১
আল্লাহ তা‘আলার হক বা প্রাপ্য
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
ষষ্ঠ অধিকার : নি‘আমতের মোকাবেলায় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা
আল্লাহ তা‘আলার অগণিত ও অসংখ্য নি‘আমত নিরবচ্ছিন্নভাবে তার বান্দার ওপর বর্ষিত হচ্ছে; যেমন, সৃষ্টির নি‘আমত, ধন-সম্পদের নি‘আমত, ইসলামের নি‘আমত, পানির নি‘আমত, বাতাসের নি‘আমত, বিবেক, শরীর, স্ত্রী ও সন্তানদের সুস্থতার নি‘আমত। তাই বান্দাদের উচিৎ এ নি‘আমতের শুকরিয়া আদায় করা, যা তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করলে সুচারুরূপে আদায় করা যায়।
১. নি‘আমতের স্বীকারোক্তি প্রদানমূলক কৃতজ্ঞতাসহ তা গ্রহণ করা। অর্থাৎ বান্দা একনিষ্ঠ ও আন্তরিকভাবে স্বীকার করবে যে, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় দয়া ও মেহেরবাণীতে এ নি‘আমত দান করেছেন। আল-কুরআনে বর্ণিত হচ্ছে,
﴿وَمَا بِكُم مِّن نِّعۡمَةٖ فَمِنَ ٱللَّهِۖ ثُمَّ إِذَا مَسَّكُمُ ٱلضُّرُّ فَإِلَيۡهِ تَجَۡٔرُونَ ٥٣﴾ [ النحل : ٥٣ ]
“তোমাদের কাছে যে সমস্ত নি‘আমত আছে তা আল্লাহরই পক্ষ থেকে।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৫৩]
সুতরাং স্বীয় প্রয়োজন, চাহিদা ও অভাববোধসহ আগ্রহভরে আল্লাহর নি‘আমত গ্রহণ করা এবং এর থেকে উপকৃত হওয়া।
২. দান-সদকা, পোশাক-আশাক ও বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলার নি‘আমতের বহিঃপ্রকাশ করা এবং তাঁর প্রশংসা। অর্থাৎ বান্দা আল্লাহ তা‘আলার নি‘আমতের আলোচনা করবে। তার দয়ার প্রতিফলন এ নি‘আমতরাজি -সর্বদা মনে করবে। আল-কুরআনে বর্ণিত হচ্ছে,
﴿وَأَمَّا بِنِعۡمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثۡ ١١﴾ [ الضحا : ١١ ]
“আর আপনার রবের নি‘আমতের কথা প্রকাশ করুন।” [সূরা আদ-দোহা, আয়াত: ১১]
আরো মনে-প্রাণে বিশ্বাস রাখবে আল্লাহ তা‘আলা দানশীল, অনুগ্রহকারী, রহমশীল ও দয়ালু।
৩. আল্লাহ তা‘আলার পছন্দনীয় জায়গায় নি‘আমত ব্যবহার করবে। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশিত জায়গায় নি‘আমতের ব্যবহার সুবর্ণ সুযোগ মনে করবে। শরী‘আত নিষিদ্ধ জায়গায় অপচয় করা থেকে বিরত থাকবে। কারণ, এটা নাফরমানী ও অকৃতজ্ঞতা, যা শরী‘আত কিংবা বিবেক দ্বারা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
১. নি‘আমতের স্বীকারোক্তি প্রদানমূলক কৃতজ্ঞতাসহ তা গ্রহণ করা। অর্থাৎ বান্দা একনিষ্ঠ ও আন্তরিকভাবে স্বীকার করবে যে, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় দয়া ও মেহেরবাণীতে এ নি‘আমত দান করেছেন। আল-কুরআনে বর্ণিত হচ্ছে,
﴿وَمَا بِكُم مِّن نِّعۡمَةٖ فَمِنَ ٱللَّهِۖ ثُمَّ إِذَا مَسَّكُمُ ٱلضُّرُّ فَإِلَيۡهِ تَجَۡٔرُونَ ٥٣﴾ [ النحل : ٥٣ ]
“তোমাদের কাছে যে সমস্ত নি‘আমত আছে তা আল্লাহরই পক্ষ থেকে।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৫৩]
সুতরাং স্বীয় প্রয়োজন, চাহিদা ও অভাববোধসহ আগ্রহভরে আল্লাহর নি‘আমত গ্রহণ করা এবং এর থেকে উপকৃত হওয়া।
২. দান-সদকা, পোশাক-আশাক ও বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলার নি‘আমতের বহিঃপ্রকাশ করা এবং তাঁর প্রশংসা। অর্থাৎ বান্দা আল্লাহ তা‘আলার নি‘আমতের আলোচনা করবে। তার দয়ার প্রতিফলন এ নি‘আমতরাজি -সর্বদা মনে করবে। আল-কুরআনে বর্ণিত হচ্ছে,
﴿وَأَمَّا بِنِعۡمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثۡ ١١﴾ [ الضحا : ١١ ]
“আর আপনার রবের নি‘আমতের কথা প্রকাশ করুন।” [সূরা আদ-দোহা, আয়াত: ১১]
আরো মনে-প্রাণে বিশ্বাস রাখবে আল্লাহ তা‘আলা দানশীল, অনুগ্রহকারী, রহমশীল ও দয়ালু।
৩. আল্লাহ তা‘আলার পছন্দনীয় জায়গায় নি‘আমত ব্যবহার করবে। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশিত জায়গায় নি‘আমতের ব্যবহার সুবর্ণ সুযোগ মনে করবে। শরী‘আত নিষিদ্ধ জায়গায় অপচয় করা থেকে বিরত থাকবে। কারণ, এটা নাফরমানী ও অকৃতজ্ঞতা, যা শরী‘আত কিংবা বিবেক দ্বারা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।