১
কবীরা গুনাহ
লেখকঃ ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
৪৫ নং কবীরা গুনাহ: গাদ্দারী করা, ওয়াদা পালন না করা
গাদ্দারী করা, ওয়াদা পালন না করা
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أربع من كن فيه ان ممنافقا خالصا ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النقثاق حتى يدعها إذا ائتمن خان وإذا حدث كذب وإذا عاهد غدر واذا خاصم فجر» .
“চারটি দোষ যার মথ্যে পাওয়া যাবে সে খাঁটি মুনাফিক হবে। আর যার মধ্যে এর একটি পাওয়া যাবে তার মধ্যে মুনাফিকের একটি চরিত্র পাওয়া গেল। যতক্ষণ পর্যন্ত যে উক্ত অভ্যাস ত্যাগ না করে। যখন আমানত রাখার হয় সে খেয়ানত করে আর যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন প্রতিজ্ঞা করে তখন গাদ্দারী করে আর যখন ঝগড়া করে তখন গালি দেয়।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لكل غادر لواء يوم القيامة، يرفع له بقدر غدرةه، ألا ولا غادر أعظم غدرا من أمير عامة» .
“প্রত্যেক ওয়াদা অঙ্গকারীর জন্যে কিয়ামতের দিন একটি নিদর্শন থাকবে তার গাদ্দারীর পরিমাণ অনুযায়ী তাকে উচ্চ করা হবে। তবে জনগণের সাথে প্রতারণাকারী শাসকে চেয়ে বড় গাদ্দার আর কেউ হবে না।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৭২।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أربع من كن فيه ان ممنافقا خالصا ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النقثاق حتى يدعها إذا ائتمن خان وإذا حدث كذب وإذا عاهد غدر واذا خاصم فجر» .
“চারটি দোষ যার মথ্যে পাওয়া যাবে সে খাঁটি মুনাফিক হবে। আর যার মধ্যে এর একটি পাওয়া যাবে তার মধ্যে মুনাফিকের একটি চরিত্র পাওয়া গেল। যতক্ষণ পর্যন্ত যে উক্ত অভ্যাস ত্যাগ না করে। যখন আমানত রাখার হয় সে খেয়ানত করে আর যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন প্রতিজ্ঞা করে তখন গাদ্দারী করে আর যখন ঝগড়া করে তখন গালি দেয়।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لكل غادر لواء يوم القيامة، يرفع له بقدر غدرةه، ألا ولا غادر أعظم غدرا من أمير عامة» .
“প্রত্যেক ওয়াদা অঙ্গকারীর জন্যে কিয়ামতের দিন একটি নিদর্শন থাকবে তার গাদ্দারীর পরিমাণ অনুযায়ী তাকে উচ্চ করা হবে। তবে জনগণের সাথে প্রতারণাকারী শাসকে চেয়ে বড় গাদ্দার আর কেউ হবে না।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৭২।]