১
নারীর জান্নাত যে পথে
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী:
আব্দুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পূর্ণ দুনিয়া উপকৃত হওয়ার সামগ্রী, আর সবচেয়ে উপভোগ্য সম্পদ হলো নেককার নারী।” [সহীহ মুসলিম।]
সহীহ বুখারী ও মুসলিমে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “চারটি গুণ দেখে নারীদের বিবাহ করা হয়- সম্পদ, বংশ মর্যাদা, সৌন্দর্য ও দীনদারি। তবে তোমার হাত ধুলি ধুসরিত হোক, তুমি ধার্মিকতার দিক প্রাধান্য দিয়েই তুমি কামিয়াব হও।” [সহীহ মুসলিম: ১০/৩০৫।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “চারটি বস্তু শুভ লক্ষণ। যথা- ১. নেককার নারী, ২. প্রশস্ত ঘর, ৩. সৎ প্রতিবেশী, ৪. সহজ প্রকৃতির আনুগত্যশীল-পোষ্য বাহন। পক্ষান্তরে অপর চারটি বস্তু কুলক্ষণা। তার মধ্যে একজন বদকার নারী।” [হাকেম, সহীহ আল-জামে: ৮৮৭।]
এসব আয়াত ও হাদীস পুরুষদের যেমন নেককার নারী গ্রহণ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে, তেমনি উৎসাহ দেয় নারীদেরকে আদর্শ নারীর সকল গুনাবলী অর্জনের প্রতি। যাতে তারা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় নেককার নারী হিসেবে গণ্য হতে পারে।
প্রিয় মুসলিম বোন, তোমার সামনে সে উদ্দেশেই নেককার নারীদের গুণাবলী পেশ করা হচ্ছে, যা চয়ন করা হয়েছে কুরআন, হাদীস ও পথিকৃৎ আদর্শবান নেককার আলিমদের বাণী ও উপদেশ থেকে। তুমি এগুলো শিখার ব্রত গ্রহণ কর। সঠিকরূপে এর অনুশীলন আরম্ভ কর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ইলম আসে শিক্ষার মাধ্যমে। শিষ্টচার আসে সহনশীলতার মাধ্যমে। যে কল্যাণ অনুসন্ধান করে, আল্লাহ তাকে সুপথ দেখান।” [দারাকুতনী।]
সহীহ বুখারী ও মুসলিমে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “চারটি গুণ দেখে নারীদের বিবাহ করা হয়- সম্পদ, বংশ মর্যাদা, সৌন্দর্য ও দীনদারি। তবে তোমার হাত ধুলি ধুসরিত হোক, তুমি ধার্মিকতার দিক প্রাধান্য দিয়েই তুমি কামিয়াব হও।” [সহীহ মুসলিম: ১০/৩০৫।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “চারটি বস্তু শুভ লক্ষণ। যথা- ১. নেককার নারী, ২. প্রশস্ত ঘর, ৩. সৎ প্রতিবেশী, ৪. সহজ প্রকৃতির আনুগত্যশীল-পোষ্য বাহন। পক্ষান্তরে অপর চারটি বস্তু কুলক্ষণা। তার মধ্যে একজন বদকার নারী।” [হাকেম, সহীহ আল-জামে: ৮৮৭।]
এসব আয়াত ও হাদীস পুরুষদের যেমন নেককার নারী গ্রহণ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে, তেমনি উৎসাহ দেয় নারীদেরকে আদর্শ নারীর সকল গুনাবলী অর্জনের প্রতি। যাতে তারা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় নেককার নারী হিসেবে গণ্য হতে পারে।
প্রিয় মুসলিম বোন, তোমার সামনে সে উদ্দেশেই নেককার নারীদের গুণাবলী পেশ করা হচ্ছে, যা চয়ন করা হয়েছে কুরআন, হাদীস ও পথিকৃৎ আদর্শবান নেককার আলিমদের বাণী ও উপদেশ থেকে। তুমি এগুলো শিখার ব্রত গ্রহণ কর। সঠিকরূপে এর অনুশীলন আরম্ভ কর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ইলম আসে শিক্ষার মাধ্যমে। শিষ্টচার আসে সহনশীলতার মাধ্যমে। যে কল্যাণ অনুসন্ধান করে, আল্লাহ তাকে সুপথ দেখান।” [দারাকুতনী।]