hadith book logo

সহিহ বুখারী

সর্বমোট হাদিসঃ: ৭৫৬৩

মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী

সর্বমোট হাদিসঃ: ২২৩০

সহিহ মুসলিম

সর্বমোট হাদিসঃ: ৭৪৫৩

সুনানে আন-নাসায়ী

সর্বমোট হাদিসঃ: ৫৭৫৮

সুনানে আবু দাউদ

সর্বমোট হাদিসঃ: ৫২৭৪

জামে' আত-তিরমিজি

সর্বমোট হাদিসঃ: ৩৯৫৬

সুনানে ইবনে মাজাহ

সর্বমোট হাদিসঃ: ৪৩৪১

মুয়াত্তা ইমাম মালিক

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৮৩২

রিয়াদুস সলেহিন

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৯০৫

১০

বুলুগুল মারাম

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৫৬৮

১১

আল লু'লু ওয়াল মারজান

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৯০৬

১২

হাদিস সম্ভার

সর্বমোট হাদিসঃ: ২০১৩

১৩

সিলসিলা সহিহা

সর্বমোট হাদিসঃ: ৬০

১৪

জাল জয়িফ হাদিস সিরিজ

সর্বমোট হাদিসঃ: ১০২

১৫

মিশকাতুল মাসাবিহ

সর্বমোট হাদিসঃ: ২৭৫৮

১৬

৪০ হাদিস

সর্বমোট হাদিসঃ: ৪২

১৭

আদাবুল মুফরাদ

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৩৩৬

১৮

জুজ'উল রাফায়েল ইয়াদাইন

সর্বমোট হাদিসঃ: ৫৬

১৯

সহিহ হাদিসে কুদসি

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৬৩

২০

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

সর্বমোট হাদিসঃ: ১০১

২১

মিশকাতে জয়িফ হাদিস

সর্বমোট হাদিসঃ: ১০৬

২২

শামায়েলে তিরমিযি

সর্বমোট হাদিসঃ: ৩২০

২৩

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

সর্বমোট হাদিসঃ: ২০০

২৪

সহিহ ফাযায়েলে আমল

সর্বমোট হাদিসঃ: ১৫১

২৫

ঊপদেশ

সর্বমোট হাদিসঃ: ২৩৪

২৬

রমজানের দুর্বল হাদিস

সর্বমোট হাদিসঃ: ৩৬

রিয়াদুস সলেহিন

. বিবিধ

رياض الصالحين

/ পরিচ্ছেদঃ

দৃঢ়-প্রত্যয় ও (আল্লাহর প্রতি) ভরসা

মহান আল্লাহ বলেন, ﴿ وَلَمَّا رَءَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلۡأَحۡزَابَ قَالُواْ هَٰذَا مَا وَعَدَنَا ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥ وَصَدَقَ ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥۚ وَمَا زَادَهُمۡ إِلَّآ إِيمَٰنٗا وَتَسۡلِيمٗا ٢٢ ﴾ [الاحزاب: ٢٢] অর্থাৎ “বিশ্বাসীরা যখন শত্রুবাহিনীকে দেখল তখন ওরা বলে উঠল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তো আমাদেরকে এই প্রতিশ্রুতই দিয়েছেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্যই বলেছিলেন। এতে তো তাদের বিশ্বাস ও আনুগত্যই বৃদ্ধি পেল।” (সূরা আহযাব ২২ আয়াত) তিনি অন্যত্রে বলেন, ﴿ ٱلَّذِينَ قَالَ لَهُمُ ٱلنَّاسُ إِنَّ ٱلنَّاسَ قَدۡ جَمَعُواْ لَكُمۡ فَٱخۡشَوۡهُمۡ فَزَادَهُمۡ إِيمَٰنٗا وَقَالُواْ حَسۡبُنَا ٱللَّهُ وَنِعۡمَ ٱلۡوَكِيلُ ١٧٣ فَٱنقَلَبُواْ بِنِعۡمَةٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَفَضۡلٖ لَّمۡ يَمۡسَسۡهُمۡ سُوٓءٞ وَٱتَّبَعُواْ رِضۡوَٰنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ ذُو فَضۡلٍ عَظِيمٍ ١٧٤ ﴾ [ال عمران: ١٧٣، ١٧٤] অর্থাৎ “যাদেরকে লোকেরা বলেছিল যে, তোমাদের বিরুদ্ধে লোক জমায়েত হয়েছে। সুতরাং তোমরা তাদেরকে ভয় কর। কিন্তু এ (কথা) তাদের বিশ্বাস দৃঢ়তর করেছিল এবং তারা বলেছিল, আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্মবিধায়ক। তারপর তারা আল্লাহর নিয়ামত ও অনুগ্রহসহ ফিরে এসেছিল, কোন অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করেনি এবং আল্লাহ যাতে সন্তুষ্ট হন তারা তারই অনুসরণ করেছিল। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।” (সূরা আলে ইমরান ১৭৩-১৭৪ আয়াত) তিনি আরো বলেন, ﴿ وَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱلۡحَيِّ ٱلَّذِي لَا يَمُوتُ ﴾ [الفرقان: ٥٧] অর্থাৎ “তুমি তাঁর উপর নির্ভর কর যিনি চিরঞ্জীব, যাঁর মৃত্যু নেই।” (সূরা ফুরক্বান ৫৮আয়াত) তিনি আরো বলেন, ﴿وَعَلَى ٱللَّهِ فَلۡيَتَوَكَّلِ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ﴾ [ابراهيم: ١١] অর্থাৎ “মু’মিনদের উচিত, কেবল আল্লাহর উপরই নির্ভর করা।” (সূরা ইব্রাহীম ১১ আয়াত) তিনি আরো বলেন, ﴿ فَإِذَا عَزَمۡتَ فَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِۚ ﴾ [ال عمران: ١٥٩] অর্থাৎ “তুমি কোন সংকল্প গ্রহণ করলে আল্লাহর প্রতি নির্ভর কর। (নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর উপর নির্ভরশীলদেরকে ভালবাসেন।)” (সূরা আলে ইমরান ১৫৯ আয়াত) আরো আল্লাহ বলেন, ﴿وَمَن يَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِ فَهُوَ حَسۡبُهُۥٓ﴾ [الطلاق: ٣] অর্থাৎ “যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করবে তার জন্য তিনই যথেষ্ট হবেন।” (সূরা ত্বালাক ৩ আয়াত) ﴿ إِنَّمَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَجِلَتۡ قُلُوبُهُمۡ وَإِذَا تُلِيَتۡ عَلَيۡهِمۡ ءَايَٰتُهُۥ زَادَتۡهُمۡ إِيمَٰنٗا وَعَلَىٰ رَبِّهِمۡ يَتَوَكَّلُونَ ٢ ﴾ [الانفال: ٢] অর্থাৎ “বিশ্বাসী (মু’মিন) তো তারাই যাদের হৃদয় আল্লাহকে স্মরণ করার সময় ভীত হয় এবং যখন তাঁর আয়াত তাদের নিকট পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের বিশ্বাস (ঈমান) বৃদ্ধি করে এবং তারা তাদের প্রতিপালকের উপরই ভরসা রাখে।” একীন (দৃঢ়প্রত্যয়) ও তাওয়াক্কুল (আল্লাহর উপর ভরসা)র গুরুত্ব সম্বন্ধে আরো অনেক আয়াত রয়েছে। এ মর্মের হাদীসসমূহ নিম্নরূপঃ
৮৫
রিয়াদুস সলেহিন
সহিহ হাদিস
وعن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ كان أخوان على عهد النبي صلى الله عليه وسلم، وكان أحدهما يأتي النبي صلى الله عليه وسلم ، والآخر يحترف، فشكا المحترف آخاه للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ ‏ "‏لعلك ترزق به‏"‏ ‏(‏‏‏رواه الترمذي بإسناد صحيح على شرط مسلم‏‏‏)‏‏.‏
আনাস (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে দুই ভাই ছিল। তাদের মধ্যে একজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে (দ্বীন শিক্ষার জন্য) আসত এবং আর একজন হাতের কোন কাজ করে উপার্জন করত। অতঃপর উপার্জনশীল (ভাইটা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার (শিক্ষার্থী) ভাইয়ের (কাজ না করার) অভিযোগ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘সম্ভবতঃ তোমাকে তার কারণেই রুযী দেওয়া হচ্ছে।’’[১]
টীকা / নোটঃ
[১] তিরমিযী ২৩৪৫, (ইমাম তিরমিযী এটিকে বিশুদ্ধ সূত্রে মুসলিমের শর্তানুযায়ী বর্ণনা করেছেন।)

রিডিং সেটিংস

Bangla

System

আরবি ফন্ট নির্বাচন

Kfgq Hafs

অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন

Kalpurush

22
17

সাধারণ সেটিংস

এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন

মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।

সাপোর্ট করুন