১
কুফুরের পরিণতি
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
(৯) সে প্রকৃত জীবন থেকে বঞ্চিত হয়:
কারণ, পার্থিব জীবনের যোগ্য মানুষ তো সেই, যে তার প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তার উদ্দেশ্যকে জানতে পারে, তার গন্তব্য তার জন্য স্পষ্ট এবং সে তার পুনরুত্থানকে বিশ্বাস করে। অতএব, সে প্রত্যেক হকদারের হক সম্পর্কে অবহিত, কোনো হককেই সে অবজ্ঞা করে না এবং কোনো সৃষ্টিজীবকে কষ্ট দেয় না। ফলে সে সুখীদের মতো জীবন-যাপন করে এবং দুনিয়া ও আখেরাতে সুন্দর জীবন লাভ করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿مَنۡ عَمِلَ صَٰلِحٗا مِّن ذَكَرٍ أَوۡ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤۡمِنٞ فَلَنُحۡيِيَنَّهُۥ حَيَوٰةٗ طَيِّبَةٗۖ وَلَنَجۡزِيَنَّهُمۡ أَجۡرَهُم بِأَحۡسَنِ مَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ٩٧﴾ [ النحل : ٩٧ ]
“মুমিন হয়ে পুরুষ অথবা নারীর মধ্যে যে কেউ সৎ কর্ম করবে, আমরা তাকে অবশ্যই আনন্দময় জীবন দান করব”। [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৯৭] আর আখেরাতে রয়েছে,
﴿وَمَسَٰكِنَ طَيِّبَةٗ فِي جَنَّٰتِ عَدۡنٖۚ ذَٰلِكَ ٱلۡفَوۡزُ ٱلۡعَظِيمُ ١٢ ﴾ [ الصف : ١٢ ]
“স্থায়ী জান্নাতের (আদন নামক জান্নাতের) উত্তম বাসগৃহ। এটাই মহা সাফল্য”। [সূরা আস-সফ, আয়াত: ১২] পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এই পার্থিব জীবনে চতুষ্পদ জানোয়ারের মতো জীবন-যাপন করে; অতএব সে তার প্রতিপালককে চেনে না এবং সে জানে না যে তার উদ্দেশ্য কী এবং এও জানে না যে, তার গন্তব্যস্থল কোথায়? বরং তার উদ্দেশ্য হলো খাবে, পান করবে এবং ঘুমাবে। তাহলে তার মাঝে এবং সমস্ত জীব-জানোয়ারের মাঝে কি পার্থক্য? বরং সে তাদের চেয়ে বেশি বড় বিপথগামী। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَلَقَدۡ ذَرَأۡنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡجِنِّ وَٱلۡإِنسِۖ لَهُمۡ قُلُوبٞ لَّا يَفۡقَهُونَ بِهَا وَلَهُمۡ أَعۡيُنٞ لَّا يُبۡصِرُونَ بِهَا وَلَهُمۡ ءَاذَانٞ لَّا يَسۡمَعُونَ بِهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡغَٰفِلُونَ ١٧٩﴾ [ الاعراف : ١٧٨ ]
“আর অবশ্যই আমরা বহু জিন্ন ও মানুষকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি, তাদের হৃদয় রয়েছে; কিন্তু তারা তা দ্বারা উপলদ্ধি করে না, তাদের চক্ষু রয়েছে; কিন্তু তারা তা দ্বারা দেখে না, তাদের কর্ণ রয়েছে; কিন্তু তা দ্বারা তারা শোনে না, তারাই হলো পশুর ন্যায়; বরং তা অপেক্ষাও অধিক বিভ্রান্ত, তারাই হলো গাফেল বা অমনোযোগী।” [সূরা আল-আ‘রাফ আয়াত: ১৭৯]
তিনি আরও বলেন,
﴿أَمۡ تَحۡسَبُ أَنَّ أَكۡثَرَهُمۡ يَسۡمَعُونَ أَوۡ يَعۡقِلُونَۚ إِنۡ هُمۡ إِلَّا كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّ سَبِيلًا ٤٤﴾ [ الفرقان : ٤٤ ]
“আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ শোনে ও বোঝে? তারা তো পশুর মতো বরং তারা আরও বেশি পথভ্রষ্ট।” [সূরা আল-ফুরক্বান, আয়াত: ৪৪]
﴿مَنۡ عَمِلَ صَٰلِحٗا مِّن ذَكَرٍ أَوۡ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤۡمِنٞ فَلَنُحۡيِيَنَّهُۥ حَيَوٰةٗ طَيِّبَةٗۖ وَلَنَجۡزِيَنَّهُمۡ أَجۡرَهُم بِأَحۡسَنِ مَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ٩٧﴾ [ النحل : ٩٧ ]
“মুমিন হয়ে পুরুষ অথবা নারীর মধ্যে যে কেউ সৎ কর্ম করবে, আমরা তাকে অবশ্যই আনন্দময় জীবন দান করব”। [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৯৭] আর আখেরাতে রয়েছে,
﴿وَمَسَٰكِنَ طَيِّبَةٗ فِي جَنَّٰتِ عَدۡنٖۚ ذَٰلِكَ ٱلۡفَوۡزُ ٱلۡعَظِيمُ ١٢ ﴾ [ الصف : ١٢ ]
“স্থায়ী জান্নাতের (আদন নামক জান্নাতের) উত্তম বাসগৃহ। এটাই মহা সাফল্য”। [সূরা আস-সফ, আয়াত: ১২] পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এই পার্থিব জীবনে চতুষ্পদ জানোয়ারের মতো জীবন-যাপন করে; অতএব সে তার প্রতিপালককে চেনে না এবং সে জানে না যে তার উদ্দেশ্য কী এবং এও জানে না যে, তার গন্তব্যস্থল কোথায়? বরং তার উদ্দেশ্য হলো খাবে, পান করবে এবং ঘুমাবে। তাহলে তার মাঝে এবং সমস্ত জীব-জানোয়ারের মাঝে কি পার্থক্য? বরং সে তাদের চেয়ে বেশি বড় বিপথগামী। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَلَقَدۡ ذَرَأۡنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡجِنِّ وَٱلۡإِنسِۖ لَهُمۡ قُلُوبٞ لَّا يَفۡقَهُونَ بِهَا وَلَهُمۡ أَعۡيُنٞ لَّا يُبۡصِرُونَ بِهَا وَلَهُمۡ ءَاذَانٞ لَّا يَسۡمَعُونَ بِهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡغَٰفِلُونَ ١٧٩﴾ [ الاعراف : ١٧٨ ]
“আর অবশ্যই আমরা বহু জিন্ন ও মানুষকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি, তাদের হৃদয় রয়েছে; কিন্তু তারা তা দ্বারা উপলদ্ধি করে না, তাদের চক্ষু রয়েছে; কিন্তু তারা তা দ্বারা দেখে না, তাদের কর্ণ রয়েছে; কিন্তু তা দ্বারা তারা শোনে না, তারাই হলো পশুর ন্যায়; বরং তা অপেক্ষাও অধিক বিভ্রান্ত, তারাই হলো গাফেল বা অমনোযোগী।” [সূরা আল-আ‘রাফ আয়াত: ১৭৯]
তিনি আরও বলেন,
﴿أَمۡ تَحۡسَبُ أَنَّ أَكۡثَرَهُمۡ يَسۡمَعُونَ أَوۡ يَعۡقِلُونَۚ إِنۡ هُمۡ إِلَّا كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّ سَبِيلًا ٤٤﴾ [ الفرقان : ٤٤ ]
“আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ শোনে ও বোঝে? তারা তো পশুর মতো বরং তারা আরও বেশি পথভ্রষ্ট।” [সূরা আল-ফুরক্বান, আয়াত: ৪৪]