তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
উক্ত হাদিসের রাবী ইয়াযীদ বিন আবু যিয়াদ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী বলেন, তিনি কুফার শীয়াদের একজন। আবু বাকর আল-বায়হাকী ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তার হাদিস কেউ বর্জন করেছেন এমর্মে আমার জানা নেই। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য নয়। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার স্মৃতিশক্তি ভালো ছিল না। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, আমি আহলে ইলমদের বলতে শুনেছি, তারা তাকে দুর্বল বলতেন। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল বাকী ইবনুল কানি বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৯৯১, ৩২/১৩৫ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু ইয়াযীদ বিন আবু যিয়াদ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির শতাধিক শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ১৮৩৫, ১৮৩৬, ১৮৩৮, ১৯৩৯, ২১০২, ২১০৩, ২২১০, ২২৭৭, ২২৭৮, ২২৭৯, ২২৮০, ২২৮১, ৫৬৯১, ৫৬৯৫, ৫৬৯৯, ৫৭০১, মুসলিম ১২০২, ১৫৭৮, ১৫৭৯, ১৫৮০, ২২০৯, তিরমিযি ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৭৭, ৮৩৯, ১২৭৮, আবু দাউদ ১৮৩৫, ১৮৩৬, ১৮৩৭, ২৩৭২, ২৩৭৩, ৩৪২৩, ৩৪২৪, ৩৮৬৩, ৩৮৬৭, দারিমী ১৮১৯, ১৮২০, ১৮২১, ১৮২২, মুয়াত্তা মালিক ৭৮৪, ১৮২১, আহমাদ ৬৯৪, ১১৩২, ১১৩৩, ১১৩৯, ১৮৫২, ১৩৫৯১।