১
সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ গুরুত্ব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ড. মোঃ আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
দীন হলো কল্যাণ কামনা
সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের বাধা দান দীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মূলত: দীন হলো পরস্পরের কল্যাণ কামনা। আর এটি সৎ কাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ ব্যতীত অসম্ভব। কারণ সৎ কাজে উদ্বুদ্ধ করলে পরস্পর কল্যাণের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে পারে। আবার অসৎ কাজে বাধা দিলে ক্ষতি থেকে বিরত রাখা সহজ হয়। অতএব এটি দীনের অন্যতম মূলনীতি। এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
«الدين النصيحة . قلنا لمن قال للله ولرسوله ولأئمة المسلمين وعامتهم» .
দীন হলো মানুষের কল্যাণ কামনা। আমরা বললাম এটা কাদের জন্য? রাসূল বললেন, এটা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও সকল মুসলিম নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণের জন্য।”
সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ দীনের সবকিছু অন্তর্ভুক্ত করে। মহান আল্লাহ যাবতীয় হালাল ও বৈধ বস্তুকে সৎকাজের নামান্তর এবং অবৈধ জিনিসকে অসৎ কাজ হিসেবে বারণ করার অধীন করেছেন। পূর্ববর্তী নবীগণ তাদের উম্মতের উপর কতক বৈধ জিনিসকে অবৈধ ঘোষণা করতেন। কুরআনে এসেছে-
﴿ فَبِظُلۡمٖ مِّنَ ٱلَّذِينَ هَادُواْ حَرَّمۡنَا عَلَيۡهِمۡ طَيِّبَٰتٍ أُحِلَّتۡ لَهُمۡ ﴾ [ النساء : ١٦٠ ]
‘‘অতএব ইয়াহূদীদের যুলুমের কারণে তাদের উপর এমন কিছু জিনিস হারাম করে দিয়েছি যা তাদের জন্য হালাল ছিল।’’ [সূরা আন নিসা: ১৬০।]
অথচ তাদের উপর এসব হারাম ছিল না। পবিত্র কুরআনে আরেকটি আয়াত এর সাক্ষ্য বহন করছে। আল্লাহ বলেন,
﴿ ۞كُلُّ ٱلطَّعَامِ كَانَ حِلّٗا لِّبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ إِلَّا مَا حَرَّمَ إِسۡرَٰٓءِيلُ عَلَىٰ نَفۡسِهِۦ ﴾ [ ال عمران : ٩٣ ]
‘‘প্রত্যেকটি খাদ্য দ্রব্যই ইসরাইল বংশীয়দের জন্য হালাল ছিল, শুধু ঐ জিনিসটি ব্যতীত, যা ইসরাইল (ইয়াকুব) স্বয়ং নিজের উপর অবৈধ করে নিয়েছিল।” [সূরা আলে ইমরান: ৯৩।]
কোনো খারাপ জিনিস অবৈধ করা অসৎ কাজ হতে নিষেধ করারই অন্তর্গত। যেমনিভাবে পবিত্র জিনিসটা বৈধ করাও সৎ কাজে আদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। কেননা, উত্তম জিনিসকে অবৈধ করা, আল্লাহ যা করতে নিষেধ করেছেন তারই অন্তর্ভুক্ত। এমনিভাবে সকল সৎকাজে আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করা দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের উন্নত চরিত্রের পরিপূর্ণতা সাধন করেছেন। আল্লাহ রাববুল আলামীন ইরশাদ করেন-
﴿ ٱلۡيَوۡمَ أَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِينَكُمۡ وَأَتۡمَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ نِعۡمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلۡإِسۡلَٰمَ دِينٗاۚ ﴾ [ المائدة : ٣ ]
‘‘আমি আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করলাম, তোমাদের উপর আল্লাহর নিয়ামত সম্পন্ন করলাম এবং তোমাদের জন্য দীন ইসলামকে একমাত্র দীন বা জীবন ব্যবস্থা হিসেবে মনোনীত করলাম।” [সুরা আল মায়িদাহ:৩।]
«الدين النصيحة . قلنا لمن قال للله ولرسوله ولأئمة المسلمين وعامتهم» .
দীন হলো মানুষের কল্যাণ কামনা। আমরা বললাম এটা কাদের জন্য? রাসূল বললেন, এটা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও সকল মুসলিম নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণের জন্য।”
সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ দীনের সবকিছু অন্তর্ভুক্ত করে। মহান আল্লাহ যাবতীয় হালাল ও বৈধ বস্তুকে সৎকাজের নামান্তর এবং অবৈধ জিনিসকে অসৎ কাজ হিসেবে বারণ করার অধীন করেছেন। পূর্ববর্তী নবীগণ তাদের উম্মতের উপর কতক বৈধ জিনিসকে অবৈধ ঘোষণা করতেন। কুরআনে এসেছে-
﴿ فَبِظُلۡمٖ مِّنَ ٱلَّذِينَ هَادُواْ حَرَّمۡنَا عَلَيۡهِمۡ طَيِّبَٰتٍ أُحِلَّتۡ لَهُمۡ ﴾ [ النساء : ١٦٠ ]
‘‘অতএব ইয়াহূদীদের যুলুমের কারণে তাদের উপর এমন কিছু জিনিস হারাম করে দিয়েছি যা তাদের জন্য হালাল ছিল।’’ [সূরা আন নিসা: ১৬০।]
অথচ তাদের উপর এসব হারাম ছিল না। পবিত্র কুরআনে আরেকটি আয়াত এর সাক্ষ্য বহন করছে। আল্লাহ বলেন,
﴿ ۞كُلُّ ٱلطَّعَامِ كَانَ حِلّٗا لِّبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ إِلَّا مَا حَرَّمَ إِسۡرَٰٓءِيلُ عَلَىٰ نَفۡسِهِۦ ﴾ [ ال عمران : ٩٣ ]
‘‘প্রত্যেকটি খাদ্য দ্রব্যই ইসরাইল বংশীয়দের জন্য হালাল ছিল, শুধু ঐ জিনিসটি ব্যতীত, যা ইসরাইল (ইয়াকুব) স্বয়ং নিজের উপর অবৈধ করে নিয়েছিল।” [সূরা আলে ইমরান: ৯৩।]
কোনো খারাপ জিনিস অবৈধ করা অসৎ কাজ হতে নিষেধ করারই অন্তর্গত। যেমনিভাবে পবিত্র জিনিসটা বৈধ করাও সৎ কাজে আদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। কেননা, উত্তম জিনিসকে অবৈধ করা, আল্লাহ যা করতে নিষেধ করেছেন তারই অন্তর্ভুক্ত। এমনিভাবে সকল সৎকাজে আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করা দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের উন্নত চরিত্রের পরিপূর্ণতা সাধন করেছেন। আল্লাহ রাববুল আলামীন ইরশাদ করেন-
﴿ ٱلۡيَوۡمَ أَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِينَكُمۡ وَأَتۡمَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ نِعۡمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلۡإِسۡلَٰمَ دِينٗاۚ ﴾ [ المائدة : ٣ ]
‘‘আমি আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করলাম, তোমাদের উপর আল্লাহর নিয়ামত সম্পন্ন করলাম এবং তোমাদের জন্য দীন ইসলামকে একমাত্র দীন বা জীবন ব্যবস্থা হিসেবে মনোনীত করলাম।” [সুরা আল মায়িদাহ:৩।]