১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া
লেখকঃ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
দ্বিতীয় মূল উৎস: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ।
[এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর সাহাবী ও তাদের পরবর্তী আলেম ও ঈমানদার থেকে বিশুদ্ধ পদ্ধতিতে আসা বর্ণনাসমূহ]
শরী‘আতের যে তিনটি গ্রহণযোগ্য মূল উৎসের ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে কোনো মতানৈক্য নেই তার দ্বিতীয়টি হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আসা বিশুদ্ধ হাদীসসমূহ। সাহাবায়ে কেরাম ও তাদের পরবর্তী জ্ঞানী ও ঈমানদারগণ এ মহান মূল উৎসটিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তাঁরা এর দ্বারা ইসলামী বিধানের উপর দলীল পেশ করেছেন এবং উম্মতদের তা শিখিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা অসংখ্য লেখনি লিখে গেছেন এবং উসূলে ফিকহ (ফিকহের নীতি) ও উসূলে হাদীস (হাদীসের নীতি) এর কিতাবসমূহে তারা বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছেন। এটি (অর্থাৎ রাসূলের হাদীস) বিধি-বিধানের জন্য মূল উৎস হওয়ার বিষয়ে প্রমাণাদি অসংখ্য অগণিত। যেমন,
মহান আল্লাহর কিতাবে আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক এ উম্মতকে রাসূলের অনুকরণ ও অনুসরণ করার বহু নির্দেশ প্রদান। কারণ,
এ নির্দেশগুলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে সর্বকালের সকল দুনিয়াবাসীর উপর প্রযোজ্য। কেননা, তিনি কোনো বিশেষ সময় বা বিশেষ গোষ্ঠীর নবী নন, তিনি সমগ্র বিশ্ববাসীর প্রতি নবী-কেয়ামত অবধি যত মানুষ দুনিয়াতে আগমন করবে তাদের সবার নবী। এ কারণেই কিয়ামত পর্যন্ত সকলকেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ ও আনুগত্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া তিনিই আল্লাহর কিতাবের ব্যাখ্যা দানকারী, আল্লাহর কিতাবের অস্পষ্ট বিষয়গুলির বর্ণনাকারীও তিনি। তিনি তার কথা, কর্ম ও স্বীকৃতি দ্বারা আল্লাহর কুরআনের বিধানগুলোর বর্ণনা দেন। যেমন, যদি হাদিস তথা -রাসূলের সুন্নাত- না থাকত তাহলে সালাতের রাকাত, সালাত আদায়ের পদ্ধতি ও সালাতের ওয়াজিবসহ বিভিন্ন বিধান জানার কোনো উপায় থাকত না। অনুরূপভাবে রোজা, হজ ও যাকাতের বিধানসমূহ বিস্তারিত জানার কোনো উপায় থাকত না। ভালো কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার বিষয়টিও মানুষের নিকট অজ্ঞাত থেকে যেত। মু‘আমালাত, মু‘আশারাত, লেন-দেন, বেচা-কেনা, মানুষের সাথে কথা-বার্তা বলা, চলা-ফেরা, উঠা-বসা করা, হারাম হালাল সম্পর্কে জানা, ও শাস্তি ও হদ কায়েম করা ইত্যাদির বিধান সম্পর্কে মানুষ কখনোই জানতে পারত না।
শরী‘আতের যে তিনটি গ্রহণযোগ্য মূল উৎসের ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে কোনো মতানৈক্য নেই তার দ্বিতীয়টি হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আসা বিশুদ্ধ হাদীসসমূহ। সাহাবায়ে কেরাম ও তাদের পরবর্তী জ্ঞানী ও ঈমানদারগণ এ মহান মূল উৎসটিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তাঁরা এর দ্বারা ইসলামী বিধানের উপর দলীল পেশ করেছেন এবং উম্মতদের তা শিখিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা অসংখ্য লেখনি লিখে গেছেন এবং উসূলে ফিকহ (ফিকহের নীতি) ও উসূলে হাদীস (হাদীসের নীতি) এর কিতাবসমূহে তারা বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছেন। এটি (অর্থাৎ রাসূলের হাদীস) বিধি-বিধানের জন্য মূল উৎস হওয়ার বিষয়ে প্রমাণাদি অসংখ্য অগণিত। যেমন,
মহান আল্লাহর কিতাবে আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক এ উম্মতকে রাসূলের অনুকরণ ও অনুসরণ করার বহু নির্দেশ প্রদান। কারণ,
এ নির্দেশগুলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে সর্বকালের সকল দুনিয়াবাসীর উপর প্রযোজ্য। কেননা, তিনি কোনো বিশেষ সময় বা বিশেষ গোষ্ঠীর নবী নন, তিনি সমগ্র বিশ্ববাসীর প্রতি নবী-কেয়ামত অবধি যত মানুষ দুনিয়াতে আগমন করবে তাদের সবার নবী। এ কারণেই কিয়ামত পর্যন্ত সকলকেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ ও আনুগত্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া তিনিই আল্লাহর কিতাবের ব্যাখ্যা দানকারী, আল্লাহর কিতাবের অস্পষ্ট বিষয়গুলির বর্ণনাকারীও তিনি। তিনি তার কথা, কর্ম ও স্বীকৃতি দ্বারা আল্লাহর কুরআনের বিধানগুলোর বর্ণনা দেন। যেমন, যদি হাদিস তথা -রাসূলের সুন্নাত- না থাকত তাহলে সালাতের রাকাত, সালাত আদায়ের পদ্ধতি ও সালাতের ওয়াজিবসহ বিভিন্ন বিধান জানার কোনো উপায় থাকত না। অনুরূপভাবে রোজা, হজ ও যাকাতের বিধানসমূহ বিস্তারিত জানার কোনো উপায় থাকত না। ভালো কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার বিষয়টিও মানুষের নিকট অজ্ঞাত থেকে যেত। মু‘আমালাত, মু‘আশারাত, লেন-দেন, বেচা-কেনা, মানুষের সাথে কথা-বার্তা বলা, চলা-ফেরা, উঠা-বসা করা, হারাম হালাল সম্পর্কে জানা, ও শাস্তি ও হদ কায়েম করা ইত্যাদির বিধান সম্পর্কে মানুষ কখনোই জানতে পারত না।