১
আপনার নবীকে চিনুন
লেখকঃ মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আম্মারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
ত্রয়োদশ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিষ্পাপ জানা যে কেউ কুরআন পড়বে সে জানতে পারবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর কথা, কাজ ও সমর্থন দেওয়া কাজে নিষ্পাপ ও নির্ভুল বলে বিশ্বাস করা জরুরি।
আল্লাহ তাঁকে বচনে-বলনে মুক্ত করেছেন সব ধরনের ভুল-ভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে। পক্ষান্তরে পৃথিবীর কোনো আলেম-বিজ্ঞানী ভুলের ঊর্ধ্বে নন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلۡهَوَىٰٓ ٣ إِنۡ هُوَ إِلَّا وَحۡيٞ يُوحَىٰ ٤﴾ [ النجم : ٣، ٤ ]
“আর তিনি মনগড়া কথা বলেন না। তাতো কেবল অহী, যা তার প্রতি অহীরূপে প্রেরণ করা হয়”। [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩-৪]
﴿وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ ٱلۡأَقَاوِيلِ ٤٤ لَأَخَذۡنَا مِنۡهُ بِٱلۡيَمِينِ ٤٥ ثُمَّ لَقَطَعۡنَا مِنۡهُ ٱلۡوَتِينَ ٤٦ فَمَا مِنكُم مِّنۡ أَحَدٍ عَنۡهُ حَٰجِزِينَ ٤٧﴾ [ الحاقة : ٤٤، ٤٧ ]
“যদি তিনি আমার নামে কোনো মিথ্যা রচনা করত, তবে আমরা তার ডান হাত পাকড়াও করতাম। তারপর অবশ্যই আমরা তার হৃদপিণ্ডের শিরা কেটে ফেলতাম। অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ-ই তাকে রক্ষা করার থাকত না”। [সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত: ৪৪-৪৭]
আল্লাহ তাঁকে কাজে-কর্মেও মুক্ত করেছেন সব ধরনের ভুল-ভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে। পক্ষান্তরে পৃথিবীর কোনো আলেম-বিজ্ঞানীই ত্রুটিমুক্ত নন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱتَّبِعُوهُ لَعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُونَ ١٥٨﴾ [ الاعراف : ١٥٨ ]
“আর তোমরা তাঁর আনুগত্য করো, যাতে তোমরা হিদায়াত পাবে।” [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ১৫৮]
আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন,
﴿قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ ٣١﴾ [ ال عمران : ٣١ ]
“বল, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৩১]
মালেক ইবন হুয়াইরীস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي»
‘তোমরা সালাত আদায় কর যেভাবে আমাকে তোমরা সালাত আদায় করতে দেখ”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০০৮।]
জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لِتَأْخُذُوا مَنَاسِكَكُمْ، فَإِنِّي لَا أَدْرِي لَعَلِّي لَا أَحُجُّ بَعْدَ حَجَّتِي هَذِهِ»
“তোমরা তোমাদের হজের বিধান জেনে নাও। কারণ, আমি জানি না, সম্ভবত আমার এ হজের পর আমি আর হজ করতে পারব না”। [সহীহ মুসলিম হাদীস নং ১২৯৭।]
আল্লাহ তাঁকে তাঁর সমর্থনের ব্যাপারেও নিষ্পাপ বানিয়েছেন। ফলে তিনি কখনো মিথ্যাকে সমর্থন করেন নি কিংবা অবৈধ কিছু দেখে নীরব থাকেন নি। পক্ষান্তরে অন্য সব মনীষীই কখনো কখনো সিদ্ধান্তে ভুল করেন।
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ بَلِّغۡ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَۖ وَإِن لَّمۡ تَفۡعَلۡ فَمَا بَلَّغۡتَ رِسَالَتَهُۥۚ وَٱللَّهُ يَعۡصِمُكَ مِنَ ٱلنَّاسِۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهۡدِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلۡكَٰفِرِينَ ٦٧﴾ [ المائدة : ٦٧ ]
“হে রাসূল, তোমার কাছে যা নাযিল করা হয়েছে তা প্রচার করো, যদি তা না কর তবে তো তুমি তাঁর রিসালাত প্রচার করলে না, আর আল্লাহ মানুষদের থেকে তোমাকে রক্ষা করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ কাফের কাওমকে হিদায়াত করেন না।”। [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৬৭]
﴿وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلۡهَوَىٰٓ ٣ إِنۡ هُوَ إِلَّا وَحۡيٞ يُوحَىٰ ٤﴾ [ النجم : ٣، ٤ ]
“আর তিনি মনগড়া কথা বলেন না। তাতো কেবল অহী, যা তার প্রতি অহীরূপে প্রেরণ করা হয়”। [সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩-৪]
﴿وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ ٱلۡأَقَاوِيلِ ٤٤ لَأَخَذۡنَا مِنۡهُ بِٱلۡيَمِينِ ٤٥ ثُمَّ لَقَطَعۡنَا مِنۡهُ ٱلۡوَتِينَ ٤٦ فَمَا مِنكُم مِّنۡ أَحَدٍ عَنۡهُ حَٰجِزِينَ ٤٧﴾ [ الحاقة : ٤٤، ٤٧ ]
“যদি তিনি আমার নামে কোনো মিথ্যা রচনা করত, তবে আমরা তার ডান হাত পাকড়াও করতাম। তারপর অবশ্যই আমরা তার হৃদপিণ্ডের শিরা কেটে ফেলতাম। অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ-ই তাকে রক্ষা করার থাকত না”। [সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত: ৪৪-৪৭]
আল্লাহ তাঁকে কাজে-কর্মেও মুক্ত করেছেন সব ধরনের ভুল-ভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে। পক্ষান্তরে পৃথিবীর কোনো আলেম-বিজ্ঞানীই ত্রুটিমুক্ত নন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱتَّبِعُوهُ لَعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُونَ ١٥٨﴾ [ الاعراف : ١٥٨ ]
“আর তোমরা তাঁর আনুগত্য করো, যাতে তোমরা হিদায়াত পাবে।” [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ১৫৮]
আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন,
﴿قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ ٣١﴾ [ ال عمران : ٣١ ]
“বল, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৩১]
মালেক ইবন হুয়াইরীস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«صَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي»
‘তোমরা সালাত আদায় কর যেভাবে আমাকে তোমরা সালাত আদায় করতে দেখ”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০০৮।]
জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لِتَأْخُذُوا مَنَاسِكَكُمْ، فَإِنِّي لَا أَدْرِي لَعَلِّي لَا أَحُجُّ بَعْدَ حَجَّتِي هَذِهِ»
“তোমরা তোমাদের হজের বিধান জেনে নাও। কারণ, আমি জানি না, সম্ভবত আমার এ হজের পর আমি আর হজ করতে পারব না”। [সহীহ মুসলিম হাদীস নং ১২৯৭।]
আল্লাহ তাঁকে তাঁর সমর্থনের ব্যাপারেও নিষ্পাপ বানিয়েছেন। ফলে তিনি কখনো মিথ্যাকে সমর্থন করেন নি কিংবা অবৈধ কিছু দেখে নীরব থাকেন নি। পক্ষান্তরে অন্য সব মনীষীই কখনো কখনো সিদ্ধান্তে ভুল করেন।
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ بَلِّغۡ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَۖ وَإِن لَّمۡ تَفۡعَلۡ فَمَا بَلَّغۡتَ رِسَالَتَهُۥۚ وَٱللَّهُ يَعۡصِمُكَ مِنَ ٱلنَّاسِۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهۡدِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلۡكَٰفِرِينَ ٦٧﴾ [ المائدة : ٦٧ ]
“হে রাসূল, তোমার কাছে যা নাযিল করা হয়েছে তা প্রচার করো, যদি তা না কর তবে তো তুমি তাঁর রিসালাত প্রচার করলে না, আর আল্লাহ মানুষদের থেকে তোমাকে রক্ষা করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ কাফের কাওমকে হিদায়াত করেন না।”। [সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৬৭]