১
ইখলাসের অপরিহার্যতা ও হজ কবূলে তার প্রভাব
লেখকঃ ড. সালেহ ইবন আবদুল আযীয সিন্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
আলোচ্য প্রবন্ধটির বিষয় আল-ইখলাস:
ইখলাস হলো, ইবাদতের মাধ্যমে এক আল্লাহ অভিমূখী হওয়া, আল্লাহকে সৃষ্টির যাবতীয় দোষ-ত্রুটির উর্ধ্বে রাখা ও তাঁকে ছোট-বড় সব ধরনের শির্ক থেকে মুক্ত রাখা। আর এটি প্রত্যেক মুসলিমের ওপর সর্বসম্মতিক্রমে ফরয, আল্লাহর কুরআনে এর হুকুমও রয়েছে বহু স্থানে। যেমন,
﴿إِنَّآ أَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ بِٱلۡحَقِّ فَٱعۡبُدِ ٱللَّهَ مُخۡلِصٗا لَّهُ ٱلدِّينَ ٢ أَلَا لِلَّهِ ٱلدِّينُ ٱلۡخَالِصُۚ﴾ [ الزمر : ٢، ٣ ]
“আমরা তোমার নিকট এই কিতাব সত্যতা সহকারে অবতীর্ণ করেছি। সুতরাং তুমি আল্লাহর ইবাদত কর তাঁর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে। জেনে রেখো, খালেস আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য।” [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ২-৩]
﴿قُلۡ إِنِّيٓ أُمِرۡتُ أَنۡ أَعۡبُدَ ٱللَّهَ مُخۡلِصٗا لَّهُ ٱلدِّينَ ١١ ﴾ [ الزمر : ١١ ]
“বল, আমি আদিষ্ট হয়েছি, আল্লাহর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে তাঁর ইবাদত করতে।।” [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ১১]
আমলে ইখলাস না থাকলে তা কবূলও হবে না ও সাওয়াব থেকেও বঞ্চিত হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللَّهَ لَا يَقْبَلُ مِنَ الْعَمَلِ إِلَّا مَا كَانَ لَهُ خَالِصًا، وَابْتُغِيَ بِهِ وَجْهُهُ»
“নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা কোনো আমলই কবূল করবেন না যদি তা তাঁর জন্য বিশুদ্ধ ও একমাত্র তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য না হয়।” [নাসাঈ, হাদীস নং ৩১৪০।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
«بَشِّرْ هَذِهِ الْأُمَّةَ بِالسَّنَاءِ، وَالرِّفْعَةِ، وَالنَّصْرِ، وَالتَّمْكِينِ فِي الْأَرْضِ، فَمَنْ عَمِلَ مِنْهُمِ عَمَلَ الْآخِرَةِ لِلدُّنْيَا، لَمْ يَكُنْ لَهُ فِي الْآخِرَةِ نَصِيبٌ»
“এ উম্মতকে মর্যাদা, উন্নতি, সাহায্য ও যমীনের আধিপত্য অর্জনের সুসংবাদ দিন। সুতরাং তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি দুনিয়াবী স্বার্থে পরকালের আমল করবে, তার জন্য পরকালে কোনো অংশ থাকবে না। [মুসনাদে আহমাদ: ৩৫/১৪৬। শাইখ আলবানী সহীহ বলেছেন।]
﴿إِنَّآ أَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ بِٱلۡحَقِّ فَٱعۡبُدِ ٱللَّهَ مُخۡلِصٗا لَّهُ ٱلدِّينَ ٢ أَلَا لِلَّهِ ٱلدِّينُ ٱلۡخَالِصُۚ﴾ [ الزمر : ٢، ٣ ]
“আমরা তোমার নিকট এই কিতাব সত্যতা সহকারে অবতীর্ণ করেছি। সুতরাং তুমি আল্লাহর ইবাদত কর তাঁর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে। জেনে রেখো, খালেস আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য।” [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ২-৩]
﴿قُلۡ إِنِّيٓ أُمِرۡتُ أَنۡ أَعۡبُدَ ٱللَّهَ مُخۡلِصٗا لَّهُ ٱلدِّينَ ١١ ﴾ [ الزمر : ١١ ]
“বল, আমি আদিষ্ট হয়েছি, আল্লাহর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে তাঁর ইবাদত করতে।।” [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ১১]
আমলে ইখলাস না থাকলে তা কবূলও হবে না ও সাওয়াব থেকেও বঞ্চিত হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللَّهَ لَا يَقْبَلُ مِنَ الْعَمَلِ إِلَّا مَا كَانَ لَهُ خَالِصًا، وَابْتُغِيَ بِهِ وَجْهُهُ»
“নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা কোনো আমলই কবূল করবেন না যদি তা তাঁর জন্য বিশুদ্ধ ও একমাত্র তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য না হয়।” [নাসাঈ, হাদীস নং ৩১৪০।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
«بَشِّرْ هَذِهِ الْأُمَّةَ بِالسَّنَاءِ، وَالرِّفْعَةِ، وَالنَّصْرِ، وَالتَّمْكِينِ فِي الْأَرْضِ، فَمَنْ عَمِلَ مِنْهُمِ عَمَلَ الْآخِرَةِ لِلدُّنْيَا، لَمْ يَكُنْ لَهُ فِي الْآخِرَةِ نَصِيبٌ»
“এ উম্মতকে মর্যাদা, উন্নতি, সাহায্য ও যমীনের আধিপত্য অর্জনের সুসংবাদ দিন। সুতরাং তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি দুনিয়াবী স্বার্থে পরকালের আমল করবে, তার জন্য পরকালে কোনো অংশ থাকবে না। [মুসনাদে আহমাদ: ৩৫/১৪৬। শাইখ আলবানী সহীহ বলেছেন।]