১
রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমূহ
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
দশ. আমার নিকট প্রিয় বান্দা তারাই যারা দ্রুত ইফতার করে
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : أَحَبُّ عِبَادِي إِلَيَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: “আমার নিকট প্রিয় বান্দা তারাই যারা দ্রুত ইফতার করে”।
তিরমিযি: (৭০০), আহমদ: (২/৩২৯), তিরমিযি বলেছেন: এ হাদিস হাসান, গরিব। শায়খ আহমদ শাকের “আল-মুসনাদ”: (১২/২৩১) গ্রন্থে হাদিসটি সহিহ বলেছেন, হাদিস নং: (৭২৪০) এ হাদিসের সনদে কুররা ইব্ন আব্দুর রহমান ইব্ন হাইউল নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন, যিনি বিতর্কিত:
ইমাম আহমদ বলেন: তার হাদিস খুব মুনকার।
ইমাম ইয়াহ ইব্ন মায়িন বলেন: তার হাদিস দুর্বল।
ইমাম আবু জুরআহ বলেন: সে মুনকার হাদিস বর্ণনা করে।
ইমাম আবু হাতেম ও নাসায়ি বলেছেন: সে নির্ভরযোগ্য নয়।
ইমাম আবু দাউদ বলেছেন: তার হাদিসগুলো মুনকার।
ইমাম মুসলিম অন্যদের সাথে তার হাদিস বর্ণনা করেছেন, এককভাবে তার কোন হাদিস বর্ণনা করেননি।
বিশেষ জ্ঞাতব্য:
বিভিন্ন সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত দ্রুত ইফতার করা সুন্নত, তাতে রয়েছে উম্মতের কল্যাণ। অতএব আমাদের উচিত এসব দুর্বল হাদিসের দিকে না তাকিয়ে সহিহ হাদিস গ্রহণ করা, যেমন:
عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ . أخرجه البخاري (1957) ، ومسلم (1098) .
সাহাল ইব্ন সাদ বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “লোকেরা যত দিন পর্যন্ত দ্রুত ইফতার করবে, তারা কল্যাণের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে”। বুখারি: (১৯৫৭), মুসলিম: (১০৯৮)
ইব্ন হাজার “ফাতহুল বারি”: (৪/১৯৮) গ্রন্থে বলেন: কতক জায়গায় নব সৃষ্ট ঘৃণিত কিছু বিদআত হচ্ছে রমযান মাসে ফজরের আধা ঘণ্টা বা পৌনে এক ঘণ্টা আগে আযান দেয়া, বাতি নিভিয়ে দেয়া ইত্যাদি, যা তাদের নিকট পানাহার নিষিদ্ধ হওয়ার আলামত, তারা এভাবে ইবাদতের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে, অথচ এটা যে তাদের নিকট পানাহার বন্ধ করার আলামত অনেকে তা জানে। বস্তুত এভাবে তারা নিশ্চিত সময়ের আশায় দেরিতে আযান দেয়, ফলে তাদের ইফতার হয় দেরিতে, আর সেহরি হয় দ্রুত। তারা এভাবে সুন্নতের বরকত ও কল্যাণ থেকে মাহরুম হয়। এ জন্য তাদের মধ্যে কল্যাণের সংখ্যা খুব কম, অনিষ্ট খুব বেশী। আল্লাহ সাহায্যকারী।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: “আমার নিকট প্রিয় বান্দা তারাই যারা দ্রুত ইফতার করে”।
তিরমিযি: (৭০০), আহমদ: (২/৩২৯), তিরমিযি বলেছেন: এ হাদিস হাসান, গরিব। শায়খ আহমদ শাকের “আল-মুসনাদ”: (১২/২৩১) গ্রন্থে হাদিসটি সহিহ বলেছেন, হাদিস নং: (৭২৪০) এ হাদিসের সনদে কুররা ইব্ন আব্দুর রহমান ইব্ন হাইউল নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন, যিনি বিতর্কিত:
ইমাম আহমদ বলেন: তার হাদিস খুব মুনকার।
ইমাম ইয়াহ ইব্ন মায়িন বলেন: তার হাদিস দুর্বল।
ইমাম আবু জুরআহ বলেন: সে মুনকার হাদিস বর্ণনা করে।
ইমাম আবু হাতেম ও নাসায়ি বলেছেন: সে নির্ভরযোগ্য নয়।
ইমাম আবু দাউদ বলেছেন: তার হাদিসগুলো মুনকার।
ইমাম মুসলিম অন্যদের সাথে তার হাদিস বর্ণনা করেছেন, এককভাবে তার কোন হাদিস বর্ণনা করেননি।
বিশেষ জ্ঞাতব্য:
বিভিন্ন সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত দ্রুত ইফতার করা সুন্নত, তাতে রয়েছে উম্মতের কল্যাণ। অতএব আমাদের উচিত এসব দুর্বল হাদিসের দিকে না তাকিয়ে সহিহ হাদিস গ্রহণ করা, যেমন:
عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ . أخرجه البخاري (1957) ، ومسلم (1098) .
সাহাল ইব্ন সাদ বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “লোকেরা যত দিন পর্যন্ত দ্রুত ইফতার করবে, তারা কল্যাণের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে”। বুখারি: (১৯৫৭), মুসলিম: (১০৯৮)
ইব্ন হাজার “ফাতহুল বারি”: (৪/১৯৮) গ্রন্থে বলেন: কতক জায়গায় নব সৃষ্ট ঘৃণিত কিছু বিদআত হচ্ছে রমযান মাসে ফজরের আধা ঘণ্টা বা পৌনে এক ঘণ্টা আগে আযান দেয়া, বাতি নিভিয়ে দেয়া ইত্যাদি, যা তাদের নিকট পানাহার নিষিদ্ধ হওয়ার আলামত, তারা এভাবে ইবাদতের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে, অথচ এটা যে তাদের নিকট পানাহার বন্ধ করার আলামত অনেকে তা জানে। বস্তুত এভাবে তারা নিশ্চিত সময়ের আশায় দেরিতে আযান দেয়, ফলে তাদের ইফতার হয় দেরিতে, আর সেহরি হয় দ্রুত। তারা এভাবে সুন্নতের বরকত ও কল্যাণ থেকে মাহরুম হয়। এ জন্য তাদের মধ্যে কল্যাণের সংখ্যা খুব কম, অনিষ্ট খুব বেশী। আল্লাহ সাহায্যকারী।