১
শির্কের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ
লেখকঃ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
কথার ক্ষেত্রে শির্কের উদাহরণ:
আল্লাহর ব্যতীত অন্য কিছুর কসম ও শপথ করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ»
“যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহ’র কসম করল, সে কুফুরী কিংবা শির্ক করল”। [সুনান আবূ দাঊদ, হাদীস নং ৩২৫১।]
অনুরূপভাবে এমন কথা বলা যে, আল্লাহ এবং তুমি যেমন চেয়েছ مَا شَاءَ اللهُ وَشِئْتَ কোনো এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে “আল্লাহ এবং আপনি যেমন চেয়েছেন” কথাটি বললে তিনি বললেন,
«جَعَلْتَنِي لِلَّهِ عَدْلًا، بَلْ مَا شَاءَ اللَّهُ وَحْدَهُ»
‘‘তুমি কি আমাকে আল্লাহর সাথে সমকক্ষ স্থির করলে? বরং বল, আল্লাহ এককভাবে যা চেয়েছেন”। [মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ২৫৬১।]
আর একথাও বলা যে, যদি আল্লাহ ও অমুক ব্যক্তি না থাকত لَوْلاَ اللهُ وَفُلاَنٌ উপরোক্ত ক্ষেত্রদ্বয়ে বিশুদ্ধ হলো নিম্নরূপে বলা- আল্লাহ চেয়েছেন, অতঃপর অমুক যেমন চেয়েছে مَاشَاءَ اللهُ ثُمَّ فُلاَنٌ যদি আল্লাহ না থাকতেন, অতঃপর অমুক ব্যক্তি না থাকত لَوْلاَ اللهُ ثُمَّ فُلاَنٌ কেননা আরবীতে ثُمَّ (যার অর্থ: তারপর বা অতঃপর) অব্যয়টি বিলম্বে পর্যায়ক্রমিক অর্থের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ‘এবং’ শব্দের বদলে ‘তারপর’ কিংবা ‘অতঃপর’ শব্দের ব্যবহার বান্দার ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার অধীনস্ত করে দেয়। যেমন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢٩﴾ [ التكوير : ٢٩ ]
“তোমরা বিশ্বজগতের রব আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো কিছুরই ইচ্ছা করতে পার না।” [সূরা আত-তাকবীর, আয়াত: ২৯]
পক্ষান্তরে আরবী واو যার অর্থ ‘এবং’ অব্যয়টি দু’টি সত্তা বা বস্তুকে একত্রীকরণ ও উভয়ের অংশীদারিত্ব অর্থ প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর দ্বারা পর্যায়ক্রমিক অর্থ কিংবা পরবর্তী পর্যায়ে সংঘটিত অর্থ বুঝা যায় না। যেমন, একথা বলা যে, ‘আমার জন্য তো কেবল তুমি এবং আল্লাহ আছ’ ও ‘এতো আল্লাহ এবং তোমার বরকতে হয়েছে’।
«مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ»
“যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহ’র কসম করল, সে কুফুরী কিংবা শির্ক করল”। [সুনান আবূ দাঊদ, হাদীস নং ৩২৫১।]
অনুরূপভাবে এমন কথা বলা যে, আল্লাহ এবং তুমি যেমন চেয়েছ مَا شَاءَ اللهُ وَشِئْتَ কোনো এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে “আল্লাহ এবং আপনি যেমন চেয়েছেন” কথাটি বললে তিনি বললেন,
«جَعَلْتَنِي لِلَّهِ عَدْلًا، بَلْ مَا شَاءَ اللَّهُ وَحْدَهُ»
‘‘তুমি কি আমাকে আল্লাহর সাথে সমকক্ষ স্থির করলে? বরং বল, আল্লাহ এককভাবে যা চেয়েছেন”। [মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ২৫৬১।]
আর একথাও বলা যে, যদি আল্লাহ ও অমুক ব্যক্তি না থাকত لَوْلاَ اللهُ وَفُلاَنٌ উপরোক্ত ক্ষেত্রদ্বয়ে বিশুদ্ধ হলো নিম্নরূপে বলা- আল্লাহ চেয়েছেন, অতঃপর অমুক যেমন চেয়েছে مَاشَاءَ اللهُ ثُمَّ فُلاَنٌ যদি আল্লাহ না থাকতেন, অতঃপর অমুক ব্যক্তি না থাকত لَوْلاَ اللهُ ثُمَّ فُلاَنٌ কেননা আরবীতে ثُمَّ (যার অর্থ: তারপর বা অতঃপর) অব্যয়টি বিলম্বে পর্যায়ক্রমিক অর্থের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ‘এবং’ শব্দের বদলে ‘তারপর’ কিংবা ‘অতঃপর’ শব্দের ব্যবহার বান্দার ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার অধীনস্ত করে দেয়। যেমন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢٩﴾ [ التكوير : ٢٩ ]
“তোমরা বিশ্বজগতের রব আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো কিছুরই ইচ্ছা করতে পার না।” [সূরা আত-তাকবীর, আয়াত: ২৯]
পক্ষান্তরে আরবী واو যার অর্থ ‘এবং’ অব্যয়টি দু’টি সত্তা বা বস্তুকে একত্রীকরণ ও উভয়ের অংশীদারিত্ব অর্থ প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর দ্বারা পর্যায়ক্রমিক অর্থ কিংবা পরবর্তী পর্যায়ে সংঘটিত অর্থ বুঝা যায় না। যেমন, একথা বলা যে, ‘আমার জন্য তো কেবল তুমি এবং আল্লাহ আছ’ ও ‘এতো আল্লাহ এবং তোমার বরকতে হয়েছে’।