১
ইত্তেবায়ে রাসূল
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
ইত্তেবা‘য়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুরুত্ব:
কোনো ইবাদত শুদ্ধ হওয়ার জন্য বা ইবাদতটি ইবাদত হিসেবে বিবেচিত হওয়ার জন্য শর্ত হলো, তার মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তেবা‘ পাওয়া যেতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবাদতটি যেভাবে করেছেন সেভাবে আদায় করতে হবে এবং তার মধ্যে কোনো প্রকার বিকৃতি বা কমবেশ করা চলবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি প্রসিদ্ধ হাদীসে এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেন। হাদীসদ্বয়ে তিনি ইবাদত যেভাবে করেছেন সেভাবে করার নির্দেশ দেন।
প্রথম হাদীস:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صلوا كما رأيتموني أصلي»
এটি পূর্ণ হাদীসের একটি অংশ মাত্র। পুরো হাদীসটি ইমাম বুখারী রহ. স্বীয় কিতাব সহীহ আল-বুখারীতে আবূ কালাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মালেক ইবন হুয়াইরাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أتينا رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ونحن شببة متقاربون فأقمنا عنده عشرين يوماً وليلة وكان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - رحيماً رفيقاً فلما ظن أنا قد اشتهينا أهلنا أو قد اشتقنا سألنا عمن تركنا بعدنا فأخبرناه . قال : ارجعوا إلى أهليكم فأقيموا فيهم وعلموهم ومروهم وذكر أشياء أحفظها أو لا أحفظها وصلوا كما رأيتموني أصلي فإذا حضرت الصلاة فليؤذن لكم أحدكم وليؤمكم أكبركم» .
“আমরা একে অপরের কাছাকাছি ও সম পর্যায়ের কতক লোক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে এসে বিশ দিন অবস্থান করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু ও মেহেরবান। তারপর যখন তিনি অনুভব করলেন আমরা আমাদের পরিবারের নিকট যেতে চাই তখন তিনি আমাদের জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা আমাদের বাড়ীতে কাদের রেখে আসছি? আমরা তাদের বিষয়গুলো বললে, তিনি আমাদের বলেন, তোমরা তোমাদের বাড়িতে ফিরে যাও, তাদের মধ্যে তোমরা অবস্থান কর, তাদের তোমরা দীন শেখাও, ভালো কাজের আদেশ দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এ ছাড়াও আরও কিছু বিষয় আদেশ করেন তার সবগুলো আমার স্মরণ নেই। আর তোমরা সালাত আদায় কর, যেভাবে তুমি আমাকে সালাত আদায় করতে দেখছ। যখন সালাতের সময় হয়, তোমাদের মধ্যে একজন আযান দিবে, আর তোমাদের মধ্যে বয়স্ক ব্যক্তি ইমামতি করবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস, নং ২৫২।]
বিশুদ্ধ হাদীসটি উল্লিখিত মূলনীতি (ইবাদতের ক্ষেত্রে আসল হলো রাসূলের ইত্তেবা‘)-কে আরও স্পষ্ট করেন। অর্থাৎ সালাত আদায়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুরোপুরি ইত্তেবা‘ করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে সালাত আদায় করেছেন, সেভাবে সালাত আদায় করতে হবে। তার মধ্যে কোনো প্রকার কমবেশ করা যাবে না।
দ্বিতীয় হাদীস:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, তিনি বলেন, «خذوا عني مناسككم» “তোমরা আমার থেকে হজের আহকামগুলো শিখে নাও”। [সহীহ মুসলিম, আবূ দাঊদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ।]
হজ বিষয়ে উল্লিখিত হাদীসটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও মৌলিক -যেমনিভাবে সালাত বিষয়ে উপরের হাদীসটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক। উল্লিখিত দু’টি হাদীসই প্রমাণ করে ইবাদতের ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত ও পদ্ধতিই হলো মূল বিবেচ্য ও অনুকরণীয়। তিনি যে ইবাদত যেভাবে করেছেন ঠিক সে ইবাদত সেভাবেই করতে হবে। তাতে কোনো প্রকার কমবেশ করার কোনো সুযোগ নেই।
প্রথম হাদীস:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صلوا كما رأيتموني أصلي»
এটি পূর্ণ হাদীসের একটি অংশ মাত্র। পুরো হাদীসটি ইমাম বুখারী রহ. স্বীয় কিতাব সহীহ আল-বুখারীতে আবূ কালাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মালেক ইবন হুয়াইরাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أتينا رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ونحن شببة متقاربون فأقمنا عنده عشرين يوماً وليلة وكان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - رحيماً رفيقاً فلما ظن أنا قد اشتهينا أهلنا أو قد اشتقنا سألنا عمن تركنا بعدنا فأخبرناه . قال : ارجعوا إلى أهليكم فأقيموا فيهم وعلموهم ومروهم وذكر أشياء أحفظها أو لا أحفظها وصلوا كما رأيتموني أصلي فإذا حضرت الصلاة فليؤذن لكم أحدكم وليؤمكم أكبركم» .
“আমরা একে অপরের কাছাকাছি ও সম পর্যায়ের কতক লোক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে এসে বিশ দিন অবস্থান করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু ও মেহেরবান। তারপর যখন তিনি অনুভব করলেন আমরা আমাদের পরিবারের নিকট যেতে চাই তখন তিনি আমাদের জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা আমাদের বাড়ীতে কাদের রেখে আসছি? আমরা তাদের বিষয়গুলো বললে, তিনি আমাদের বলেন, তোমরা তোমাদের বাড়িতে ফিরে যাও, তাদের মধ্যে তোমরা অবস্থান কর, তাদের তোমরা দীন শেখাও, ভালো কাজের আদেশ দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এ ছাড়াও আরও কিছু বিষয় আদেশ করেন তার সবগুলো আমার স্মরণ নেই। আর তোমরা সালাত আদায় কর, যেভাবে তুমি আমাকে সালাত আদায় করতে দেখছ। যখন সালাতের সময় হয়, তোমাদের মধ্যে একজন আযান দিবে, আর তোমাদের মধ্যে বয়স্ক ব্যক্তি ইমামতি করবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস, নং ২৫২।]
বিশুদ্ধ হাদীসটি উল্লিখিত মূলনীতি (ইবাদতের ক্ষেত্রে আসল হলো রাসূলের ইত্তেবা‘)-কে আরও স্পষ্ট করেন। অর্থাৎ সালাত আদায়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুরোপুরি ইত্তেবা‘ করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে সালাত আদায় করেছেন, সেভাবে সালাত আদায় করতে হবে। তার মধ্যে কোনো প্রকার কমবেশ করা যাবে না।
দ্বিতীয় হাদীস:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, তিনি বলেন, «خذوا عني مناسككم» “তোমরা আমার থেকে হজের আহকামগুলো শিখে নাও”। [সহীহ মুসলিম, আবূ দাঊদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ।]
হজ বিষয়ে উল্লিখিত হাদীসটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও মৌলিক -যেমনিভাবে সালাত বিষয়ে উপরের হাদীসটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক। উল্লিখিত দু’টি হাদীসই প্রমাণ করে ইবাদতের ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত ও পদ্ধতিই হলো মূল বিবেচ্য ও অনুকরণীয়। তিনি যে ইবাদত যেভাবে করেছেন ঠিক সে ইবাদত সেভাবেই করতে হবে। তাতে কোনো প্রকার কমবেশ করার কোনো সুযোগ নেই।