১
পবিত্র কুরআনের আলোকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাত
লেখকঃ ড. মোঃ আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
২। সত্যের সাক্ষ্যদাতা
সত্য ও সুন্দরকে গ্রহণ করা মানুষের ফিতরাত বা স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত। ইসলাম মানুষকে সত্যের পথে আমরণ থাকার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সত্যের সাক্ষ্যরূপে নমুনা পেশ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে থাকে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যের বাস্তব নমুনার মূর্ত প্রতীকরূপে সাক্ষ্যদাতা হিসেবে সমাজে সমাদৃত ছিলেন। এ মর্মে আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّآ أَرۡسَلۡنَآ إِلَيۡكُمۡ رَسُولٗا شَٰهِدًا عَلَيۡكُمۡ كَمَآ أَرۡسَلۡنَآ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ رَسُولٗا ١٥﴾ [ المزمل : ١٥ ]
‘‘আমি তোমাদের প্রতি রাসূল পাঠিয়েছি সত্যের সাক্ষ্যরূপে, যেমন সাক্ষ্যরূপে রাসূল পাঠিয়েছিলাম ফির‘আউনের প্রতি।’’ [সূরা আল-মুজ্জাম্মিল, আয়াত: ১৫]
এই শাহাদাত মূলতঃ দাওয়াতেরই একটা বাস্তব রূপ। জীবন্ত নমুনা পেশ করার মাধ্যমে যুগে যুগে নবী রাসূলগণ তাদের দাওয়াতকে মানুষের সামনে বোধগম্য ও অনুসরণ-যোগ্য বানাবার চেষ্টা করেছেন। তারা সবাই দুই উপায়ে এ সাক্ষ্য প্রদান করেন।
এক. তারা আল্লাহর দীনের পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন, এটা মৌখিক সাক্ষ্য।
দুই. তারা যা বলেছেনে তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। এটা বাস্তব সাক্ষ্য।
মক্কী জীবনের চরম প্রতিকুল পরিবেশে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অল্প সংখ্যক সাথী পেয়েছিলেন তারা আল্লাহর নবীর দাওয়াত কবুল করে নিজেরাও দাওয়াতের কাজে আত্মনিয়োগ করেন এবং এ দাওয়াতের কাজে নিজেদের বাস্তব সাক্ষ্যরূপে গড়ে তোলেন। এরই ফলশ্রুতিতে শাহাদাত আলান্নাস উম্মতে মুহাম্মাদীর অন্যতম দায়িত্বও বটে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَكَذَٰلِكَ جَعَلۡنَٰكُمۡ أُمَّةٗ وَسَطٗا لِّتَكُونُواْ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ وَيَكُونَ ٱلرَّسُولُ عَلَيۡكُمۡ شَهِيدٗا﴾ [ البقرة : ١٤٣ ]
“এভাবে আমরা তোমাদের একটি উত্তম জাতিরূপে গড়ে তুলেছি, যাতে করে তোমরা গোটা মানব জাতির জন্য সত্যের সাক্ষ্যদাতা হতে পার এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন তোমাদের সাক্ষ্য বা নমুনা হন।’’ [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৪৩]
﴿إِنَّآ أَرۡسَلۡنَآ إِلَيۡكُمۡ رَسُولٗا شَٰهِدًا عَلَيۡكُمۡ كَمَآ أَرۡسَلۡنَآ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ رَسُولٗا ١٥﴾ [ المزمل : ١٥ ]
‘‘আমি তোমাদের প্রতি রাসূল পাঠিয়েছি সত্যের সাক্ষ্যরূপে, যেমন সাক্ষ্যরূপে রাসূল পাঠিয়েছিলাম ফির‘আউনের প্রতি।’’ [সূরা আল-মুজ্জাম্মিল, আয়াত: ১৫]
এই শাহাদাত মূলতঃ দাওয়াতেরই একটা বাস্তব রূপ। জীবন্ত নমুনা পেশ করার মাধ্যমে যুগে যুগে নবী রাসূলগণ তাদের দাওয়াতকে মানুষের সামনে বোধগম্য ও অনুসরণ-যোগ্য বানাবার চেষ্টা করেছেন। তারা সবাই দুই উপায়ে এ সাক্ষ্য প্রদান করেন।
এক. তারা আল্লাহর দীনের পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন, এটা মৌখিক সাক্ষ্য।
দুই. তারা যা বলেছেনে তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। এটা বাস্তব সাক্ষ্য।
মক্কী জীবনের চরম প্রতিকুল পরিবেশে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অল্প সংখ্যক সাথী পেয়েছিলেন তারা আল্লাহর নবীর দাওয়াত কবুল করে নিজেরাও দাওয়াতের কাজে আত্মনিয়োগ করেন এবং এ দাওয়াতের কাজে নিজেদের বাস্তব সাক্ষ্যরূপে গড়ে তোলেন। এরই ফলশ্রুতিতে শাহাদাত আলান্নাস উম্মতে মুহাম্মাদীর অন্যতম দায়িত্বও বটে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَكَذَٰلِكَ جَعَلۡنَٰكُمۡ أُمَّةٗ وَسَطٗا لِّتَكُونُواْ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ وَيَكُونَ ٱلرَّسُولُ عَلَيۡكُمۡ شَهِيدٗا﴾ [ البقرة : ١٤٣ ]
“এভাবে আমরা তোমাদের একটি উত্তম জাতিরূপে গড়ে তুলেছি, যাতে করে তোমরা গোটা মানব জাতির জন্য সত্যের সাক্ষ্যদাতা হতে পার এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন তোমাদের সাক্ষ্য বা নমুনা হন।’’ [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৪৩]