hadith book logo

হজ-উমরার ফাযাইল ও উপকারিতা

লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

৭. হজ-উমরাকারীরা খোদ আল্লাহর অতিথি :

পার্থিব জীবনে আমরা গণ্যমান্য কারো অতিথি হতে পেরে, গুরুত্বপূর্ণ কারো দাওয়াত পেয়ে নিজেকে ধন্য ও আহ্লাদিত হতে দেখি। হজ ও উমরা পালনকারীগণ সকল রাজার রাজা এবং সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী খোদ আল্লাহর মেহমান বনে যান। তাঁরা হন মহামহিম মাবুদের অতিথি। আল্লাহর রাসূলের মুখেই শুনুন সে কথা : ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«الْغَازِي فِي سَبِيلِ اللهِ ، وَالْحَاجُّ وَالْمُعْتَمِرُ ، وَفْدُ اللهِ ، دَعَاهُمْ ، فَأَجَابُوهُ ، وَسَأَلُوهُ ، فَأَعْطَاهُمْ» .

‘আল্লাহর পথে যুদ্ধে বিজয়ী, হজকারী ও উমরাকারী আল্লাহর মেহমান। আল্লাহ তাদেরকে আহ্বান করেছেন, তারা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছেন। আর তারা তাঁর কাছে চেয়েছেন ফলে তিনি তাদেরকে দিয়েছেন।’ [ইবন মাজা : ২৮৯৩; ইবন হিব্বান : ৩৪০০; মুসনাদে আহমদ : ১৪৮৯]

মেহমানের আবদার যেমন আমরা কেউ ফেলতে পারি না, আল্লাহর বান্দা যখন আল্লাহর অতিথি হয়ে তাঁর ঘর যিয়ারতে যায় আল্লাহও তখন তার কোনো আবদার অপূর্ণ রাখেন না। তার কোনো কামনাই অধরা থাকে না। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«الْحُجَّاجُ وَالْعُمَّارُ ، وَفْدُ اللهِ إِنْ دَعَوْهُ أَجَابَهُمْ ، وَإِنِ اسْتَغْفَرُوهُ غَفَرَ لَهُمْ» .

‘হজ ও উমরা পালনকারীগণ আল্লাহর মেহমান। তারা আল্লাহকে ডাকলে তিনি তাদের ডাকে সাড়া দেন। তারা তাঁর কাছে মাগফিরাত কামনা করলে তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দেন।’ [ইবন মাজা : ২৮৮৩]