১
২
কভার পেইজ থেকে
৩
ভূমিকা
৪
কবীরা গুনাহ কী?
৫
১ নং কবীরা গুনাহ: ‘আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা’
৬
২ নং কবীরা গুনাহ: ‘মানুষ হত্যা করা’
৭
৩ নং কবীরা গুনাহ: ‘যাদু’
৮
৪ নং কবীরা গুনাহ: সালাত ত্যাগ করা
৯
৫ নং কাবীরা গুনাহ: যাকাত আদায় না করা
১০
৬ নং কবীরা গুনাহ: সঙ্গত কারণ ছাড়া রমযানের সাওম ভঙ্গ করা বা না রাখা
১১
৭ নং কবীরা গুনাহ: সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ না করা
১২
৮ নং কবীরা গুনাহ: ‘মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া’
১৩
৯ নং কবীরা গুনাহ: আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং নিকট আত্মীয়দের পরিত্যাগ করা
১৪
১০ নং কবীরা গুনাহ: ‘ব্যভিচার করা’
১৫
১১ নং কবীরা গুনাহ: পুং মৈথুন এবং স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গম করা
১৬
১২ নং কবীরা গুনাহ: ‘সুদ খাওয়া’
১৭
১৩ নং কবীরা গুনাহ: ‘ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ করা’
১৮
১৪ নং কবীরা গুনাহ: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের ওপর মিথ্যারোপ করা
১৯
১৫ নং কবীরা গুনাহ: ‘যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা’
২০
১৬ নং কবীরা গুনাহ: শাসক ব্যক্তি কর্তৃক প্রজাদেরকে ধোকা দেওয়া এবং তাদের ওপর অত্যাচার করা
২১
১৭ নং কবীরা গুনাহ: গর্ব, অহংকার, আত্মম্ভরিতা, হট-ধর্মিতা
২২
১৮ নং কবীরা গুনাহ: ‘মিথ্যা সাক্ষী দেওয়া’
২৩
১৯ নং কবীরা গুনাহ: মাদক দ্রব্য সেবন করা
২৪
২০ নং কবীরা গুনাহ: জুয়া খেলা
২৫
২১ নং কবীরা গুনাহ: সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া
২৬
২২ নং কবীরা গুনাহ: গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা
২৭
২৩ নং কবীরা গুনাহ: চুরি করা
২৮
২৪ নং কবীরা গুনাহ: ডাকাতি করা
২৯
২৫ নং কবীরা গুনাহ: মিথ্যা শপথ
৩০
২৬ নং কবীরা গুনাহ: যুলুম, অত্যাচারা করা
৩১
২৭ নং কবীরা গুনাহ: চাঁদাবাজী ও অন্যায় টোল আদায়
৩২
২৮ নং কবীরা গুনাহ: হারাম খাওয়া, তা যে কোনো উপায়ে হোক না কেন
৩৩
২৯ নং কবীরা গুনাহ: আত্মাহত্যা করা
৩৪
৩০ নং কবীরা গুনাহ: অধিকাংশ সময় মিথ্যা বলা
৩৫
৩১ নং কবীরা গুনাহ: মানব রচিত বিধানে দেশ পরিচালনা ও বিচার ফয়সালা করা
৩৬
৩২ নং কবীরা গুনাহ: বিচার ফয়সালার ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ করা
৩৭
৩৩ নং কবীরা গুনাহ: মহিলা পুরুষের বেশ ধারণ করা এবং পুরুষের মহিলার বেশ ধারণ করা
৩৮
৩৪ নং কবীরা গুনাহ: আপন স্ত্রীকে ব্যভিচারে সুযোগ দেওয়া
৩৯
৩৫ নং কবীরা গুনাহ: হালালকারী এবং যার জন্য হালাল করা হয় উভয়ে গুনাহগার
৪০
৩৬ নং কবীরা গুনাহ: পেশাব থেকে বেঁচে না থাকা
৪১
৩৭ নং কবীরা গুনাহ: চতুষ্পদ জন্তুর চেহারা বিকৃতি করা
৪২
৩৮ নং কবীরা গুনাহ: দুনিয়া অর্জনের লক্ষ্যে ইলমে দীন শিক্ষা করা এবং সত্যেকে গোপন করা
৪৩
৩৯ নং কবীরা গুনাহ: খিয়ানত করা
৪৪
৪০ নং কবীরা গুনাহ: খোটা দেওয়া
৪৫
৪১ নং কবীরা গুনাহ: তাকদীরকে অস্বীকার করা
৪৬
৪২ নং কবীরা গুনাহ: মানুষের নিকট অন্যের গোপন তথ্য ফাঁস করা
৪৭
৪৩ নং কবীরা গুনাহ: পরনিন্দা করা
৪৮
৪৪ নং কবীরা গুনাহ: অভিশাপ করা
৪৯
৪৫ নং কবীরা গুনাহ: গাদ্দারী করা, ওয়াদা পালন না করা
৫০
৪৬ নং কবীর গুনাহ: গণক ও জ্যোতির্বিদদের বিশ্বাস করা
৫১
৪৭ নং কবীরা গুনাহ: স্বামীর অবাধ্য হওয়া
৫২
৪৮ নং কবীরাগুনাহ: কাপড় , দেওয়াল ও পাথর ইত্যাদিতে প্রাণীর ছবি আঁকা
৫৩
৪৯ নং কবীরা গুনাহ: শোক প্রকাশার্থে চেহারার উপর আঘাত করা, মাতম করা, কাপড় ছেড়া, মাথা মুণ্ডানো…
৫৪
৫০ নং কবীরা গুনাহ: অন্যায়ভাবে বিদ্রোহ করা
৫৫
৫১ নং কবীরা গুনাহ: দুর্বল, চাকর-চাকরানী, স্ত্রী ও চতুষ্পদ জন্তুর ওপর অত্যাচার করা
৫৬
৫২ নং কবীরা গুনাহ: প্রতিবেশীদের কষ্ট দেওয়া
৫৭
৫৩ নং কবীরা গুনাহ: মুসলিমদের কষ্ট দেওয়া ও গালি দেওয়া
৫৮
৫৪ নং কবীরা গুনাহ: অহংকার করে লুঙ্গি কাপড় ইত্যাদি ঝুলিয়ে পরিধান করা
৫৯
৫৫ নং কবীরা গুনাহ: স্বর্ণ রৌপ্যের পাত্রে পানাহার করা
৬০
৫৬ নং কবীরা গুনাহ: পুরুষের স্বর্ণ ও রেশমী কাপড় পরিধান করা
৬১
৫৭ নং কবীরা গুনাহ: গোলামের পলায়ন করা
৬২
৫৮ নং কবীরা গুনাহ: আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো উদ্দেশে পশু যবেহ করা
৬৩
৫৯ নং কবীরা গুনাহ: জেনে শুনে অন্যকে পিতা বলে স্বীকৃতি দেওয়া
৬৪
৬০ নং কবীরা গুনাহ: তর্ক-বির্তক, ঝগড়া এবং শত্রুতা পোষণ করা
৬৫
৬১ নং কবীরা গুনাহ: প্রয়োজনের অতিক্তি পানি দান করতে অস্বীকার করা
৬৬
৬২ নং কবীরা গুনাহ: ওজনে ও মাপে কম দেওয়া
৬৭
৬৩ নং কবীরা গুনাহ: আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিশ্চিত হওয়া
৬৮
৬৪ নং কবীরা গুনাহ: মৃত জন্তু, প্রবহিত রক্ত এবং শুকরের গোশত খাওয়া
৬৯
৬৫ নং কবীর গুনাহ: জুমু‘আর সালাত ও জামা‘আত চেড়ে দিয়ে বিনা কারণে একা একা সালাত আদায় করা
৭০
৬৬ নং কবীরা গুনাহ: আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া
৭১
৬৭ নং কবীরা গুনাহ: মুসলিমকে কাফির বলে আখ্যায়িত করা
৭২
৬৮ নং কবীরা গুনাহ: ষড়যন্ত্র করা এবং ধোক দেওয়া
৭৩
৬৯ নং কবীরা গুনাহ: মুসলিমদের ত্রুটি-বিচ্যুতি তালাশ করা এবং তাদের গোপন তথ্য প্রকাশ করা
৭৪
৭০ নং কবীরা গুনাহ: কোনো সাহাবীকে গালি দেওয়া
৭৫
৭১ নং কবীরা গুনাহ: অন্যায় বিচার
৭৬
৭২ নং কবীরা গুনাহ: ঝগড়া করার সময় অতিরিক্ত গালি দেওয়া
৭৭
৭৩ নং কবীরা গুনাহ: কোনো বংশ বা তার লোকদের খারাপ গুণে অভিহিত করা
৭৮
৭৪ নং কবীরা গুনাহ: মৃত ব্যক্তির জন্য আনুষ্ঠানিক ও উচ্চ শব্দে কান্নাকাটি করা
৭৯
৭৫ নং কবীরা গুনাহ: যমীনের সীমানা উঠিয়ে ফেলা বা পরিবর্তন করা
৮০
৭৬ নং কবীরা গুনাহ: অপসংস্কৃতি ও কু-প্রথার প্রচলন করা অথবা বিভ্রান্তির দিকে আহ্বান করা
৮১
৭৭ নং কবীরা গুনাহ: নারী অন্যের চুল ব্যবহার করা, শরীরে উলকি আকা, ভ্রু উপড়ানো, দাত ফাক করা
৮২
৭৮ নং কবীরা গুানাহ: ধারালো অস্ত্র দিয়ে কারো দিকে ইশারা করা
৮৩
৭৯ নং কবীরা গুনাহ: হারাম শরীফে ধর্মদ্রোহী কাজ করা
কবীরা গুনাহ
লেখকঃ ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৯
২৫ নং কবীরা গুনাহ: মিথ্যা শপথ
মিথ্যা শপথ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«من خلف على يمين صبر يقطع بها مال امرئ مسلم وهو فيها فاجر لقي الله وهو عليه غضبان»
“যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথ করে এবং তা দ্বারা কোনো মুসলিমের সম্পদকে অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করে সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার ওপর ক্রোধান্বিত।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৬৪৭।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الكبائر : الإشراك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس واليمين الغموس» .
“কবীরা গুনাহ হলো আল্লাহর সাথে শরীক করা । মাতা-পিতার নাফরমানী করা, হত্যা করা ও মিথ্যা শপথ করা”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১৮২।]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«من خلف على يمين صبر يقطع بها مال امرئ مسلم وهو فيها فاجر لقي الله وهو عليه غضبان»
“যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথ করে এবং তা দ্বারা কোনো মুসলিমের সম্পদকে অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করে সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার ওপর ক্রোধান্বিত।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৬৪৭।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الكبائر : الإشراك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس واليمين الغموس» .
“কবীরা গুনাহ হলো আল্লাহর সাথে শরীক করা । মাতা-পিতার নাফরমানী করা, হত্যা করা ও মিথ্যা শপথ করা”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১৮২।]
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
রিডিং সেটিংস
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Madinah Mushaf (Qcf V1)
Kfgq Hafs
Indopak
Scheherazade
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
25
16
সাধারণ সেটিংস
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন