্বিবেশিত করে। আর তার (তাকওয়ার) সাথে যদি আনুগত্য কিংবা নেক কাজকে মিলিয়ে ব্যবহার করা হয় -যেমনটি আমাদের এখানে হয়েছে-, তখন অর্থ হয় আল্লাহর অবাধ্যতা ও পাপকাজ পরিত্যাগ করার মাধ্যমে তাঁর শাস্তি থেকে পরিত্রাণ লাভ করা। [ তাফসির আস-সা’দি : ৫৭২]
তাকওয়া খাশিয়াত থেকে ব্যাপক, তাকওয়া হচ্ছে ছোট-বড় যাবতীয় পাপ সম্পাদন কালে আল্লাহর ধ্যান ও তাঁর অস্তিত্ব মনে উপলব্ধি করে অপসন্দীয় কাজ বাস্তবায়িত হয়ে যাওয়াতে মানসিক যন্ত্রনা ও সঙ্কট অনুভব করা। আর তা হবে আল্লাহর সম্মান, মর্যাদা ও তাঁর প্রতি লজ্জা বোধের কারণে। তাছাড়া ভয় আর খাশিয়ত তো আছেই। [ফী জিলালিল কোরআন: ৫/২৯১]