hadith book logo

রিয়াদুস সলেহিন: হাদিস ৯৯০

৮. সফরের আদব-কায়দা

رياض الصالحين

১/৯ পরিচ্ছেদঃ

শুভকাজে প্রতিযোগিতা ও শীঘ্র করা এবং পুণ্যকামীকে পুণ্যের প্রতি তৎপরতার সাথে নির্দ্বিধায় সম্পাদন করতে উৎসাহিত করা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿ فَٱسۡتَبِقُواْ ٱلۡخَيۡرَٰتِۚ ﴾ [البقرة: ١٤٨] অর্থাৎ এতএব তোমরা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা কর। (সূরা বাক্বারাহ ১৪৮ আয়াত) তিনি আরো বলেছেন, ﴿ ۞وَسَارِعُوٓاْ إِلَىٰ مَغۡفِرَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ وَجَنَّةٍ عَرۡضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ أُعِدَّتۡ لِلۡمُتَّقِينَ ١٣٣ ﴾ [ال عمران: ١٣٣] অর্থাৎ “তোমরা প্রতিযোগিতা (ত্বরা) কর, তোমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে ক্ষমা এবং বেহেশ্তের জন্য, যার প্রস্থ আকাশ ও পৃথিবীর সমান, যা ধর্মভীরুদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।” <صلى الله عليه وسلمm>(সূরা আলে ইমরান ১৩৩ আয়াত) এ বিষয়ে হাদীসসমূহ নিম্নরূপঃ-
৯৯০
রিয়াদুস সলেহিন
দুর্বল হাদিস
وعن ابن عمرو رَضي اللهُ عنهمَا قال: كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إذا سَافَرَ فَأَقبَلَ اللَّيْلُ قال: « يَا أَرْضُ ربِّي وَربُّكِ اللهِ، أَعُوذُ بِاللهِ مِنْ شرِّكِ وشَرِّ ما فِيكِ، وشر ماخُلقَ فيكِ، وشَرِّ ما يدِبُّ عليكِ، وأَعوذ باللهِ مِنْ شَرِّ أَسدٍ وَأَسْودٍ، ومِنَ الحيَّةِ والعقربِ، وَمِنْ سَاكِنِ البلَدِ، ومِنْ والِدٍ وما وَلَد » رواه أبو داود.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা)থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সফর করতেন এবং সফরে রাত্রি হয়ে যেতো, তখন তিনি বলতেনঃ ইয়া আরযু রাব্বী ও রাব্বুকিল্লাহ, আ‘উযু বিল্লাহি মিন শাররিকি ওয়া শাররি মা ফীকি ওয়া শাররি মা খুলিক্বা ফীকি ওয়া শাররি মা ইয়াদিববু আলাইকি, আ‘উযু বিল্লাহি মিন শাররি আসাদিন ওয়া আসওয়াদিন ওয়া মিনাল হাইয়্যাতি ওয়াল আক্বরাবি ওয়া মিন সাকিনিল বালাদি ওয়া মিন ওয়ালিদিও ওয়ামা ওয়ালাদ (হে মাটি ! তোমার ও আমার প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ তা‘আলা । আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি । তোমার অনিষ্ট থেকে, তোমার ভিতরে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে তোমার ভিতরে যা সৃষ্টি করা হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে এবং যা কিছু তোমার উপরে বিচরণ করে তার অনিষ্ট থেকে । আর আমি আল্লাহর নিকট বাঘ ও কাল সাপ হতে এবং সর্ব প্রকারের সাপ, বিচ্ছু হতে আর শহরবাসীদের অনিষ্টকারিতা হতে এবং জম্মদানকারী ও জন্মলাভকারীর অনিষ্টকারিতা হতে আশ্রয় চাই) । (আবূ দাঊদ) (আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির সনদে অজ্ঞতা রয়েছে যদিও হাদীসটিকে হাকিম ও যাহাবী সহীহ্ আখ্যা দিয়েছেন আর আসকালানী হাসান আখ্যা দিয়েছেন ।
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
দেখুন ‘‘য‘ঈফাহ্’’ (৪৮৩৭) । এর সনদটি দুর্বল হওয়ার কারণ হচ্ছে যুবায়ের ইবনুল ওয়ালীদ । কারণ তিনি মাজহূল (অপরিচিত) । হাফিয যাহাবীও ‘‘আলমীযান’’ গ্রন্থে তার মাজহূল হওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন । আবূ দাঊদ ২৬০৩ হাদীসটি এককভাবে শুধু আবূ দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)