১
কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে
লেখকঃ আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
রমযান ও উম্মতের হালত:
প্রিয় ভাইয়েরা! মুসলিমরা বর্তমানে খুব কঠিন কালপর্ব যাপন করছে। সে হিসেবে তাদের উচিত এ সময়টাকে একটা কঠিন সময় হিসেবে নেওয়া। এ মাসটাকে একটা পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণ হিসেবে গণ্য করা। এ মাসে ইখতিলাফ ও মতানৈক্য থেকে নিষ্কৃতির পাওয়ার উপায় খোঁজে নেওয়া জরুরি। ঐক্য-ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্যের বন্ধন মজবুত করা জরুরি। চিন্তা ও মনোজগৎ ও মতামতে পরিবর্তন জরুরি। এ মাসে আমাদের চলার পথ ও পদ্ধতি কুরআন ও সুন্নাহর চাঁচে গড়ে তুলতে হবে। সালাফে সালেহীনের নমুনায় ঢেলে সাজাতে হবে নিজেদেরকে। আর এভাবেই হারিয়ে যাওয়া সোনালি অতীতকে, সম্মান ও মর্যাদার অতীতকে ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে। যে অতীতের বর্ণাঢ্য ইতিহাসের বহু ঘটনা অনুঘটনা নির্মিত হয়েছিল মুবারক এ মাহে রমযানে। বদর, ফতহে মক্কা, হিত্তিন যুদ্ধ, আইন জালুত যুদ্ধসহ আরো বহু অতি উজ্জ্বল ইতিহাস নির্মিত হয়েছিল এ মাসেই।
প্রিয় ভাইয়েরা!
আমাদের এ সম্মানিত মাস আমাদের দ্বারপ্রান্তে। অথচ মুসলিম উম্মাহর দেহে রয়েছে অঝর ধারায় ক্ষরিত হওয়া লহুর বহু জখম। বেদনাবিদ্ধ বহু ঘটনার অনুরণন।
বায়তুল মাকদাসের পড়শী মুসলিমরা কী অবস্থায় এ মাসকে স্বাগত জানাবে? তারা তো ক্রিমিনাল জয়েনিস্টদের ধারালো কুঠারের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত।
যেসব মুসলিম ভাইবোনদেরকে তাদের ঘরবাড়ি, আত্মীয়-স্বজন, সম্পদ থেকে মূলোৎপাটিত করে দেশান্তরিত করা হয়েছে সেই মুসলিম ভাইয়েরা কী হালতে স্বাগত জানাবে মাহে রমযানকে?
ফিলিস্তিন সমস্যার অব্যাহত থাকা, বায়তুল মাকদিস, যা দুই কেবলার মধ্যে প্রথম, যা জিন্ন-ইনসানের সরদারের ইসরার স্থল, যা পবিত্রতম তিন মসজিদের মধ্যে তৃতীয়, সেই বায়তুল মাকদাস এখনো ইসরাঈলদের দখলদারিত্বে থাকা মুসলিমদের জন্য বিরাট এক চ্যালেঞ্জ, বুদ্ধি ও ধর্মীয় আদর্শের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ, আদল-ইনসাফ, শান্তি ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ। মুসলিমরা বহু জায়গায় আধুনিক যুগের নৃশংস যুদ্ধের অনলে জ্বলছে, নিঃশেষ হয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। ক্ষুধা, হত্যা , ভিটামাটি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া ইত্যাদির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থায় তারা কীভাবে যে রমযানকে স্বাগত জানাবে তা ভাববার বিষয়।
প্রিয় ভাইয়েরা!
আমাদের এ সম্মানিত মাস আমাদের দ্বারপ্রান্তে। অথচ মুসলিম উম্মাহর দেহে রয়েছে অঝর ধারায় ক্ষরিত হওয়া লহুর বহু জখম। বেদনাবিদ্ধ বহু ঘটনার অনুরণন।
বায়তুল মাকদাসের পড়শী মুসলিমরা কী অবস্থায় এ মাসকে স্বাগত জানাবে? তারা তো ক্রিমিনাল জয়েনিস্টদের ধারালো কুঠারের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত।
যেসব মুসলিম ভাইবোনদেরকে তাদের ঘরবাড়ি, আত্মীয়-স্বজন, সম্পদ থেকে মূলোৎপাটিত করে দেশান্তরিত করা হয়েছে সেই মুসলিম ভাইয়েরা কী হালতে স্বাগত জানাবে মাহে রমযানকে?
ফিলিস্তিন সমস্যার অব্যাহত থাকা, বায়তুল মাকদিস, যা দুই কেবলার মধ্যে প্রথম, যা জিন্ন-ইনসানের সরদারের ইসরার স্থল, যা পবিত্রতম তিন মসজিদের মধ্যে তৃতীয়, সেই বায়তুল মাকদাস এখনো ইসরাঈলদের দখলদারিত্বে থাকা মুসলিমদের জন্য বিরাট এক চ্যালেঞ্জ, বুদ্ধি ও ধর্মীয় আদর্শের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ, আদল-ইনসাফ, শান্তি ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ। মুসলিমরা বহু জায়গায় আধুনিক যুগের নৃশংস যুদ্ধের অনলে জ্বলছে, নিঃশেষ হয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। ক্ষুধা, হত্যা , ভিটামাটি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া ইত্যাদির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থায় তারা কীভাবে যে রমযানকে স্বাগত জানাবে তা ভাববার বিষয়।