১
ঈদে মীলাদুন্নবী
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
যে কারণে ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করা যাবে না
প্রথমত:
ইসলাম পরিপূর্ণ দীন। কুরআন ও হাদীসের কোথাও ঈদে-মীলাদ পালন করতে বলা হয় নি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবায়ে কেরাম বা তাবেঈন কখনো এটি পালন করেন নি। তাই এটি বিদ‘আত ও গোমরাহী।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ»
‘‘আমাদের এ দীনে যে নতুন কোনো বিষয় প্রচলন করবে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।’’ [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৯৭; মুসলিম, হাদীস নং ১৭১৮।]
তিনি আরো বলেন,
«وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ»
‘‘সাবধান! ধর্মে প্রবর্তিত নতুন বিষয় থেকে সর্বদা দূরে থাকবে। কেননা নব-প্রবর্তিত প্রতিটি বিষয় হলো বিদ‘আত ও প্রতিটি বিদ‘আত হলো পথভ্রষ্ঠতা।’’ [আবূ দাঊদ, হাদীস নং ৪৬০৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১৭১৮৪।]
দ্বিতীয়ত:
ঈদে মীলাদুন্নবী হলো খৃষ্টানদের বড় দিন, হিন্দুদের জন্মাষ্ঠমী ও বৌদ্ধদের বৌদ্ধ-পূর্ণিমার অনুকরণ। ধর্মীয় বিষয়ে তাদের আচার-অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করা ঈমানের দাবী। অথচ ঈদে-মীলাদ পালনের মাধ্যমে তাদের বিরোধিতা না করে অনুসরণ করা হয়।
তৃতীয়ত:
সর্বসম্মতভাবে ১২ই রবিউল আউয়াল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু দিবস। এতে কারো দ্বিমত নেই ও কোনো সন্দেহ নেই। এ দিনে মুসলিম উম্মাহ ও সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন। এসব জেনে-শুনে ঠিক এ দিনটিতে ঈদ তথা আনন্দ-উৎসব পালন করা চরম বেঈমানী ও নবীর শানে বেয়াদবী ভিন্ন অন্য কিছু হতে পারে না।
চতুর্থত:
মীলাদুন্নবী পালন করে অনেকে মনে করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি তাদের দায়ীত্ব-কর্তব্য আদায় হয়ে গেছে। তাই তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত ও আদর্শের প্রতি কোনো খেয়াল রাখেন না; বরং তারা সীরাতুন্নবী নামের শব্দটাও বরদাশদ করতে রাজী নয়।
পঞ্চমত:
আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক নির্ধারিত ইসলামের দু’ঈদের সাথে তৃতীয় আরেকটি ঈদ সংযোজন করা দীন ইসলাম বিকৃত করার একটা অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।
ইসলাম পরিপূর্ণ দীন। কুরআন ও হাদীসের কোথাও ঈদে-মীলাদ পালন করতে বলা হয় নি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবায়ে কেরাম বা তাবেঈন কখনো এটি পালন করেন নি। তাই এটি বিদ‘আত ও গোমরাহী।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ»
‘‘আমাদের এ দীনে যে নতুন কোনো বিষয় প্রচলন করবে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।’’ [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৯৭; মুসলিম, হাদীস নং ১৭১৮।]
তিনি আরো বলেন,
«وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ»
‘‘সাবধান! ধর্মে প্রবর্তিত নতুন বিষয় থেকে সর্বদা দূরে থাকবে। কেননা নব-প্রবর্তিত প্রতিটি বিষয় হলো বিদ‘আত ও প্রতিটি বিদ‘আত হলো পথভ্রষ্ঠতা।’’ [আবূ দাঊদ, হাদীস নং ৪৬০৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১৭১৮৪।]
দ্বিতীয়ত:
ঈদে মীলাদুন্নবী হলো খৃষ্টানদের বড় দিন, হিন্দুদের জন্মাষ্ঠমী ও বৌদ্ধদের বৌদ্ধ-পূর্ণিমার অনুকরণ। ধর্মীয় বিষয়ে তাদের আচার-অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করা ঈমানের দাবী। অথচ ঈদে-মীলাদ পালনের মাধ্যমে তাদের বিরোধিতা না করে অনুসরণ করা হয়।
তৃতীয়ত:
সর্বসম্মতভাবে ১২ই রবিউল আউয়াল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু দিবস। এতে কারো দ্বিমত নেই ও কোনো সন্দেহ নেই। এ দিনে মুসলিম উম্মাহ ও সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন। এসব জেনে-শুনে ঠিক এ দিনটিতে ঈদ তথা আনন্দ-উৎসব পালন করা চরম বেঈমানী ও নবীর শানে বেয়াদবী ভিন্ন অন্য কিছু হতে পারে না।
চতুর্থত:
মীলাদুন্নবী পালন করে অনেকে মনে করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি তাদের দায়ীত্ব-কর্তব্য আদায় হয়ে গেছে। তাই তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত ও আদর্শের প্রতি কোনো খেয়াল রাখেন না; বরং তারা সীরাতুন্নবী নামের শব্দটাও বরদাশদ করতে রাজী নয়।
পঞ্চমত:
আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক নির্ধারিত ইসলামের দু’ঈদের সাথে তৃতীয় আরেকটি ঈদ সংযোজন করা দীন ইসলাম বিকৃত করার একটা অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।