১
সাওম বিষয়ক আধুনিক কিছু মাসআলা
লেখকঃ ফিকহী গবেষণা সেন্টার, আল-ইমাম ইউনিভার্সিটি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
খাদ্যগুণ সমৃদ্ধ ইনজেকশন সাওমে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা [মূল বইয়ের ৪৪৬ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য।]
বিবরণ: কিছু কিছু রোগীকে ইনজেকশনের মাধ্যমে খাবার দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। গ্লুকোজ, লবন ও পানির সমন্বয়ে এটি প্রস্তুত করা হয়। কখনও কখনও এতে ঔষধি উপাদানও যুক্ত করা হয়। রোগীর শিরায় এই ইনজেকশন দেওয়া হয়। ফলে, তা পাকস্থলীতে না যেয়ে সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে। কিন্তু তা পানাহারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে থাকে। সেজন্য, রোগী কোনো প্রকার পানাহার না করে শুধু এর ওপর নির্ভর করেই লম্বা সময় বেঁচে থাকতে পারে। এক্ষণে এসব খাদ্যগুণ সমৃদ্ধ ইনজেকশন কি সাওমে কোনো প্রভাব ফেলবে?
হুকুম: এ ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের দুই ধরণের মত পাওয়া যায়:
প্রথম মত: এই ইনজেকশন সাওম ভঙ্গ করবে। শাইখ আব্দুর রহমান সা‘দী, শাইখ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ উসাইমীনসহ আধুনিক যুগের বেশিরভাগ আলিম এই মত অবলম্বন করেছেন। ‘আন্তর্জাতিক ফিকহ একাডেমী’-ও এই মত সমর্থন করেছে।
তাদের দলীল হচ্ছে, যেহেতু এই ইনজেকশন খাদ্যের কাজ করে, সেহেতু তা সাওম ভঙ্গ করবে।
দ্বিতীয় মত: কতিপয় আলিমের মতে, এই ইনজেকশন সাওম ভঙ্গ করবে না।
তাদের দলীল হচ্ছে, যেহেতু এর কোনো অংশই স্বাভাবিক প্রবেশ পথ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে না, সেহেতু তা সাওম ভঙ্গ করবে না। আর ভেতরে কিছু অংশ গেলেও তা যায় মানবদেহের কূপ দিয়ে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ভেতরে যে অংশ যায়, তা পেট পর্যন্ত পৌঁছে না।
হুকুম: এ ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের দুই ধরণের মত পাওয়া যায়:
প্রথম মত: এই ইনজেকশন সাওম ভঙ্গ করবে। শাইখ আব্দুর রহমান সা‘দী, শাইখ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ উসাইমীনসহ আধুনিক যুগের বেশিরভাগ আলিম এই মত অবলম্বন করেছেন। ‘আন্তর্জাতিক ফিকহ একাডেমী’-ও এই মত সমর্থন করেছে।
তাদের দলীল হচ্ছে, যেহেতু এই ইনজেকশন খাদ্যের কাজ করে, সেহেতু তা সাওম ভঙ্গ করবে।
দ্বিতীয় মত: কতিপয় আলিমের মতে, এই ইনজেকশন সাওম ভঙ্গ করবে না।
তাদের দলীল হচ্ছে, যেহেতু এর কোনো অংশই স্বাভাবিক প্রবেশ পথ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে না, সেহেতু তা সাওম ভঙ্গ করবে না। আর ভেতরে কিছু অংশ গেলেও তা যায় মানবদেহের কূপ দিয়ে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ভেতরে যে অংশ যায়, তা পেট পর্যন্ত পৌঁছে না।