১
দাড়ি রাখা ওয়াজিব
লেখকঃ এ.কিউ.এম মাসূম মজুমদার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
দাড়ির ব্যাপারে বিখ্যাত ‘আলেমদের অভিমত:
এদের মধ্যে- শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়্যা রহ., ‘আল্লামা ইবন হাযম আয-যাহিরী রহ., ‘আল্লামা ইবন আবদুল বার্র, ‘আল্লামা আহমদ ইবন আবদুর রহমান আল বান্না রহ., মুহাদ্দিস শাইখ নাছের উদ্দিন আল-আলবানী রহ., সৌদি আরবের প্রধান মুফতি আব্দুল আযীয ইবন বায রহ., শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসায়মীন, ডা. জাকির নায়েক উল্লেখযোগ্য।
১- হাফেয ‘আল্লামা আবু মুহাম্মদ আলী ইবন হাযম (মৃত: ৪৫৬ হি.) বলেন,
اتفق العلماء على أن قص الشارب وإعفاء اللحية فرض .
“সমস্ত আলেম একমত যে, মোচ কাটা এবং দাড়ি রাখা ফরয (ওয়াজিব)।”
২- ইমাম ইবন আবদিল বার্র রহ. (মৃত: ৪৬৩ হি.) তার তামহীদ কিতাবে বলেন,
يحرم حلق اللحية ولا يفعله إلا المخنثون من الرجال يعني بذلك المتشبهين بالنساء
“দাড়ি শেভ করা হারাম। আর এ কাজটি মুখান্নাচ বা নারীর বেশ ধারণকারীই করে, কোনো পুরুষের কাজ নয় এটি।”
৩- ইমাম কুরতুবী (রহ.) (মৃত: ৬৭১ হি.) বলেন, দাড়ি শেভ করা বা উঠিয়ে ফেলা বা কাট-চাট করে ষ্টাইল করে রাখা নাজায়েয। দাড়ি রাখা, বাড়িয়ে ও ঘন করে রাখা ফরয। দাড়ি শেভকারী তার এ গোনাহকে সবার সামনে প্রকাশ করে, যা অতি কঠিন হারাম কাজ। সহীহ বুখারীর হাদীসে রয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«كُلُّ أُمَّتِي مُعَافًى إِلَّا المُجَاهِرِينَ،» .
“আমার উম্মতের সবাইকে আল্লাহর রহমতে মাফ করা হবে, তবে তারা ব্যতীত যারা গোনাহ ও নাফরমানীকে সকলের কাছে প্রকাশ করে বেড়ায়......”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৬৯।]
৪- শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যা রহ. (মৃত: ৭২৮ হি.) বলেন, দাড়ি শেভ করা হারাম।
৫- আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান আল মালেকী রহ. বলেন, আলেমরা একমত যে, দাড়ি শেভ করা অঙ্গবিকৃতি করার মতো হারাম কাজ।”
৬- সৌদী আরবের সামাহাতুশ শাইখ আল্লামা শায়খ ইবন বায (রহ.) (মৃত: ১৪২০ হি.) বলেন, দাড়িকে সংরক্ষণ করা, পরিপূর্ণ, ঘণ রাখা ও ছেড়ে দেওয়া ফরয। এই ফরযের প্রতি অবহেলা করা জায়েয নয়। আর দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) ও ছোট করা হারাম।
৭- শাইখ ইবন উসাইমীন রহ. (মৃত: ১৪২১ হি.) বলেন, দাড়ি রাখা ওয়াজিব, তা শেভ করা হারাম (কবীরা গুনাহ)।
৮- আব্দুর রহমান আল বান্না তার প্রসিদ্ধ “আল–ফাতহুর রব্বানী” গ্রন্থে লিখেন ‘দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) হারাম’।
৯- শাইখ আলবানী রহ. তার “আদাবুয যিফাফ” গ্রন্থে দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) হারাম হওয়ার ওপর ৪টি দলীল উল্লেখ করে বলেন এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, দাড়ি বৃদ্ধি করা ওয়াজিব এবং দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) করা হারাম।
১০- ‘আলেমে দীন হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. তাঁর বিখ্যাত “ইসলাহুর রুসুম” গ্রন্থে লিখেছেন যে সহীহ আল বুখারী ও সহীহ মুসলিম শরীফের হাদীসে উল্লেখ রয়েছে-“আ‘ফুল লূহা ওয়া আহ্ফুস্ শাওয়ারেব” যার অর্থ: “তোমরা দাড়ি বড় কর ও মোচ ছোট কর।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুকুম করেছেন ছিগায়ে আমর দ্বারা অর্থাৎ হুকুমবাচক ক্রিয়াপদ দ্বারা। আর ‘আমর’ (আদেশ) হাকীকাতান (মূলত) ওয়াজিবের জন্য ব্যবহার হয়।
১১- শেখ আলী মাহফুয আল আযহারী বলেন, ৪ মাযহাবের আলেমগণ একমত যে, দাড়িকে ঘন রাখা ওয়াজিব, শেভ করা হারাম।”
প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের ফিকহবিদগণও দাড়ি ছেড়ে দেওয়া ওয়াজিব ও কেটে ফেলা বা শেভ করাকে হারাম বলে মত প্রকাশ করেছেন।
১- হাফেয ‘আল্লামা আবু মুহাম্মদ আলী ইবন হাযম (মৃত: ৪৫৬ হি.) বলেন,
اتفق العلماء على أن قص الشارب وإعفاء اللحية فرض .
“সমস্ত আলেম একমত যে, মোচ কাটা এবং দাড়ি রাখা ফরয (ওয়াজিব)।”
২- ইমাম ইবন আবদিল বার্র রহ. (মৃত: ৪৬৩ হি.) তার তামহীদ কিতাবে বলেন,
يحرم حلق اللحية ولا يفعله إلا المخنثون من الرجال يعني بذلك المتشبهين بالنساء
“দাড়ি শেভ করা হারাম। আর এ কাজটি মুখান্নাচ বা নারীর বেশ ধারণকারীই করে, কোনো পুরুষের কাজ নয় এটি।”
৩- ইমাম কুরতুবী (রহ.) (মৃত: ৬৭১ হি.) বলেন, দাড়ি শেভ করা বা উঠিয়ে ফেলা বা কাট-চাট করে ষ্টাইল করে রাখা নাজায়েয। দাড়ি রাখা, বাড়িয়ে ও ঘন করে রাখা ফরয। দাড়ি শেভকারী তার এ গোনাহকে সবার সামনে প্রকাশ করে, যা অতি কঠিন হারাম কাজ। সহীহ বুখারীর হাদীসে রয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«كُلُّ أُمَّتِي مُعَافًى إِلَّا المُجَاهِرِينَ،» .
“আমার উম্মতের সবাইকে আল্লাহর রহমতে মাফ করা হবে, তবে তারা ব্যতীত যারা গোনাহ ও নাফরমানীকে সকলের কাছে প্রকাশ করে বেড়ায়......”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৬৯।]
৪- শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যা রহ. (মৃত: ৭২৮ হি.) বলেন, দাড়ি শেভ করা হারাম।
৫- আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান আল মালেকী রহ. বলেন, আলেমরা একমত যে, দাড়ি শেভ করা অঙ্গবিকৃতি করার মতো হারাম কাজ।”
৬- সৌদী আরবের সামাহাতুশ শাইখ আল্লামা শায়খ ইবন বায (রহ.) (মৃত: ১৪২০ হি.) বলেন, দাড়িকে সংরক্ষণ করা, পরিপূর্ণ, ঘণ রাখা ও ছেড়ে দেওয়া ফরয। এই ফরযের প্রতি অবহেলা করা জায়েয নয়। আর দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) ও ছোট করা হারাম।
৭- শাইখ ইবন উসাইমীন রহ. (মৃত: ১৪২১ হি.) বলেন, দাড়ি রাখা ওয়াজিব, তা শেভ করা হারাম (কবীরা গুনাহ)।
৮- আব্দুর রহমান আল বান্না তার প্রসিদ্ধ “আল–ফাতহুর রব্বানী” গ্রন্থে লিখেন ‘দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) হারাম’।
৯- শাইখ আলবানী রহ. তার “আদাবুয যিফাফ” গ্রন্থে দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) হারাম হওয়ার ওপর ৪টি দলীল উল্লেখ করে বলেন এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, দাড়ি বৃদ্ধি করা ওয়াজিব এবং দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) করা হারাম।
১০- ‘আলেমে দীন হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. তাঁর বিখ্যাত “ইসলাহুর রুসুম” গ্রন্থে লিখেছেন যে সহীহ আল বুখারী ও সহীহ মুসলিম শরীফের হাদীসে উল্লেখ রয়েছে-“আ‘ফুল লূহা ওয়া আহ্ফুস্ শাওয়ারেব” যার অর্থ: “তোমরা দাড়ি বড় কর ও মোচ ছোট কর।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুকুম করেছেন ছিগায়ে আমর দ্বারা অর্থাৎ হুকুমবাচক ক্রিয়াপদ দ্বারা। আর ‘আমর’ (আদেশ) হাকীকাতান (মূলত) ওয়াজিবের জন্য ব্যবহার হয়।
১১- শেখ আলী মাহফুয আল আযহারী বলেন, ৪ মাযহাবের আলেমগণ একমত যে, দাড়িকে ঘন রাখা ওয়াজিব, শেভ করা হারাম।”
প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের ফিকহবিদগণও দাড়ি ছেড়ে দেওয়া ওয়াজিব ও কেটে ফেলা বা শেভ করাকে হারাম বলে মত প্রকাশ করেছেন।