১
ইন্টারনেট দীন প্রচারের বিশ্বমঞ্চ
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
যুব সম্প্রদায়ের প্রতি বিনীত আবেদন
যুবক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা এই আধুনিক প্রচার মাধ্যমটিকে উত্তম কাজে লাগান। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে লগ্নি করুন এবং আল্লাহর হারাম করা বিষয়গুলো থেকে সর্বাত্মকভাবে বিরত থাকুন। বিশেষত আজ যখন তা মানুষের জন্য বিপদের আকার ধারণ করেছে। আমাদের মনে রাখতে হবে ইন্টারনেট একটি দোধারী অস্ত্র। আমাদের তাই মানুষকে ইসলামের দিকে ডাকা এবং নিজের আখলাক ও আচরণ দিয়ে ইসলামের সঠিক চিত্র তুলে ধরার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। এটি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ইসলামগ্রহণকারী অনেক ব্যক্তির খবর নিলে জানা যায়, তাদের অভিজ্ঞতার কথা শুনছে দেখা যায়, তাদের ইসলাম গ্রহণের কোনো মুসলিম যুবক বা যুবতীর অবদান রয়েছে যিনি তার সামনে ইসলামের আচার-শিষ্টাচার ও বিধান-সংবিধানের সঠিক চিত্র চিত্তাকর্ষক ভাষায় তুলে ধরেছেন। মনে রাখতে হবে মুখের ভাষায় দাওয়াতের চেয়ে কর্ম ও আচরণের মাধ্যমে দেয়া দাওয়াতই বেশি কার্যকর হয়।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনারা কি ইন্টারনেটের মাধ্যমে দাওয়াতে দীনের যিম্মাদারী আদায় করতে চান? আপনার জন্য প্রতিদান ও অফুরন্ত নেকী হিসেবে সে ওয়াদাগুলোই যথেষ্ট যা মহা সত্যবাদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে বের হয়েছে। আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى ، كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنِ اتَّبَعَهُ ، لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا ، وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلاَلَةٍ ، فَعَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنِ اتَّبَعَهُ ، لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا»
‘যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের প্রতি (মানুষকে) আহ্বান জানাবে, যারা তার অনুসরণ করবে তাদের অনুরূপ নেকীই লেখা হবে ওই ব্যক্তির জন্য। অথচ এটি তাদের নেকীর কোনো অংশ কমিয়ে দেবে না। আর যে কোনো ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান জানাবে, তাকে যারা অনুসরণ করবে তাদের সমান পাপই লেখা হবে তার জন্য। অথচ এটি তাদের পাপসমূহ থেকে এতটুকু কমাবে না। [ইবন মাজা : ২০৩; দারেমী : ৫৩০]
সাহল ইবন সা‘দ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«فَوَاللَّهِ لأَنْ يَهْدِيَ اللَّهُ بِكَ رَجُلاً وَاحِدًا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ يَكُونَ لَكَ حُمْرُ النَّعَمِ»
‘আল্লাহর শপথ, ‘তোমার মাধ্যমে একজনকে আল্লাহর হেদায়েত দান করা তোমার জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম।’ [বুখারী : ৪২১০; মুসলিম : ৬৩৭৬]
আপনি কি চান না আল্লাহর রহমত আপনাকে বেষ্টন করে নিক? তবে আপনার জন্য দাওয়াতের পথ। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
﴿وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتُ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٖۚ يَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَيُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤۡتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَيُطِيعُونَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓۚ أُوْلَٰٓئِكَ سَيَرۡحَمُهُمُ ٱللَّهُۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٞ﴾ [ التوبة : 71]
‘আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু, তারা ভাল কাজের আদেশ দেয় আর অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করে, আর তারা সালাত কায়িম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। এদেরকে আল্লাহ শীঘ্রই দয়া করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ {সূরা আত-তাওবা, আয়াত : ৭১}
আপনাদের সামনে ইন্টারনেটে দাওয়াত প্রচারের কিছু কৌশল ও টিপস তুলে ধরতে চাই। সেগুলোকে কাজে লাগান। শয়তান যেন দীনের স্বার্থ হাসিল থেকে আপনাকে বিরত না রাখতে পারে। মনে রাখবেন, ইন্টারনেটে আপনি যত সময় দিচ্ছেন, কিয়ামতের দিন এ সময়গুলোর হিসাব দিতে হবে। কোথায় এগুলো কাটিয়েছেন? ভালো কাজে কাটালে ভালো আর মন্দ কাজে কাটালে মন্দ বয়ে আনবে। ইন্টারনেটে ভালো কাজ করতে পারেন এভাবে :
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনারা কি ইন্টারনেটের মাধ্যমে দাওয়াতে দীনের যিম্মাদারী আদায় করতে চান? আপনার জন্য প্রতিদান ও অফুরন্ত নেকী হিসেবে সে ওয়াদাগুলোই যথেষ্ট যা মহা সত্যবাদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে বের হয়েছে। আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى ، كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنِ اتَّبَعَهُ ، لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا ، وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلاَلَةٍ ، فَعَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنِ اتَّبَعَهُ ، لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا»
‘যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের প্রতি (মানুষকে) আহ্বান জানাবে, যারা তার অনুসরণ করবে তাদের অনুরূপ নেকীই লেখা হবে ওই ব্যক্তির জন্য। অথচ এটি তাদের নেকীর কোনো অংশ কমিয়ে দেবে না। আর যে কোনো ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান জানাবে, তাকে যারা অনুসরণ করবে তাদের সমান পাপই লেখা হবে তার জন্য। অথচ এটি তাদের পাপসমূহ থেকে এতটুকু কমাবে না। [ইবন মাজা : ২০৩; দারেমী : ৫৩০]
সাহল ইবন সা‘দ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«فَوَاللَّهِ لأَنْ يَهْدِيَ اللَّهُ بِكَ رَجُلاً وَاحِدًا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ يَكُونَ لَكَ حُمْرُ النَّعَمِ»
‘আল্লাহর শপথ, ‘তোমার মাধ্যমে একজনকে আল্লাহর হেদায়েত দান করা তোমার জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম।’ [বুখারী : ৪২১০; মুসলিম : ৬৩৭৬]
আপনি কি চান না আল্লাহর রহমত আপনাকে বেষ্টন করে নিক? তবে আপনার জন্য দাওয়াতের পথ। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
﴿وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتُ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٖۚ يَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَيُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤۡتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَيُطِيعُونَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓۚ أُوْلَٰٓئِكَ سَيَرۡحَمُهُمُ ٱللَّهُۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٞ﴾ [ التوبة : 71]
‘আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু, তারা ভাল কাজের আদেশ দেয় আর অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করে, আর তারা সালাত কায়িম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। এদেরকে আল্লাহ শীঘ্রই দয়া করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ {সূরা আত-তাওবা, আয়াত : ৭১}
আপনাদের সামনে ইন্টারনেটে দাওয়াত প্রচারের কিছু কৌশল ও টিপস তুলে ধরতে চাই। সেগুলোকে কাজে লাগান। শয়তান যেন দীনের স্বার্থ হাসিল থেকে আপনাকে বিরত না রাখতে পারে। মনে রাখবেন, ইন্টারনেটে আপনি যত সময় দিচ্ছেন, কিয়ামতের দিন এ সময়গুলোর হিসাব দিতে হবে। কোথায় এগুলো কাটিয়েছেন? ভালো কাজে কাটালে ভালো আর মন্দ কাজে কাটালে মন্দ বয়ে আনবে। ইন্টারনেটে ভালো কাজ করতে পারেন এভাবে :