১
পাপ আকার-প্রকৃতি, প্রভাব ও প্রতিকার
লেখকঃ গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী কেন্দ্রীয় কার্যালয় • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
পাপাচার থেকে মুক্তি লাভের মাধ্যম (১) পাপকে বিপজ্জনক মনে করা ও ক্ষুদ্র হলেও, যে কোন পাপ পরিত্যাগে সচেষ্ট হওয়া :—
ঈমানদার ব্যক্তির হৃদয় জুড়ে থাকে প্রতিপালকের ভয়, যার মহিমা-মাহাত্ম্য আলোড়িত করে রাখে তার অন্তর জগৎ সারাক্ষণ। প্রতিপালকের অবাধ্য হওয়া কখনোই শুভ মনে হয় না তার কাছে। পাপ তার কাছে ঘৃণ্য-প্রত্যাখ্যাত বস্ত্ত। ঈমানের পরিধি-পর্যায় অনুযায়ী মুমিন ব্যক্তি আল্লাহকে মনে করে বড়ো, আর পাপকে মনে করে ঘৃণ্য অপরাধ।
উদাহরণত: আল্লাহ রাববুল আলামীন ঈমানদারদের গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন :—
كانوا قليلا من الليل ما يهجعون . وبالأسحار هم يستغفرون . ( الذاريات : ১৭-১৮)
‘তারা রাতের সামান্য অংশই অতিবাহিত করে নিদ্রায়। আর রাতের শেষ প্রহরে নিমগ্ন হয় ক্ষমা প্রার্থনায়।’ [সূরা যারিয়াত : ১৭-১৮]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন :—
الذين يقولون ربنا إننا آمنا فاغفر لنا ذنوبنا وقنا عذاب النار . الصابرين والصادقين والقانتين والمنفقين والمستغفرين بالأسحار . ( آل عمران : ১৬-১৭)
‘যারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক ! আমরা ঈমান এনেছি, সুতরাং, তুমি আমাদের পাপ ক্ষমা কর এবং আমাদের লেলিহান আগুনের আযাব হতে রক্ষা কর। তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, ব্যয়কারী, এবং শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থী।’ [সূরা আলে ইমরান : ১৬ -১৭]
আল্লাহভীতি ও নৈতিক দায়িত্ববোধের কারণেই উল্লিখিত মুমিনগণ শেষ রাতের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আল্লাহ রাববুল আলামীনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
কিভাবে মুমিনগণ পাপকে ভয়ের বস্ত্ত মনে করে তার একটা দৃষ্টান্ত প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদের কথায় পাওয়া যায়।
তিনি বলেন :—
إن المؤمن يرى ذنوبه كأنه قاعد تحت جبل يخاف أن يقع عليه، وإن الفاجر يرى ذنوبه كذباب مر على أنفه فقال به هكذا . ( رواه البخاري -৬৩০৮(
‘পাপ, ঈমানদার ব্যক্তির কাছে এমন মনে হয়—যেন সে পাহাড়ের পাদদেশে বসে আছে। আর এ ভয়ে ভীত যে, পাহাড়টি পড়ে যাবে তার মাথায়। অপরপক্ষে, একজন দুষ্ট ব্যক্তি তার পাপকে দেখে মনে করে মাছি সম, যা তার নাগের ডগা স্পর্শ করে চলে গেছে।’ [বুখারী : ৬৩০৮]
আনাস রা. বলেন :—
إنكم لتعملون أعمالا هي أدق في أعينكم من الشعر، إن كنا لنعدها على عهد النبي صلى الله عليه وسلم من الموبقات .( رواه البخاري : ৬৪৯২)
‘এমন অনেক কাজ তোমরা কর, যা তোমাদের নজরে চুলের চেয়েও সরু অথচ আমরা নবী কারীম সা. এর যুগে সেগুলোকে ধ্বংসাত্মক পাপ বলে জ্ঞান করতাম।’ [বুখারী : ৬৪৯২]
তাবেয়ীদের লক্ষ্য করে তিনি তার এ মন্তব্য করেছিলেন। আমাদের অবস্থা দেখে তিনি কি মন্তব্য করতেন, তা বলাই বাহুল্য।
উদাহরণত: আল্লাহ রাববুল আলামীন ঈমানদারদের গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন :—
كانوا قليلا من الليل ما يهجعون . وبالأسحار هم يستغفرون . ( الذاريات : ১৭-১৮)
‘তারা রাতের সামান্য অংশই অতিবাহিত করে নিদ্রায়। আর রাতের শেষ প্রহরে নিমগ্ন হয় ক্ষমা প্রার্থনায়।’ [সূরা যারিয়াত : ১৭-১৮]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন :—
الذين يقولون ربنا إننا آمنا فاغفر لنا ذنوبنا وقنا عذاب النار . الصابرين والصادقين والقانتين والمنفقين والمستغفرين بالأسحار . ( آل عمران : ১৬-১৭)
‘যারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক ! আমরা ঈমান এনেছি, সুতরাং, তুমি আমাদের পাপ ক্ষমা কর এবং আমাদের লেলিহান আগুনের আযাব হতে রক্ষা কর। তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, ব্যয়কারী, এবং শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থী।’ [সূরা আলে ইমরান : ১৬ -১৭]
আল্লাহভীতি ও নৈতিক দায়িত্ববোধের কারণেই উল্লিখিত মুমিনগণ শেষ রাতের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আল্লাহ রাববুল আলামীনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
কিভাবে মুমিনগণ পাপকে ভয়ের বস্ত্ত মনে করে তার একটা দৃষ্টান্ত প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদের কথায় পাওয়া যায়।
তিনি বলেন :—
إن المؤمن يرى ذنوبه كأنه قاعد تحت جبل يخاف أن يقع عليه، وإن الفاجر يرى ذنوبه كذباب مر على أنفه فقال به هكذا . ( رواه البخاري -৬৩০৮(
‘পাপ, ঈমানদার ব্যক্তির কাছে এমন মনে হয়—যেন সে পাহাড়ের পাদদেশে বসে আছে। আর এ ভয়ে ভীত যে, পাহাড়টি পড়ে যাবে তার মাথায়। অপরপক্ষে, একজন দুষ্ট ব্যক্তি তার পাপকে দেখে মনে করে মাছি সম, যা তার নাগের ডগা স্পর্শ করে চলে গেছে।’ [বুখারী : ৬৩০৮]
আনাস রা. বলেন :—
إنكم لتعملون أعمالا هي أدق في أعينكم من الشعر، إن كنا لنعدها على عهد النبي صلى الله عليه وسلم من الموبقات .( رواه البخاري : ৬৪৯২)
‘এমন অনেক কাজ তোমরা কর, যা তোমাদের নজরে চুলের চেয়েও সরু অথচ আমরা নবী কারীম সা. এর যুগে সেগুলোকে ধ্বংসাত্মক পাপ বলে জ্ঞান করতাম।’ [বুখারী : ৬৪৯২]
তাবেয়ীদের লক্ষ্য করে তিনি তার এ মন্তব্য করেছিলেন। আমাদের অবস্থা দেখে তিনি কি মন্তব্য করতেন, তা বলাই বাহুল্য।