১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
বারো : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম দাতার সালামের উত্তর দান করেন।
عَنْ أِبِي هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَا مِنْ أَحَدٍ يُسَلِّمُ عَلَيَّ إِلاَّ رَدَّ اللهُ عَلَيَّ رُوْحِي حَتَّي أَرُدَّ عَلَيْهِ السَّلاَمَ . ( حسن ، رواه أبوداود ، فضل الصلاة على النبى للألبانى )
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম করে তখন আল্লাহ তা‘আলা আমার রূহ ফিরিয়ে দেন এবং আমি তার সালামের উত্তর দেই।” [আবুদাউদ, হাদিস: ৬ (হাসান)]
বিঃ দ্রঃ- বিভিন্ন হাদীসে দরূদ পাঠের প্রতিদান ভিন্ন ধরণের বর্ণিত আছে। তা বাস্তবে পাঠকারীর ইখলাস, ঈমান ও পরহেজগারী এবং নিয়তের উপর নির্ভরশীল। যার এখলাস যত বেশি হবে, সে সাওয়াব ও তত বেশি পাবে।
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম করে তখন আল্লাহ তা‘আলা আমার রূহ ফিরিয়ে দেন এবং আমি তার সালামের উত্তর দেই।” [আবুদাউদ, হাদিস: ৬ (হাসান)]
বিঃ দ্রঃ- বিভিন্ন হাদীসে দরূদ পাঠের প্রতিদান ভিন্ন ধরণের বর্ণিত আছে। তা বাস্তবে পাঠকারীর ইখলাস, ঈমান ও পরহেজগারী এবং নিয়তের উপর নির্ভরশীল। যার এখলাস যত বেশি হবে, সে সাওয়াব ও তত বেশি পাবে।