hadith book logo

কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে

লেখকঃ আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৫

আমরা কীভাবে রমযানকে স্বাগত জানাব?

প্রিয় ভাইয়েরা! আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে আমাদেরকে প্রথমে রমযানকে স্বাগত জানাতে হবে। সকল পাপ-গুনাহ থেকে তাওবার মাধ্যমে রমযানকে স্বাগত জানাতে হবে। সকল প্রকার যুলুম অন্যায় থেকে বের হয়ে রমযানকে স্বাগত জানাতে হবে। যাদের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে তাদের কাছে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে রমযানকে স্বাগত জানাতে হবে। ভাল কাজের মাধ্যমে রমযানের দিবস-রজনী যাপনের মানসিকতা নিয়ে রমযানকে স্বাগত জানাতে হবে। এ ধরনের আবেগ অনুভূতির মাধ্যমেই আশাসমূহ পূর্ণ হয়। ব্যক্তি ও সমাজ তাদের সম্মান ফিরে পায়। এর বিপরীতে রমযান যদি কেবলই একটি অন্ধ অনুকরণের বিষয় হয়। কেবলই কিছু সীমিত প্রভাবের নিষ্প্রাণ আচার পালনের নাম হয়। যদি এমন হয় যে রমযানে, পুণ্যের বদলে, পাপ ও বক্রতা কারও কারও জীবনে বেড়ে যায়, তবে এটা নিশ্চয় একটি আত্মিক পরাজয়, এটা নিশ্চয় শয়তানের ক্রীড়া, যার বিরূপ প্রভাব ব্যক্তি ও সমাজের ওপর পড়তে বাধ্য।

এ মহান মাসের আগমনে মুসলিমদের জীবনে আসুক সুখ ও সমৃদ্ধি। সারা পৃথিবীর মুসলিমদের জীবনে এ মহান মৌসুমের আগমনে বয়ে যাক আনন্দের ফল্গুধারা। যারা আনুগত্যশীল, এ মাস তাদের নেক কাজ বাড়িয়ে দেওয়ার মাস। যারা পাপী, তাদের জন্য এ মাস পাপ থেকে ফিরে আসার মাস। মুমিন জান্নাতের দরজাসমূহের উন্মুক্তিতে খুশি না হয়ে পারে না। পাপী, জাহান্নামের দরজাসমূহ এ মাসে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খুশি হবে বই কি। এ এক বিশাল সুযোগ যা থেকে মাহরুম ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ বঞ্চিত হয় না। সিয়াম ও কিয়ামের মাস রমযানের আগমন মুসলিমদের জন্য বিরাট সুখের সংবাদ। অতঃপর হে আল্লাহর বান্দারা আপনারা সিরিয়াস হোন, ঐকান্তিক হোন, সাওমকে কখনো কঠিন ভাববেন না। সাওমের দিবসকে দীর্ঘ মনে করবেন না। সাওম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ থেকে বিরত থাকুন। আত্মিক ও বস্তুকেন্দ্রিক সকল প্রকার সাওমভঙ্গকারী বিষয় থেকে বিরত থাকুন।