১
২
কভার পেইজ থেকে
৩
ভূমিকা
৪
অধ্যায়: সিয়াম প্রশ্ন: (৩৯২) সিয়াম ফরয হওয়ার হিকমত কী?
৫
সারাবিশ্বে একসাথে রামাযানের সাওম শুরু করা প্রশ্ন: (৩৯৩) মুসলিম জাতির একতার লক্ষ্যে কেউ কেউ চাঁদ দেখার বিষয়টিকে মক্কার সাথে সংশ্লিষ্ট করতে চায়। তারা বলে মক্কায় যখন রামাযান মাস শুরু হবে তখন বিশ্বের সবাই সাওম রাখবে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?
৬
মানুষ যে এলাকায় থাকবে সে এলাকায় চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে সাওম ভঙ্গ করবে প্রশ্ন: (৩৯৪) সাওম আদায়কারী যদি এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর হয়, কিন্তু আগের দেশে ঈদের চাঁদ দেখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেকি এখন সাওম ভঙ্গ করবে? উল্লেখ্য যে, দ্বিতীয় দেশে ঈদের চাঁদ এখনও দেখা যায় নি।
৭
কষ্টকর কঠিন কাজ করার কারণে সাওম ভঙ্গ করা জায়েয নয় প্রশ্ন: (৩৯৫) যে ব্যক্তি কষ্টকর কঠিন কাজ করার কারণে সাওম রাখতে অসুবিধা অনুভব করে তার কি সাওম ভঙ্গ করা জায়েয?
৮
ঋতুর দিনগুলোতে ছেড়ে দেওয়া সাওম কাযা আদায় করা আবশ্যক প্রশ্ন: (৩৯৬) জনৈক বালিকা ছোট বয়সে ঋতুবতী হয়ে গেছে। সে অজ্ঞতাবশতঃ ঋতুর দিনগুলোতে সাওম পালন করেছে। এখন তার করণীয় কী?
৯
প্রশ্ন: (৩৯৭) জীবিকা নির্বাহের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে সিয়াম ভঙ্গ করার বিধান কী?
১০
প্রশ্ন: (৩৯৮) সাওম ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ কী কী?
১১
ফজর হওয়ার পর যদি জানতে পারে যে রামাযান মাস শুরু হয়েছে, তখন কি করবে? প্রশ্ন: (৩৯৯) রামাযান মাস শুরু হয়েছে কিনা এসংবাদ না পেয়েই জনৈক ব্যক্তি রাতে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে সে সিয়ামের নিয়ত করে নি ফজর হয়ে গেছে। ফজরের সময় সে জানতে পারল আজ রামাযানের প্রথম দিন। এ অবস্থায় তার করণীয় কী? উক্ত দিনের সিয়াম কি কাযা আদায় করতে হবে?
১২
সাওম ভঙ্গের ওযর শেষ হয়ে গেলে কি দিনের বাকী অংশ সাওম অবস্থায় কাটাবে? প্রশ্ন: (৪০০) কারণবশতঃ কোনো ব্যক্তি যদি সাওম ভঙ্গ করে আর দিন শেষ হওয়ার আগেই উক্ত ওযর দূর হয়ে যায়। সে কি দিনের বাকী অংশ সাওম অবস্থায় কাটাবে?
১৩
কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে সাওম ভঙ্গ করে মিসকীন খাওয়াবে। প্রশ্ন: (৪০১) জনৈক মহিলা কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ডাক্তারগণ তাকে সাওম রাখতে নিষেধ করেছে। এর বিধান কী?
১৪
প্রশ্ন: (৪০২) কখন এবং কীভাবে মুসাফির সালাত ও সাওম আদায় করবে?
১৫
প্রশ্ন: (৪০৩) সফর অবস্থায় কষ্ট হলে সাওম রাখার বিধান কী?
১৬
সফর আরামদায়ক হলে সাওম ভঙ্গ না করাই উত্তম প্রশ্ন: (৪০৪) আধুনিক যুগের যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত ও আরামদায়ক হওয়ার কারণে সফর অবস্থায় সাওম রাখা মুসাফিরের জন্য কষ্টকর নয়। এ অবস্থায় সাওম রাখার বিধান কী?
১৭
মুসাফির মক্কায় পৌঁছে সাওম ছেড়ে দিয়ে প্রশান্তির সাথে ওমরা করতে পারে প্রশ্ন: (৪০৫) সাওম অবস্থায় মুসাফির যদি মক্কায় পৌঁছে তবে ওমরা আদায় করতে শক্তি পাওয়ার জন্য সাওম ভঙ্গ করা জায়েয হবে কী?
১৮
প্রশ্ন: (৪০৬) সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী কি সাওম ভঙ্গ করতে পারবে? ভঙ্গ করলে কীভাবে কাযা আদায় করবে? নাকি সাওমের বিনিময়ে খাদ্য দান করবে?
১৯
প্রশ্ন: (৪০৭) ক্ষুধা-পিপাসা ও অতিরিক্ত ক্লান্তির সাথে সাওম পালন করলে সাওমের বিশুদ্ধতায় কি কোনো প্রভাব পড়বে?
২০
রামাযানের পূরা মাসের সাওমের নিয়ত একবার করে নিলেই চলবে প্রশ্ন: (৪০৮) রামাযানের প্রত্যেক দিনের জন্য আলাদা আলাদাভাবে কি নিয়ত করা আবশ্যক? নাকি পূর্ণ মাসের নিয়ত একবার করে নিলেই হবে?
২১
প্রশ্ন: (৪০৯) সাওম ভঙ্গের জন্য অন্তরে দৃঢ় নিয়ত করলেই কি সাওম ভঙ্গ হয়ে যাবে?
২২
প্রশ্ন: (৪১০) রোজাদার ভুলক্রমে পানাহার করলে তার সিয়ামের বিধান কী? কেউ এটা দেখলে তার করণীয় কী?
২৩
প্রশ্ন: (৪১১) সাওম রেখে সুরমা ব্যবহার করার বিধান কী?
২৪
প্রশ্ন: (৪১২) সাওম অবস্থায় মিসওয়াক ও সুগন্ধি ব্যবহার করার বিধান কী?
২৫
প্রশ্ন: (৪১৩) সিয়াম ভঙ্গকারী বিষয় কী কী?
২৬
প্রশ্ন: (৪১৪) সাওম অবস্থায় শ্বাসকষ্টের কারণে স্প্রে (nabulijer) ব্যবহার করার বিধান কী? এ দ্বারা কি সিয়াম ভঙ্গ হবে?
২৭
প্রশ্ন: (৪১৫) বমি করলে কি সাওম ভঙ্গ হবে?
২৮
প্রশ্ন: (৪১৬) সাওম আদায়কারীর দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত বের হলে কি সাওম নষ্ট হবে?
২৯
ঋতুবতী ফজরের পূর্বে পবিত্র হলে সাওম রাখবে প্রশ্ন: (৪১৭) ঋতুবতী যদি ফজরের পূর্বে পবিত্র হয় এবং ফজর হওয়ার পর গোসল করে, তবে তার সাওমের বিধান কী?
৩০
প্রশ্ন: (৪১৮) সাওম অবস্থায় দাঁত উঠানোর বিধান কী?
৩১
প্রশ্ন: (৪১৯) সাওম রেখে রক্ত পরীক্ষা (Blood test) করার জন্য রক্ত প্রদান করার বিধান কী? এতে কি সাওম নষ্ট হবে।
৩২
প্রশ্ন: (৪২০) সাওম আদায়কারী হস্ত মৈথুন করলে কি সাওম ভঙ্গ হবে? তাকে কি কোনো কাফফারা দিতে হবে?
৩৩
প্রশ্ন: (৪২১) সাওম আদায়কারীর জন্য আতর-সুগন্ধির ঘ্রাণ নেওয়ার বিধান কী?
৩৪
প্রশ্ন: (৪২২) নাকে ধোঁয়া টানা এবং চোখে বা নাকে ড্রপ দেওয়ার মধ্যে পার্থক্য কী?
৩৫
প্রশ্ন: (৪২৩) সাওম আদায়কারীর নাকে, কানে ও চোখে ড্রপ ব্যবহার করার বিধান কী?
৩৬
প্রশ্ন: (৪২৪) সাওম অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে কি সিয়াম বিশুদ্ধ হবে?
৩৭
প্রশ্ন: (৪২৫) সাওম আদায়কারীর ঠাণ্ডা ব্যবহার করার বিধান কী?
৩৮
প্রশ্ন: (৪২৬) সাওম আদায়কারী কুলি করা বা নাকে পানি নেওয়ার কারণে যদি পেটে পৌঁছে যায়, তবে কি তার সাওম ভঙ্গ হয়ে যাবে?
৩৯
প্রশ্ন: (৪২৭) সাওম আদায়কারীর আতরের সুঘ্রাণ ব্যবহার করার বিধান কী?
৪০
প্রশ্ন: (৪২৮) নাক থেকে রক্ত বের হলে কি সাওম নষ্ট হবে?
৪১
সতর্কতা বশতঃ ফজরের দশ/পনর মিনিট পূর্বে পানাহার বন্ধ করা। প্রশ্ন: (৪২৯) রামাযানের কোনো কোনো ক্যালেন্ডারে দেখা যায় সাহুরের জন্য শেষ টাইম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তার প্রায় দশ/পনর মিনিট পর ফজরের টাইম নির্ধারণ করা হয়েছে। সুন্নাতে কি এর পক্ষে কোনো দলীল আছে নাকি এটা বিদ‘আত?
৪২
প্রশ্ন: (৪৩০) এয়ারপোর্টে থাকাবস্থায় সূর্য অস্ত গেছে মুআয্যিন আযান দিয়েছে, ইফতারও করে নিয়েছে। কিন্তু বিমানে চড়ে উপরে গিয়ে সূর্য দেখতে পেল। এখন কি পানাহার বন্ধ করতে হবে?
৪৩
প্রশ্ন: (৪৩১) সাওম আদায়কারীর কফ অথবা থুথু গিলে ফেলার বিধান কী?
৪৪
প্রশ্ন: (৪৩২) খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করলে কি সিয়াম নষ্ট হবে?
৪৫
প্রশ্ন: (৪৩৩) সাওম রেখে হারাম বা অশ্লীল কথাবার্তা উচ্চারণ করলে কি সিয়াম নষ্ট হবে?
৪৬
প্রশ্ন: (৪৩৪) মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার বিধান কী? তা কি সিয়াম নষ্ট করে?
৪৭
প্রশ্ন: (৪৩৫) সিয়ামের আদব কী কী?
৪৮
প্রশ্ন: (৪৩৬) ইফতারের জন্য কোনো দো‘আ কি প্রমাণিত আছে? সাওম আদায়কারী কি মুআয্যিনের জবাব দিবে নাকি ইফতার চালিয়ে যাবে?
৪৯
প্রশ্ন: (৪৩৭) সিয়াম কাযা থাকলে শাওয়ালের ছয়টি সাওম রাখার বিধান কী?
৫০
কাযা সাওম বাকী রেখে মারা গেলে তার বিধান প্রশ্ন: (৪৩৮) জনৈক অসুস্থ ব্যক্তি রামাযানে সাওম কাযা করেছে। কিন্তু পরবর্তী মাস শুরু হওয়ার চারদিনের মাথায় তার মৃত্যু হয়। তার পক্ষ থেকে কি কাযা সাওমগুলো আদায় করতে হবে?
৫১
প্রশ্ন: (৪৩৯) রামাযানের সাওম বাকী থাকাবস্থায় পরবর্তী রামাযান এসে গেলে কি করবে?
৫২
প্রশ্ন: (৪৪০) শাওয়ালের ছয়টি সাওম পালন করার ক্ষেত্রে উত্তম পদ্ধতি কী?
৫৩
প্রশ্ন: (৪৪১) শাওয়ালের ছয়টি সাওম রাখার জন্য কি ইচ্ছামত দিন নির্ধারণ করা জায়েয? নাকি তার জন্য কোনো সময় নির্দিষ্ট করা আছে? এ দিনগুলো সাওম রাখলে কি উহা ফরযের মত হয়ে যাবে এবং প্রতি বছর আবশ্যিকভাবে সাওম পালন করতে হবে?
৫৪
প্রশ্ন: (৪৪২) আশুরা সিয়ামের বিধান কী?
৫৫
প্রশ্ন: (৪৪৩) শাবান মাসে সাওম রাখার বিধান কী?
৫৬
প্রশ্ন: (৪৪৪) যার অভ্যাস আছে একদিন সাওম রাখা ও একদিন ছাড়া। সে কি শুক্রবারেও সাওম রাখতে পারে?
৫৭
প্রশ্ন: (৪৪৫) সাওমে বিছাল কাকে বলে? এটা কি শরী‘আত সম্মত?
৫৮
প্রশ্ন: (৪৪৬) বিশেষভাবে জুমু‘আর দিবস সাওম নিষেধ। এর কারণ কী? কাযা সিয়ামও কি এদিন রাখা নিষেধ?
৫৯
ইচ্ছাকৃতভাবে নফল সিয়াম ভঙ্গ করে ফেলার বিধান প্রশ্ন: (৪৪৭) কোনো মানুষ যদি নফল সিয়াম ইচ্ছাকৃত ভঙ্গ করে ফেলে, তবে কি গুনাহগার হবে? যদি সহবাসের মাধ্যমে ভঙ্গ করে, তবে কি কাফফারা দিতে হবে?
৬০
প্রশ্ন: (৪৪৮) ই‘তিকাফ এবং ই‘তিকাফকারীর বিধান কী?
ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৪ সাওম
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
কভার পেইজ থেকে
দীন ইসলামের ভিত্তি হচ্ছে পাঁচটি বিষয়ের ওপর। এ পাঁচটি ভিত্তি সম্পর্কে মানুষের প্রশ্নের অন্ত নেই, জিজ্ঞাসার শেষ নেই। তাই নির্ভরযোগ্য প্রখ্যাত আলিমে দীন, যুগের অন্যতম সেরা গবেষক আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ. ঐ সকল জিজ্ঞাসার দলীল ভিত্তিক নির্ভরযোগ্য জবাব প্রদান করেছেন উক্ত বইটিতে। প্রতিটি জবাব পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ ও পূর্বসূরী নির্ভরযোগ্য উলামাদের মতামত থেকে দেওয়া হয়েছে। সেই জবাবগুলোকে একত্রিত করে বই আকারে বিন্যস্ত করেছেন জনাব ‘ফাহাদ ইবন নাসের ইবন ইবরাহীম আল-সুলাইমান’। নাম দিয়েছেন ‘ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম’।
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
রিডিং সেটিংস
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Madinah Mushaf (Qcf V1)
Kfgq Hafs
Indopak
Scheherazade
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
25
16
সাধারণ সেটিংস
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন