সুনানে আন-নাসায়ী: হাদিস ৪৪৮১
৪৩. ক্রয়-বিক্রয়
سنن النسائي
১/১০ পরিচ্ছেদঃ
বগলের পশম উপড়ে ফেলা
৪৪৮১
সুনানে আন-নাসায়ীأَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ حَتَّى يَتَفَرَّقَا، أَوْ يَأْخُذَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِنَ الْبَيْعِ مَا هَوِيَ، وَيَتَخَايَرَانِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ»
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)থেকে বর্ণিতঃ
ক্রেতা বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে যতক্ষণ না তারা পৃথক হয় এবং বিক্রি দ্বারা তাদের প্রত্যেকের ঈপ্সিত বস্তু গ্রহণ করে নেয় আর তারা ইখতিয়ার পাবে তিনবার।১
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১] ইজাব-কবুল হয়ে গেলে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা কোন শর্ত সংযোজন না করলে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ হয়ে যায়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ “হে মুমিনগণ! তোমরা পরস্পর একে অপরের মাল বাতিল পন্থায় খাবে না, তিজারত ব্যতীত।” এতে পৃথক হওয়ার কোন শর্ত নেই। একবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি পশু উমর (রাঃ) থেকে ক্রয় করেন এবং ক্রয়ের পর তিনি সেই মজলিসেই তা ইব্ন উমর (রাঃ)-কে দান করেন।