১
বিদ‘আত ও এর মন্দ প্রভাব
লেখকঃ শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
প্রকাশ্য বিদ‘আতের নিন্দা করার পদ্ধতি
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন লোক যার বিদ‘আত প্রচারিত হয়, বিশেষ করে আকীদা এবং তার ব্যাপারে অধিক বাড়াবাড়ি করা হয়। আমরা যখন তার বিদ‘আত এবং ভুলের নিন্দা করি তখন কিছু লোক বলে থাকে যে, হক্ব হচ্ছে তার দোষ ও গুণ উভয়টিই উল্লেখ করা এবং দাওয়াতী ক্ষেত্রে তার যে ভূমিকা রয়েছে সে হিসাবে তার প্রকাশ্য সমালোচনা করা ঠিক নয়। আপনার নিকট সঠিক পদ্ধতি জানতে চাচ্ছি, এ ক্ষেত্রে কি তার গুণগুলো উল্লেখ করা দরকার? এবং তার পূর্ববর্তী দাওয়াতী কাজের জন্য কি তার প্রকাশ্য ভুলগুলো মানুষের সম্মুখে উল্লেখ করা যাবে না? (তিনি মিসরের একজন ক্বারী)
উত্তর: শর‘ঈ দলীল, উৎসাহ, ভয় ভীতি এবং ভালো পদ্ধতির মাধ্যমে বিদ‘আত এবং প্রকাশ্য অন্যায়ের নিন্দা করা আলেমগণের উপর ওয়াজিব এবং তখন বিদ‘আতীর ভালো গুণগুলো উল্লেখ করা জরুরী নয় কিন্তু সৎকর্মের নির্দেশদাতা ও অসৎকর্মের নিষেধকারী যদি বিদ‘আতীকে তার তাওবা করার উপর উৎসাহ দিতে গিয়ে উল্লেখ করে তবে ভালো এবং তা দাওয়াত গ্রহণ ও তাওবা করার একটি পদ্ধতি।
উত্তর: শর‘ঈ দলীল, উৎসাহ, ভয় ভীতি এবং ভালো পদ্ধতির মাধ্যমে বিদ‘আত এবং প্রকাশ্য অন্যায়ের নিন্দা করা আলেমগণের উপর ওয়াজিব এবং তখন বিদ‘আতীর ভালো গুণগুলো উল্লেখ করা জরুরী নয় কিন্তু সৎকর্মের নির্দেশদাতা ও অসৎকর্মের নিষেধকারী যদি বিদ‘আতীকে তার তাওবা করার উপর উৎসাহ দিতে গিয়ে উল্লেখ করে তবে ভালো এবং তা দাওয়াত গ্রহণ ও তাওবা করার একটি পদ্ধতি।