১
ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৫ হজ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৮
প্রশ্ন: (৪৮২) নারী বিদায়ী তাওয়াফ করার পূর্বে ঋতুবতী হয়ে পড়লে করণীয় কী?
উত্তর: যদি সে তাওয়াফে ইফাদ্বাসহ হজের যাবতীয় কাজ পূর্ণ করে থাকে এবং শুধুমাত্র বিদায়ী তাওয়াফ বাকী থাকে, তারপর ঋতুবতী হয় তবে বিদায়ী তাওয়াফ রহিত হয়ে যাবে। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أُمِرَ النَّاسُ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِمْ بِالْبَيْتِ إِلَّا أَنَّهُ خُفِّفَ عَنِ الْحَائِضِ» .
“লোকদের আদেশ দেওয়া হয়েছে, কাবা ঘরের তাওয়াফ যেন তাদের সর্বশেষ কাজ হয়। তবে বিষয়টি ঋতুবতীদের জন্য হালকা করে দেওয়া হয়েছে।’ [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: বিদায়ী তওয়াফ; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: বিদায়ী তওয়াফ ওয়াজিব এবং ঋতুবতী নারীর জন্য রহিত হওয়া।] যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হলো যে, উম্মুল মু‘মেনীন ছাফিয়া বিনতে হুওয়াই রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা ঋতুবতী হয়ে গেছেন। অবশ্য তিনি তাওয়াফে ইফাদ্বা বা হজের তাওয়াফ করে নিয়েছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাহলে তোমরা বের হয়ে যাও।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: হজের তওয়াফের পর নারী ঋতুবতী হলে। মুসলিম অধ্যায়ঃ হজ, অনুচ্ছেদ: বিদায়ী তওয়াফ ওয়াজিব এবং ঋতুবতী নারীর জন্য রহিত হওয়া।] তিনি তার জন্য বিদায়ী তাওয়াফকে রহিত করে দিলেন।
কিন্তু তাওয়াফে ইফাদ্বা বা হজের তাওয়াফ ঋতুবতীর জন্য রহিত হবে না। ঋতুবতী হয় মক্কায় থেকে অপেক্ষা করবে এবং পবিত্র হলে তাওয়াফে ইফাদ্বা করবে অথবা সে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে কিন্তু ইহরাম অবস্থাতেই থাকবে এবং পবিত্র হলে মক্কায় ফিরে এসে শুধুমাত্র হজের তাওয়াফ করবে। যদি নিজ দেশে চলে গিয়ে আবার ফিরে আসে, তবে সুন্দর হয়- প্রথমে উমরা করে নিবে (তাওয়াফ করবে, সা‘ঈ করবে এবং চুল খাট করবে) তারপর হজের তাওয়াফ করবে।
উল্লিখিত পন্থার কোনটিই যদি সম্ভব না হয়, তবে লজ্জাস্থানে প্যাড বা এজাতীয় কোনো কিছু দিয়ে বেঁধে দিবে যাতে করে স্রাবের রক্ত মসজিদে না পড়ে, তারপর হজের তাওয়াফ করে নিবে। কেননা বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এটা একান্ত জরুরী অবস্থা।
«أُمِرَ النَّاسُ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِمْ بِالْبَيْتِ إِلَّا أَنَّهُ خُفِّفَ عَنِ الْحَائِضِ» .
“লোকদের আদেশ দেওয়া হয়েছে, কাবা ঘরের তাওয়াফ যেন তাদের সর্বশেষ কাজ হয়। তবে বিষয়টি ঋতুবতীদের জন্য হালকা করে দেওয়া হয়েছে।’ [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: বিদায়ী তওয়াফ; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: বিদায়ী তওয়াফ ওয়াজিব এবং ঋতুবতী নারীর জন্য রহিত হওয়া।] যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হলো যে, উম্মুল মু‘মেনীন ছাফিয়া বিনতে হুওয়াই রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা ঋতুবতী হয়ে গেছেন। অবশ্য তিনি তাওয়াফে ইফাদ্বা বা হজের তাওয়াফ করে নিয়েছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাহলে তোমরা বের হয়ে যাও।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: হজের তওয়াফের পর নারী ঋতুবতী হলে। মুসলিম অধ্যায়ঃ হজ, অনুচ্ছেদ: বিদায়ী তওয়াফ ওয়াজিব এবং ঋতুবতী নারীর জন্য রহিত হওয়া।] তিনি তার জন্য বিদায়ী তাওয়াফকে রহিত করে দিলেন।
কিন্তু তাওয়াফে ইফাদ্বা বা হজের তাওয়াফ ঋতুবতীর জন্য রহিত হবে না। ঋতুবতী হয় মক্কায় থেকে অপেক্ষা করবে এবং পবিত্র হলে তাওয়াফে ইফাদ্বা করবে অথবা সে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে কিন্তু ইহরাম অবস্থাতেই থাকবে এবং পবিত্র হলে মক্কায় ফিরে এসে শুধুমাত্র হজের তাওয়াফ করবে। যদি নিজ দেশে চলে গিয়ে আবার ফিরে আসে, তবে সুন্দর হয়- প্রথমে উমরা করে নিবে (তাওয়াফ করবে, সা‘ঈ করবে এবং চুল খাট করবে) তারপর হজের তাওয়াফ করবে।
উল্লিখিত পন্থার কোনটিই যদি সম্ভব না হয়, তবে লজ্জাস্থানে প্যাড বা এজাতীয় কোনো কিছু দিয়ে বেঁধে দিবে যাতে করে স্রাবের রক্ত মসজিদে না পড়ে, তারপর হজের তাওয়াফ করে নিবে। কেননা বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এটা একান্ত জরুরী অবস্থা।