১
কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুকে হত্যা করেছে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
৯. আশুরার দিনে আমাদের করণীয় কীঃ
সুন্নি মুসলিমগণ এই দিনে রোযা রাখেন। কারণ এটি এমন একটি দিন যাতে আল্লাহ তা‘আলা মুসা ও তাঁর জাতির লোকদেরকে ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছেন এবং ফেরাউন সম্প্রদায়কে পানিতে ডুবিয়ে ধ্বংস করেছেন। আহলে সুন্নত ওয়াল জামা‘আতের লোকেরা মনে করেন, খালেস দিলে রোযা অবস্থায় হুসাইনের জন্য দো‘আ করা জাহেলী জামানার আচরণের মত মাতম ও বিলাপ করার চেয়ে অনেক উত্তম। এ দিনে রোযাদারের জন্য দুটি কল্যাণ রয়েছে। একটি হচ্ছে সম্মানিত দিনে রোযা রাখার ফযিলত আর অন্যটি হচ্ছে, রোযা অবস্থায় দো‘আ করার ফযিলত। এই দো‘আর একটি অংশ বা সম্পূর্ণটাই তিনি ইচ্ছা করলে হুসাইনের জন্য করতে পারেন।
আশুরার দিনে রোযা রাখার ফযীলতে যা বর্ণিত হয়েছে:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِي اللَّه عَنْهمَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ وَجَدَهُمْ يَصُومُونَ يَوْمًا يَعْنِي عَاشُورَاءَ فَقَالُوا هَذَا يَوْمٌ عَظِيمٌ وَهُوَ يَوْمٌ نَجَّى اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَأَغْرَقَ آلَ فِرْعَوْنَ فَصَامَ مُوسَى شُكْرًا لِلَّهِ فَقَالَ أَنَا أَوْلَى بِمُوسَى مِنْهُمْ فَصَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ
“আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আগমন করে দেখলেন ইহুদীরা আশুরার দিন রোযা রাখছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এটি কোনো রোযা। তারা উত্তর দিল যে, এটি একটি বিরাট পবিত্র দিন। এদিনে আল্লাহ তাআলা বনী ইসরাইলকে তাদের শত্রুদের কবল থেকে পরিত্রাণ দিয়েছেন। তাই মুসা আলাইহিস সালাম এ দিন রোযা রেখেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন: তাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের সাথে আমার সম্পর্ক অধিক। সুতরাং তিনি রোযা রাখলেন এবং সাহাবীদেরকে রোযা রাখার আদেশ দিয়েছেন।” (বুখারী)
عَنْ عَائِشَةَ رَضِي اللَّه عَنْهَا قَالَتْ كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ تَصُومُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُهُ فَلَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ صَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ كَانَ رَمَضَانُ الْفَرِيضَةَ وَتُرِكَ عَاشُورَاءُ فَكَانَ مَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ لَمْ يَصُمْهُ ( بخارى (
“আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: আইয়ামে জাহেলিয়াতেও কুরাইশরা আশুরার রোযা রাখত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালামও এ দিনে রোযা রাখতেন। মদিনায় হিজরত করে এসেও তিনি এ দিন রোযা রেখেছেন এবং লোকদেরকে রোযা রাখার আদেশ দিয়েছেন। যখন রমাযানের রোযা রাখা ফরয করা হল তখন আশুরার রোযা ছেড়ে দিলেন। সুতরাং তখন থেকে যার ইচ্ছা রোযা রাখত আর যার ইচ্ছা রোযা রাখা ছেড়ে দিত।” (বুখারী)আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে আরও বর্ণিত হয়েছে যে,
حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশুরার রোযা রাখলেন এবং রোযা রাখার আদেশ দিলেন, তখন সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো এমন একটি দিন, যাতে ইয়াহুদ-নাসারারাও সম্মান করে। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: আগামী বছর ইনশা-আল্লাহ্ নয় তারিখেও রোযা রাখবো। কিন্তু আগামী বছর আসার আগেই তিনি মারা যান। (বুখারী)
আশুরার দিনে রোযা রাখার ফযীলতে যা বর্ণিত হয়েছে:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِي اللَّه عَنْهمَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ وَجَدَهُمْ يَصُومُونَ يَوْمًا يَعْنِي عَاشُورَاءَ فَقَالُوا هَذَا يَوْمٌ عَظِيمٌ وَهُوَ يَوْمٌ نَجَّى اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَأَغْرَقَ آلَ فِرْعَوْنَ فَصَامَ مُوسَى شُكْرًا لِلَّهِ فَقَالَ أَنَا أَوْلَى بِمُوسَى مِنْهُمْ فَصَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ
“আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আগমন করে দেখলেন ইহুদীরা আশুরার দিন রোযা রাখছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এটি কোনো রোযা। তারা উত্তর দিল যে, এটি একটি বিরাট পবিত্র দিন। এদিনে আল্লাহ তাআলা বনী ইসরাইলকে তাদের শত্রুদের কবল থেকে পরিত্রাণ দিয়েছেন। তাই মুসা আলাইহিস সালাম এ দিন রোযা রেখেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন: তাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের সাথে আমার সম্পর্ক অধিক। সুতরাং তিনি রোযা রাখলেন এবং সাহাবীদেরকে রোযা রাখার আদেশ দিয়েছেন।” (বুখারী)
عَنْ عَائِشَةَ رَضِي اللَّه عَنْهَا قَالَتْ كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ تَصُومُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُهُ فَلَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ صَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ كَانَ رَمَضَانُ الْفَرِيضَةَ وَتُرِكَ عَاشُورَاءُ فَكَانَ مَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ لَمْ يَصُمْهُ ( بخارى (
“আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: আইয়ামে জাহেলিয়াতেও কুরাইশরা আশুরার রোযা রাখত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালামও এ দিনে রোযা রাখতেন। মদিনায় হিজরত করে এসেও তিনি এ দিন রোযা রেখেছেন এবং লোকদেরকে রোযা রাখার আদেশ দিয়েছেন। যখন রমাযানের রোযা রাখা ফরয করা হল তখন আশুরার রোযা ছেড়ে দিলেন। সুতরাং তখন থেকে যার ইচ্ছা রোযা রাখত আর যার ইচ্ছা রোযা রাখা ছেড়ে দিত।” (বুখারী)আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে আরও বর্ণিত হয়েছে যে,
حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশুরার রোযা রাখলেন এবং রোযা রাখার আদেশ দিলেন, তখন সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো এমন একটি দিন, যাতে ইয়াহুদ-নাসারারাও সম্মান করে। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: আগামী বছর ইনশা-আল্লাহ্ নয় তারিখেও রোযা রাখবো। কিন্তু আগামী বছর আসার আগেই তিনি মারা যান। (বুখারী)