১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া
লেখকঃ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
আহকাম তথা বিধি-বিধান সাব্যস্ত করার গ্রহণযোগ্য মূল উৎসসমূহ প্রথম মূল উৎস: আল্লাহর কিতাব
প্রথম মূল উৎস হচ্ছে, আল্লাহর কিতাব, আল্লাহর কিতাবের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা আল্লাহর কিতাবের অনুসরণ করা, আল্লাহর কিতাবকে আঁকড়ে ধরা এবং আল্লাহ প্রদত্ত সীমানার সামনে অবস্থান করা ফরয হওয়া প্রমাণিত।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ ٱتَّبِعُواْ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكُم مِّن رَّبِّكُمۡ وَلَا تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِۦٓ أَوۡلِيَآءَۗ قَلِيلٗا مَّا تَذَكَّرُونَ ٣ ﴾ [ الاعراف : ٣ ]
“তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর”। [সূরা আ‘রাফ, আয়াত: ৩]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَهَٰذَا كِتَٰبٌ أَنزَلۡنَٰهُ مُبَارَكٞ فَٱتَّبِعُوهُ وَٱتَّقُواْ لَعَلَّكُمۡ تُرۡحَمُونَ ١٥٥ ﴾ [ الانعام : ١٥٥ ]
“আর এটি কিতাব- যা আমি নাযিল করেছি- বরকতময়। সুতরাং, তোমরা তার অনুসরণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর; যাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হও”। [সূরা আন‘আম, আয়াত: ১৫৫]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿ قَدۡ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٞ وَكِتَٰبٞ مُّبِينٞ ١٥ يَهۡدِي بِهِ ٱللَّهُ مَنِ ٱتَّبَعَ رِضۡوَٰنَهُۥ سُبُلَ ٱلسَّلَٰمِ وَيُخۡرِجُهُم مِّنَ ٱلظُّلُمَٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذۡنِهِۦ وَيَهۡدِيهِمۡ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ١٦ ﴾ [ المائدة : ١٥، ١٦ ]
“অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদেরকে শান্তির পথ দেখান, যারা তার সন্তুষ্টি অনুসরণ করে এবং তার অনুমতিতে তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করেন। আর তাদেরকে সরল পথের দিকে হিদায়াত দেন”। [সূরা মায়েদা, আয়াত: ১৫, ১৬]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِٱلذِّكۡرِ لَمَّا جَآءَهُمۡۖ وَإِنَّهُۥ لَكِتَٰبٌ عَزِيزٞ ٤١ لَّا يَأۡتِيهِ ٱلۡبَٰطِلُ مِنۢ بَيۡنِ يَدَيۡهِ وَلَا مِنۡ خَلۡفِهِۦۖ تَنزِيلٞ مِّنۡ حَكِيمٍ حَمِيدٖ ٤٢﴾ [ فصلت : ٤١، ٤٢ ]
“নিশ্চয় যারা উপদেশ [কুরআন] আসার পরও তা অস্বীকার করে, [তাদেরকে অবশ্যই এর পরিণাম ভোগ করতে হবে] আর নিশ্চয় এক সম্মানিত গ্রন্থ। বাতিল এতে অনুপ্রবেশ করতে পারে না, না সামনে থেকে না পিছন থেকে। এটি প্রজ্ঞাময়, স-প্রশংসিতের পক্ষ থেকে নাযিল কৃত”। [সূরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৪১, ৪২]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَأُوحِيَ إِلَيَّ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانُ لِأُنذِرَكُم بِهِۦ وَمَنۢ بَلَغَۚ١٩﴾ [ الانعام : ١٩ ]
“আর এ কুরআন আমার কাছে ওহী করে পাঠানো হয়েছে যেন তোমাদেরকে ও যার কাছে এটা পৌছবে তাদেরকে এর মাধ্যমে আমি সতর্ক করি”। [সূরা আন‘আম, আয়াত: ১৯]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿ هَٰذَا بَلَٰغٞ لِّلنَّاسِ وَلِيُنذَرُواْ بِهِۦ٥٢ ﴾ [ ابراهيم : ٥٢ ]
“এটা মানুষের জন্য পয়গাম। আর যা দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা হয়”। [সূরা ইবরাহীম, আয়াত: ৫২]
উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও এ বিষয়ে আরও অনেক আয়াতই বিদ্যমান আছে।
আর এ বিষয়ে বহু বিশুদ্ধ হাদিসও অনেক রয়েছে, যাতে আল্লাহর কিতাবকে মজবুত করে ধরার এবং অনুসরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে; যাতে প্রমাণিত হয়, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবকে মজবুত করে আঁকড়ে ধরবে, সে হিদায়াতের উপর থাকবে, আর যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবকে বর্জন করবে, সে গোমরাহ হবে।
তন্মধ্য থেকে কিছু হাদিস:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজের ভাষণে সমবেত সাহাবীদের সম্বোধন করে বলেন,
« إِنِّي تاركٌ فيكُمْ مَا لَنْ تضلوا إِن اعْتَصَمْتُمْ بِهِ كِتَابَ اللهِ »، رواه مسلم في صحيحه
“আমি তোমাদের নিকট এমন একটি বস্তু রেখে যাচ্ছি, যদি তোমরা তাকে মজবুত করে পাকড়াও কর, তবে তোমরা কখনোই গোমরাহ হবে না। তা হল আল্লাহর কিতাব”। [মুসলিম, হজ অধ্যায়; হাদিস: ১২১৮, আবুদাউদ, মানাসেক অধ্যায়, হাদিস: ১৯০৫, ইবন মাজাহ, মানাসেক অধ্যায়, হাদিস: ৩০৭৪]
সহীহ মুসলিমে যায়েদ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে আরও বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنِّي تارك فِيكُمْ ثِقْلَين أَوَّلهُما كِتابُ الله فيهِ الهُدَى والنُّور فَخُذوا بِكتَابِ اللهِ وَتَمَسّكُوا بِهِ »
“আমি তোমাদের মধ্যে দুটি বিষয় রেখে যাব, তার একটি হল, আল্লাহর কিতাব, তাতে রয়েছে হিদায়াত ও নূর। তোমরা আল্লাহর কিতাবকে আঁকড়ে ধর এবং তার প্রতি অবিচল থাক”। [মুসলিম, ফাযায়েলে সাহাবা অধ্যায়, হাদিস: ২৪০৮, আহমদ, হাদিস: ৩৬৭/৪, দারেমী, ফাযায়েলে কুরআন অধ্যায়, ৩৩১৬] হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কিতাবের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেন এবং আকৃষ্ট করেন। তারপর তিনি বলেন,
«وَأَهْلُ بَيْتي أذَكِّركُمُ الله في أهل بيتي أذكركم الله في أهل بيتي »
“এবং আমার আহলে বাইত। আমার পরিবার পরিজন সম্পর্কে আমি তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমার পরিবার পরিজন সম্পর্কে আমি তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই”। [মুসলিম, ফাযায়েলে সাহাবা অধ্যায়, হাদিস: ২৪০৮, আহমদ, হাদিস: ৩৬৭/৪, দারেমী ফাযায়েলে কুরআন অধ্যায়, হাদিস: ৩৩১৬]
অপর শব্দে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সম্পর্কে বলেন,
«هو حبل الله من تمسك به كان على الهدى ومن تركه كان على الضلال» .
“এটি আল্লাহর রশি, যে তাকে মজবুত করে ধরবে, সে হিদায়াতের উপর থাকবে আর যে ব্যক্তি তাকে ছেড়ে দেবে-মজবুত করে ধরবে না- সে অবশ্যই গোমরাহির উপর থাকবে”। [মুসলিম, ফাযায়েলে সাহাবা অধ্যায়, হাদিস: ২৪০৮, আহমদ, হাদিস: ৩৬৭/৪, দারেমী ফাযায়েলে কুরআন অধ্যায়, হাদিস: ৩৩১৬] এ বিষয়ে আরও অনেক হাদিস বিদ্যমান। আল্লাহর কিতাবকে মজবুত করে ধরা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ্সহ আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার ফায়সালা করা ফরয হওয়ার বিষয়ে সাহাবী ও তাদের পরবর্তী জ্ঞানী ও ঈমানদারগণের ঐকমত্য দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা এর উপর দলীল-প্রমাণাদি পেশ করে আলোচনার পরিমণ্ডল দীর্ঘায়িত করার প্রয়োজনীয়তা লোপ করে দেয়।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ ٱتَّبِعُواْ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكُم مِّن رَّبِّكُمۡ وَلَا تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِۦٓ أَوۡلِيَآءَۗ قَلِيلٗا مَّا تَذَكَّرُونَ ٣ ﴾ [ الاعراف : ٣ ]
“তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর”। [সূরা আ‘রাফ, আয়াত: ৩]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَهَٰذَا كِتَٰبٌ أَنزَلۡنَٰهُ مُبَارَكٞ فَٱتَّبِعُوهُ وَٱتَّقُواْ لَعَلَّكُمۡ تُرۡحَمُونَ ١٥٥ ﴾ [ الانعام : ١٥٥ ]
“আর এটি কিতাব- যা আমি নাযিল করেছি- বরকতময়। সুতরাং, তোমরা তার অনুসরণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর; যাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হও”। [সূরা আন‘আম, আয়াত: ১৫৫]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿ قَدۡ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٞ وَكِتَٰبٞ مُّبِينٞ ١٥ يَهۡدِي بِهِ ٱللَّهُ مَنِ ٱتَّبَعَ رِضۡوَٰنَهُۥ سُبُلَ ٱلسَّلَٰمِ وَيُخۡرِجُهُم مِّنَ ٱلظُّلُمَٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذۡنِهِۦ وَيَهۡدِيهِمۡ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ١٦ ﴾ [ المائدة : ١٥، ١٦ ]
“অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদেরকে শান্তির পথ দেখান, যারা তার সন্তুষ্টি অনুসরণ করে এবং তার অনুমতিতে তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করেন। আর তাদেরকে সরল পথের দিকে হিদায়াত দেন”। [সূরা মায়েদা, আয়াত: ১৫, ১৬]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِٱلذِّكۡرِ لَمَّا جَآءَهُمۡۖ وَإِنَّهُۥ لَكِتَٰبٌ عَزِيزٞ ٤١ لَّا يَأۡتِيهِ ٱلۡبَٰطِلُ مِنۢ بَيۡنِ يَدَيۡهِ وَلَا مِنۡ خَلۡفِهِۦۖ تَنزِيلٞ مِّنۡ حَكِيمٍ حَمِيدٖ ٤٢﴾ [ فصلت : ٤١، ٤٢ ]
“নিশ্চয় যারা উপদেশ [কুরআন] আসার পরও তা অস্বীকার করে, [তাদেরকে অবশ্যই এর পরিণাম ভোগ করতে হবে] আর নিশ্চয় এক সম্মানিত গ্রন্থ। বাতিল এতে অনুপ্রবেশ করতে পারে না, না সামনে থেকে না পিছন থেকে। এটি প্রজ্ঞাময়, স-প্রশংসিতের পক্ষ থেকে নাযিল কৃত”। [সূরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৪১, ৪২]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَأُوحِيَ إِلَيَّ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانُ لِأُنذِرَكُم بِهِۦ وَمَنۢ بَلَغَۚ١٩﴾ [ الانعام : ١٩ ]
“আর এ কুরআন আমার কাছে ওহী করে পাঠানো হয়েছে যেন তোমাদেরকে ও যার কাছে এটা পৌছবে তাদেরকে এর মাধ্যমে আমি সতর্ক করি”। [সূরা আন‘আম, আয়াত: ১৯]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿ هَٰذَا بَلَٰغٞ لِّلنَّاسِ وَلِيُنذَرُواْ بِهِۦ٥٢ ﴾ [ ابراهيم : ٥٢ ]
“এটা মানুষের জন্য পয়গাম। আর যা দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা হয়”। [সূরা ইবরাহীম, আয়াত: ৫২]
উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও এ বিষয়ে আরও অনেক আয়াতই বিদ্যমান আছে।
আর এ বিষয়ে বহু বিশুদ্ধ হাদিসও অনেক রয়েছে, যাতে আল্লাহর কিতাবকে মজবুত করে ধরার এবং অনুসরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে; যাতে প্রমাণিত হয়, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবকে মজবুত করে আঁকড়ে ধরবে, সে হিদায়াতের উপর থাকবে, আর যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবকে বর্জন করবে, সে গোমরাহ হবে।
তন্মধ্য থেকে কিছু হাদিস:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজের ভাষণে সমবেত সাহাবীদের সম্বোধন করে বলেন,
« إِنِّي تاركٌ فيكُمْ مَا لَنْ تضلوا إِن اعْتَصَمْتُمْ بِهِ كِتَابَ اللهِ »، رواه مسلم في صحيحه
“আমি তোমাদের নিকট এমন একটি বস্তু রেখে যাচ্ছি, যদি তোমরা তাকে মজবুত করে পাকড়াও কর, তবে তোমরা কখনোই গোমরাহ হবে না। তা হল আল্লাহর কিতাব”। [মুসলিম, হজ অধ্যায়; হাদিস: ১২১৮, আবুদাউদ, মানাসেক অধ্যায়, হাদিস: ১৯০৫, ইবন মাজাহ, মানাসেক অধ্যায়, হাদিস: ৩০৭৪]
সহীহ মুসলিমে যায়েদ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে আরও বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِنِّي تارك فِيكُمْ ثِقْلَين أَوَّلهُما كِتابُ الله فيهِ الهُدَى والنُّور فَخُذوا بِكتَابِ اللهِ وَتَمَسّكُوا بِهِ »
“আমি তোমাদের মধ্যে দুটি বিষয় রেখে যাব, তার একটি হল, আল্লাহর কিতাব, তাতে রয়েছে হিদায়াত ও নূর। তোমরা আল্লাহর কিতাবকে আঁকড়ে ধর এবং তার প্রতি অবিচল থাক”। [মুসলিম, ফাযায়েলে সাহাবা অধ্যায়, হাদিস: ২৪০৮, আহমদ, হাদিস: ৩৬৭/৪, দারেমী, ফাযায়েলে কুরআন অধ্যায়, ৩৩১৬] হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কিতাবের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেন এবং আকৃষ্ট করেন। তারপর তিনি বলেন,
«وَأَهْلُ بَيْتي أذَكِّركُمُ الله في أهل بيتي أذكركم الله في أهل بيتي »
“এবং আমার আহলে বাইত। আমার পরিবার পরিজন সম্পর্কে আমি তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমার পরিবার পরিজন সম্পর্কে আমি তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই”। [মুসলিম, ফাযায়েলে সাহাবা অধ্যায়, হাদিস: ২৪০৮, আহমদ, হাদিস: ৩৬৭/৪, দারেমী ফাযায়েলে কুরআন অধ্যায়, হাদিস: ৩৩১৬]
অপর শব্দে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন সম্পর্কে বলেন,
«هو حبل الله من تمسك به كان على الهدى ومن تركه كان على الضلال» .
“এটি আল্লাহর রশি, যে তাকে মজবুত করে ধরবে, সে হিদায়াতের উপর থাকবে আর যে ব্যক্তি তাকে ছেড়ে দেবে-মজবুত করে ধরবে না- সে অবশ্যই গোমরাহির উপর থাকবে”। [মুসলিম, ফাযায়েলে সাহাবা অধ্যায়, হাদিস: ২৪০৮, আহমদ, হাদিস: ৩৬৭/৪, দারেমী ফাযায়েলে কুরআন অধ্যায়, হাদিস: ৩৩১৬] এ বিষয়ে আরও অনেক হাদিস বিদ্যমান। আল্লাহর কিতাবকে মজবুত করে ধরা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ্সহ আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার ফায়সালা করা ফরয হওয়ার বিষয়ে সাহাবী ও তাদের পরবর্তী জ্ঞানী ও ঈমানদারগণের ঐকমত্য দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা এর উপর দলীল-প্রমাণাদি পেশ করে আলোচনার পরিমণ্ডল দীর্ঘায়িত করার প্রয়োজনীয়তা লোপ করে দেয়।