১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ শরীফ পাঠ করার গুরুত্ব এক. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনে দরূদ পড়া:
কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য তিনি বদ-দো‘আ করেছেন। প্রমাণ:
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ذَكََرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ ثُمَّ انْسَلَخَ قَبْلَ أَنْ يُغْفَرَ لَهُ ، وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ أَدْرَكَ عِنْدَهُ أَبْوَاهُ الْكِبَرَ فَلَمْ يُدْخِلاَهُ الْجَنَّةَ . ( صحيح ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثالث . (
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক যার কাছে আমার নাম নেওয়া হল কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। সে ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক যার কাছে রমযান মাস আসল কিন্তু সে নিজের পাপ ক্ষমা করাতে পারল না। আর সে ব্যক্তিও লাঞ্চিত হোক যে পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাবস্থায় পেল, কিন্তু তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না। [তিরমিযী: হাদিস: ২৮১০ (সহীহ)]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর দরূদ না পড়লে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদ-দোআ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য জিবরীল আলাইহিস সালাম বদ-দো‘আ করেছেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলেছেন।
عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : أُحْضُرُوْا الْمِنْبَرَ، فَحَضَرْنَا فَلَمَّا ارْتَقَى الدَّرَجَةَ قَالَ : آمِيْنَ ، ثُمَّ ارْتَقَي الدَّرجَةَ الثَّانِيَةَ فَقَالَ : آمِيْنَ ، ثُمَّ ارْتَقَي الدَّرَجَةَ الثَّالِثَةَ فَقَالَ : آمِيْنَ ، فَلَمَّا فَرَغَ نَزَلَ عَنْ الْمِنْبَرِ قَالَ : فَقُلْنَا لَهُ : يَا رَسُوْلَ اللهِ صلي الله عليه وسلم لَقَدْ سَمِعْنَا مِنْكَ الْيَوْمَ شَيْئُا مَا كُنَّا نَسْمَعُهُ . قَالَ : إِنَّ جِبْرِيْلَ عَرَضَ لِي فَقَالَ : بَعُدَ مَنْ أَدْرَكَ رَمَضَانَ فَلَمْ يُغْفَرْ لَهُ ، فَقُلْتُ : آمِيْنَ ، فَلَمَّا رَقِيْتُ الثَّالِثَةَ قَالَ : بَعُدَ مَنْ أَدْرَكَ أَبَوَيْهِ الْكِبَرَأَوْ أَحَدَهُمَا فَلَمْ يُدَخِلاَهَ الْجَنَّةَ . فَقُلْتُ : آمِيْنَ . ( صحيح ، رواه الحاكم ، فضل الصلاة على النبى للألبانى )
“কা‘ব ইবনু উজরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা মিম্বরের কাছে একত্রিত হও। আমরা উপস্থিত হলাম। যখন তিনি মিম্বরের প্রথম স্তরে চড়লেন তখন বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। তারপর যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লেন তখনও বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। তারপর তৃতীয় স্তরে চড়ে আবারও বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। খুতবা শেষে যখন মিম্বর থেকে অবতরণ করলেন, তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আজ আমরা আপনার থেকে এমন কিছু শুনলাম যা এর পূর্বে আর কখনও শুনিনি। তখন তিনি বললেন, আমার কাছে জিবরীল আলাইহিস সালাম এসে বলল, যে ব্যক্তি রমযান পেয়েও তাকে ক্ষমা করা হল না সে বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লাম তখন তিনি বললেন, যার কাছে আপনার নাম উল্লেখ করা হল কিন্তু সে আপনার উপর দরূদ পড়ল না, সেও বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। যখন তৃতীয় স্তরে চড়লাম, তখন তিনি বললেন, যে পিতা-মাতাকে অথবা তাদের কোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েও তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না সেও বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। [হাকিম: হাদিস-১৯। (সহীহ)]
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ذَكََرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ ثُمَّ انْسَلَخَ قَبْلَ أَنْ يُغْفَرَ لَهُ ، وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ أَدْرَكَ عِنْدَهُ أَبْوَاهُ الْكِبَرَ فَلَمْ يُدْخِلاَهُ الْجَنَّةَ . ( صحيح ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثالث . (
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক যার কাছে আমার নাম নেওয়া হল কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। সে ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক যার কাছে রমযান মাস আসল কিন্তু সে নিজের পাপ ক্ষমা করাতে পারল না। আর সে ব্যক্তিও লাঞ্চিত হোক যে পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাবস্থায় পেল, কিন্তু তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না। [তিরমিযী: হাদিস: ২৮১০ (সহীহ)]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর দরূদ না পড়লে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদ-দোআ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য জিবরীল আলাইহিস সালাম বদ-দো‘আ করেছেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলেছেন।
عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : أُحْضُرُوْا الْمِنْبَرَ، فَحَضَرْنَا فَلَمَّا ارْتَقَى الدَّرَجَةَ قَالَ : آمِيْنَ ، ثُمَّ ارْتَقَي الدَّرجَةَ الثَّانِيَةَ فَقَالَ : آمِيْنَ ، ثُمَّ ارْتَقَي الدَّرَجَةَ الثَّالِثَةَ فَقَالَ : آمِيْنَ ، فَلَمَّا فَرَغَ نَزَلَ عَنْ الْمِنْبَرِ قَالَ : فَقُلْنَا لَهُ : يَا رَسُوْلَ اللهِ صلي الله عليه وسلم لَقَدْ سَمِعْنَا مِنْكَ الْيَوْمَ شَيْئُا مَا كُنَّا نَسْمَعُهُ . قَالَ : إِنَّ جِبْرِيْلَ عَرَضَ لِي فَقَالَ : بَعُدَ مَنْ أَدْرَكَ رَمَضَانَ فَلَمْ يُغْفَرْ لَهُ ، فَقُلْتُ : آمِيْنَ ، فَلَمَّا رَقِيْتُ الثَّالِثَةَ قَالَ : بَعُدَ مَنْ أَدْرَكَ أَبَوَيْهِ الْكِبَرَأَوْ أَحَدَهُمَا فَلَمْ يُدَخِلاَهَ الْجَنَّةَ . فَقُلْتُ : آمِيْنَ . ( صحيح ، رواه الحاكم ، فضل الصلاة على النبى للألبانى )
“কা‘ব ইবনু উজরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা মিম্বরের কাছে একত্রিত হও। আমরা উপস্থিত হলাম। যখন তিনি মিম্বরের প্রথম স্তরে চড়লেন তখন বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। তারপর যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লেন তখনও বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। তারপর তৃতীয় স্তরে চড়ে আবারও বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। খুতবা শেষে যখন মিম্বর থেকে অবতরণ করলেন, তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আজ আমরা আপনার থেকে এমন কিছু শুনলাম যা এর পূর্বে আর কখনও শুনিনি। তখন তিনি বললেন, আমার কাছে জিবরীল আলাইহিস সালাম এসে বলল, যে ব্যক্তি রমযান পেয়েও তাকে ক্ষমা করা হল না সে বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লাম তখন তিনি বললেন, যার কাছে আপনার নাম উল্লেখ করা হল কিন্তু সে আপনার উপর দরূদ পড়ল না, সেও বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। যখন তৃতীয় স্তরে চড়লাম, তখন তিনি বললেন, যে পিতা-মাতাকে অথবা তাদের কোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েও তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না সেও বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। [হাকিম: হাদিস-১৯। (সহীহ)]