১
শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল-মাত্বরাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
শী‘আ মতবাদ প্রচারের এই ঘূর্ণিঝড় এবং স্পষ্ট বিপদ প্রতিরোধে আমাদের করণীয় কি?
ভাই পাঠক! এখন বাকী থাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্নঃ শী‘আ মতবাদ প্রচারের এই ঘূর্ণিঝড় এবং স্পষ্ট বিপদ প্রতিরোধে আমাদের করণীয় কি?
সম্মানিত মুসলিম ভাই! শরী‘আতের দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যাবশ্যক এবং মুসলিম জনতার জন্য নছীহত হল, যবান ও মাল দ্বারা রাফেযী বিদ‘আতের মোকাবেলা করতে হবে এবং দ্বীন ও শরী‘আতের হেফাযতার্থে এই বিস্তৃতির ভয়াবহতা সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
আমরা শাসকগোষ্ঠী এবং সাধারণ জনগণ সম্মিলিতভাবে যদি শী‘আ মতবাদের এই তুফানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিই, তাহলে এর বাতাস আগমন করবেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের ঘটনাপুঞ্জ কিন্তু অবাস্তব নয়। সুতরাং দ্বীনের প্রতি অধিক আগ্রহী প্রত্যেকটি মুসলমানের উচিৎ, সর্বশক্তি দিয়ে তার সুন্নী মতবাদকে সহযোগিতা করা। আমাদের করণীয় কয়েকটি বিষয় নীচের পয়েন্টগুলিতে সংক্ষিপ্তাকারে উল্লেখ করা যেতে পারেঃ-
এক. ইসলামী বিশ্বে সুন্নী মতবাদ প্রসারে আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে হবে এবং এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য দাঈগণ ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহায়তা প্রদান করতে হবে।
দুই. পঠন, শ্রবণ ও দর্শনযোগ্য তথ্যাবলী প্রচার করতে হবে, যা শী‘আ মতবাদের রহস্য উন্মোচন করবে এবং এর আসল উদ্দেশ্য ফাঁস করে দিবে।
তিন. সুন্নী সমাজে সুন্নী আক্বীদা পাঠদানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। বিশেষ করে, সাহাবীগণকে সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁদের সম্পর্কে রাফেযী কর্তৃক সৃষ্ট সন্দেহ ও অস্পষ্টতাসমূহের জবাবদানের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
চার. আহলে সুন্নাতকে, বিশেষ করে ইসলামী দা‘ওয়াতের কর্মীদেরকে তাঁদের নিজেদের মতানৈক্য ভুলে গিয়ে সুন্নী মতবাদকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কেননা আমাদের মতানৈক্য আমাদের বিভক্তি ও দুর্বলতার কারণ। আর এই বিভক্তি কেবল শত্রুদের স্বার্থেই কাজে লাগে।
পাঁচ. সুন্নী দেশসমূহকে অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে এবং এমন শক্তি অর্জনের চেষ্টা করতে হবে, যা সুন্নী দেশসমূহের প্রতি পারস্যদের লোভ-লালসাকে প্রতিহত করতে পারে। বর্তমান শক্তিই হল সব। আজকের বিশ্ব শক্তিশালী ছাড়া অন্যকে সমীহ করে না। বিশেষ করে, আজ আমরা প্রতিপক্ষকে দিনে দিনে ছুরিতে ধার দিতে এবং শক্তি পরীক্ষা করতে দেখতে পাচ্ছি।
ছয়. ইসলামের দাঈ, মিডিয়ার লোকজন এবং ব্যবসায়ীদেরকে ইসলামী চ্যানেল খুলতে হবে, যা শী‘আ মতাবলম্বী উস্কানী সৃষ্টিকারী চ্যানেলগুলির মোকাবেলা করতে পারে। কেননা আজকের যুগ মিডিয়ার যুগ। আর মিডিয়া নামক তরবারী অত্যধিক ধারালো এবং অতি প্রসারিত।
সাত. আহলে সুন্নাতকে রাফেযীদের আক্বীদা তাদেরই নির্ভরযোগ্য বই-পুস্তক থেকে প্রচার করতে হবে। যুগে যুগে তাদের খেয়ানত এবং মুসলিম উম্মাহ্র উপর তাদের হিংসার ইতিহাস প্রকাশ করতে হবে। আর এটাও উল্লেখ করতে হবে যে, এরা তারাই, যারা ঐক্য সৃষ্টি ও পরস্পরে কাছাকাছি আসার মিথ্যা দাবী করে।
আট. আহলে সুন্নাতকে স্বীয় ইতিহাস এবং মুসলিম উম্মাহ্র আক্বীদা ও ঐক্য সংরক্ষণে তাঁদের দীর্ঘ পথপরিক্রমা তুলে ধরতে হবে। মুসলিম উম্মাহ্র পবিত্রস্থানসমূহ রক্ষণাবেক্ষণে তাঁদের অবদানের কথাও তুলে ধরতে হবে এবং এটাও উল্লেখ করতে হবে যে, তাঁদের হাতেই দুনিয়ার সর্বত্র ইসলাম প্রসার লাভ করেছে।
সম্মানিত মুসলিম ভাই! শরী‘আতের দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যাবশ্যক এবং মুসলিম জনতার জন্য নছীহত হল, যবান ও মাল দ্বারা রাফেযী বিদ‘আতের মোকাবেলা করতে হবে এবং দ্বীন ও শরী‘আতের হেফাযতার্থে এই বিস্তৃতির ভয়াবহতা সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
আমরা শাসকগোষ্ঠী এবং সাধারণ জনগণ সম্মিলিতভাবে যদি শী‘আ মতবাদের এই তুফানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিই, তাহলে এর বাতাস আগমন করবেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের ঘটনাপুঞ্জ কিন্তু অবাস্তব নয়। সুতরাং দ্বীনের প্রতি অধিক আগ্রহী প্রত্যেকটি মুসলমানের উচিৎ, সর্বশক্তি দিয়ে তার সুন্নী মতবাদকে সহযোগিতা করা। আমাদের করণীয় কয়েকটি বিষয় নীচের পয়েন্টগুলিতে সংক্ষিপ্তাকারে উল্লেখ করা যেতে পারেঃ-
এক. ইসলামী বিশ্বে সুন্নী মতবাদ প্রসারে আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে হবে এবং এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য দাঈগণ ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহায়তা প্রদান করতে হবে।
দুই. পঠন, শ্রবণ ও দর্শনযোগ্য তথ্যাবলী প্রচার করতে হবে, যা শী‘আ মতবাদের রহস্য উন্মোচন করবে এবং এর আসল উদ্দেশ্য ফাঁস করে দিবে।
তিন. সুন্নী সমাজে সুন্নী আক্বীদা পাঠদানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। বিশেষ করে, সাহাবীগণকে সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁদের সম্পর্কে রাফেযী কর্তৃক সৃষ্ট সন্দেহ ও অস্পষ্টতাসমূহের জবাবদানের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
চার. আহলে সুন্নাতকে, বিশেষ করে ইসলামী দা‘ওয়াতের কর্মীদেরকে তাঁদের নিজেদের মতানৈক্য ভুলে গিয়ে সুন্নী মতবাদকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কেননা আমাদের মতানৈক্য আমাদের বিভক্তি ও দুর্বলতার কারণ। আর এই বিভক্তি কেবল শত্রুদের স্বার্থেই কাজে লাগে।
পাঁচ. সুন্নী দেশসমূহকে অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে এবং এমন শক্তি অর্জনের চেষ্টা করতে হবে, যা সুন্নী দেশসমূহের প্রতি পারস্যদের লোভ-লালসাকে প্রতিহত করতে পারে। বর্তমান শক্তিই হল সব। আজকের বিশ্ব শক্তিশালী ছাড়া অন্যকে সমীহ করে না। বিশেষ করে, আজ আমরা প্রতিপক্ষকে দিনে দিনে ছুরিতে ধার দিতে এবং শক্তি পরীক্ষা করতে দেখতে পাচ্ছি।
ছয়. ইসলামের দাঈ, মিডিয়ার লোকজন এবং ব্যবসায়ীদেরকে ইসলামী চ্যানেল খুলতে হবে, যা শী‘আ মতাবলম্বী উস্কানী সৃষ্টিকারী চ্যানেলগুলির মোকাবেলা করতে পারে। কেননা আজকের যুগ মিডিয়ার যুগ। আর মিডিয়া নামক তরবারী অত্যধিক ধারালো এবং অতি প্রসারিত।
সাত. আহলে সুন্নাতকে রাফেযীদের আক্বীদা তাদেরই নির্ভরযোগ্য বই-পুস্তক থেকে প্রচার করতে হবে। যুগে যুগে তাদের খেয়ানত এবং মুসলিম উম্মাহ্র উপর তাদের হিংসার ইতিহাস প্রকাশ করতে হবে। আর এটাও উল্লেখ করতে হবে যে, এরা তারাই, যারা ঐক্য সৃষ্টি ও পরস্পরে কাছাকাছি আসার মিথ্যা দাবী করে।
আট. আহলে সুন্নাতকে স্বীয় ইতিহাস এবং মুসলিম উম্মাহ্র আক্বীদা ও ঐক্য সংরক্ষণে তাঁদের দীর্ঘ পথপরিক্রমা তুলে ধরতে হবে। মুসলিম উম্মাহ্র পবিত্রস্থানসমূহ রক্ষণাবেক্ষণে তাঁদের অবদানের কথাও তুলে ধরতে হবে এবং এটাও উল্লেখ করতে হবে যে, তাঁদের হাতেই দুনিয়ার সর্বত্র ইসলাম প্রসার লাভ করেছে।