১
কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে
লেখকঃ আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
যে কারণে রমযান আমাদের প্রয়োজন:
মুসলিম ভাইয়েরা! জাতির জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত অতিবাহিত হওয়া জরুরি যখন আত্মার পরিশুদ্ধি ও তৃপ্তি সম্পন্ন হবে। যখন ঈমানের মাইলফলকগুলো নবায়ন করা হবে। যা কিছু নষ্ট হয়েছে তা সংস্কার করা হবে। যেসব রোগব্যাধি বাসা বেঁধেছে তা সারিয়ে তোলা হবে। রমযান সেই আধ্যাত্মিক মুহূর্ত যেখানে মুসলিম উম্মাহ তাদের বিভিন্ন অবস্থা সংস্কার করার সুযোগ পায়, তাদের ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানোর সুযোগ পায়। তাদের অতীতকে ফিরিয়ে আনার সুযোগ পায়। এটা আত্মিক ও চারিত্রিক বল ফিরিয়ে আনার একটি মাস। আর এ আধ্যাত্মিক ও চারিত্রিক শক্তি ফিরিয়ে আনা প্রতিটি জাতিরই কর্তব্য। মুসলিমগণ এ মৌসুমের অপেক্ষায় থাকে অধীর আগ্রহে। এটা ঈমান নবায়নের একটা বিদ্যাপীঠ। চরিত্র মাধুর্যমণ্ডিত করার সময়। আত্মাকে শানিত করার সময়। নাফসকে ইসলাহ করার সময়। প্রবৃত্তিকে কন্ট্রোল করার সময়। কুপ্রবৃত্তিকে দমন করার সময়।
রমযানে অর্জন হয় তাকওয়া। রমযানে বাস্তবায়ন হয় আল্লাহর নির্দেশমালা। শাণিত হয় ইচ্ছা। রমযানে একজন মুসলিম প্রশিক্ষণ নেয় আত্মদানের, শাহাতদত বরণের। রমযানে অর্জিত হয় ঐক্য, মহব্বত, ভ্রাতৃত্ব, ও মিলমিলাপ। এ মাসে মুসলিমগণ আল্লাহর মুখাপেক্ষী হওয়ার অনুভূতি অর্জন করে। অনুভব করে ক্ষুধার্তের ক্ষুধা। সাওম ত্যাগ, বদান্যতা ও আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার সময়। এটা সত্যিই চরিত্রের জন্য সহায়ক। রহমতের প্রস্রবণ। যে ব্যক্তি সত্যি সত্যি সাওম রাখল তার রুহ পরিচ্ছন্ন হলো। তার হৃদয় নরম হলো। তার আত্মা পরিশুদ্ধ হলো। তার অনুভূতিসমূহ ঠিকরে পড়ল ও শাণিত হল। তার আরচরণসমূহ বিনম্র হলো।
মুসলিমদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের মোক্ষম সময় হল রমযান। সুতরাং তাদের উচিত রমযান এলে আত্মসমালোচনায় মনোযোগী হওয়া। রমযানের হিকমতসমূহ খোঁজে নেওয়া তাদের জন্য কতোই না জরুরি। রমাযানের দানসমূহ থেকে উপকৃত হওয়া তাদের জন্য কতোই না প্রয়োজন। রমযানের উত্তম ফলাফল আহরণ করা কতোই না প্রয়োজন।
রমযানে অর্জন হয় তাকওয়া। রমযানে বাস্তবায়ন হয় আল্লাহর নির্দেশমালা। শাণিত হয় ইচ্ছা। রমযানে একজন মুসলিম প্রশিক্ষণ নেয় আত্মদানের, শাহাতদত বরণের। রমযানে অর্জিত হয় ঐক্য, মহব্বত, ভ্রাতৃত্ব, ও মিলমিলাপ। এ মাসে মুসলিমগণ আল্লাহর মুখাপেক্ষী হওয়ার অনুভূতি অর্জন করে। অনুভব করে ক্ষুধার্তের ক্ষুধা। সাওম ত্যাগ, বদান্যতা ও আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার সময়। এটা সত্যিই চরিত্রের জন্য সহায়ক। রহমতের প্রস্রবণ। যে ব্যক্তি সত্যি সত্যি সাওম রাখল তার রুহ পরিচ্ছন্ন হলো। তার হৃদয় নরম হলো। তার আত্মা পরিশুদ্ধ হলো। তার অনুভূতিসমূহ ঠিকরে পড়ল ও শাণিত হল। তার আরচরণসমূহ বিনম্র হলো।
মুসলিমদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের মোক্ষম সময় হল রমযান। সুতরাং তাদের উচিত রমযান এলে আত্মসমালোচনায় মনোযোগী হওয়া। রমযানের হিকমতসমূহ খোঁজে নেওয়া তাদের জন্য কতোই না জরুরি। রমাযানের দানসমূহ থেকে উপকৃত হওয়া তাদের জন্য কতোই না প্রয়োজন। রমযানের উত্তম ফলাফল আহরণ করা কতোই না প্রয়োজন।