১
কুরআনুল কারিমে সম্পদ ও নফসের জিহাদ একসাথে উল্লেখ করার হিকমত
লেখকঃ ড. তাওফিক আলী যাবাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্পদ দ্বারা জিহাদের কিছু নমুনা :
প্রথমত : মুজাহিদকে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করার জন্য সম্পদ খরচ করা :
প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, তাদের আমির ও শাসকের নিকট নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ জমা করা, যারা আকিদা, শরিয়ত, কথা ও কাজে জিহাদের জিম্মাদার। এ ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনীতে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে। প্রথম যুগের সাহাবা ও মুসলিমগণ যুদ্ধের জন্য মুজাহিদদের সজ্জিত করার মর্যাদা লাভের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করত।
وَفِي ذَلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْـمُتَنَافِسُونَ . المطففين : (26)
“আর প্রতিযোগিতাকারীদের উচিত এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করা”। মুতাফফিফিন:(২৬)
কোন এক যুদ্ধে মুজাহিদদের সজ্জিত করার জন্য আবু বকর ও ওমর প্রতিযোগিতা করেছিলেন, সেটাও আমাদের জন্য একটি নমুনা, যার অনুসরণ করা আমাদের অবশ্য জরুরী।
দ্বিতীয়ত : মুজাহিদদের পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব গ্রহণ করা, যারা সন্তান ও নারীদের পিছনে রেখে জিহাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে :
নিশ্চয় এসব পরিবার তাদের বৈষয়িক চাহিদা, যেমন পানাহার ও বাসস্থানের প্রয়োজন মিটানোর জন্য সম্পদের অধিক মুখাপেক্ষী। ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারী কাফেরদের মোকাবিলায় জিহাদে অবতীর্ণ মুজাহিদদের এভাবে নিশ্চিন্ত করাও এক প্রকার জিহাদ যে, আমাদের কতক ভাই রয়েছেন যারা আমাদের পরিবারের জন্য তাদের সম্পদ ব্যয় করে জিহাদে অংশ গ্রহণ করবে।
তৃতীয়ত : শহীদদের সন্তানের জন্য সম্পদ ব্যয় করা, যারা ইসলাম ও তার সুরক্ষার জন্য নিজেদের রক্ত প্রবাহিত করেছেন :
সম্পদশালীদের সম্পদে রয়েছে তাদের অধিকার, কারণ আল্লাহর রাস্তায় জান কুরবানকারী মুজাহিদ তোমার কাছে নিদেন পক্ষে এতটুকু কামনা করে যে, তোমার সামান্য সম্পদ দিয়ে তুমি তাদের সন্তান ও স্ত্রীদের সহযোগিতা করবে, যেন তারা বড় হয়ে তাদের পূর্বসূরীদের পতাকা হাতে তুলে নিতে পারে।
নিশ্চয় শহীদদের সন্তানেরা মুসলিম ধনীদের নিকট তাদের অধিকার চায়, এটা তোমরা অনুগ্রহ অথবা অনুদান মনে কর না, এটা তাদের জন্য বরাদ্দ নির্দিষ্ট হক, যা আল্লাহ তার এ বাণীতে নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ * لِلسَّائِلِ وَالْـمَحْرُومِ . ( المعارج :24-25)
“আর যাদের সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত হক, যাঞ্চাকারী ও বঞ্চিতদের জন্য”। [সূরা মাআরেজ: ২৪-২৫]
চতুর্থত : মুসলিমদের ধ্বংস প্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি-ঘর নির্মাণের জন্য সম্পদ ব্যয় করা:
কারণ ইয়াহূদি, কাফের ও তাগুতের স্বভাব হচ্ছে ধ্বংস ও ক্ষতি করা এবং মুসলিমদেরকে গৃহহীন ও ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা। ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তান আমাদের থেকে বেশি দূরে নয়। ইয়াহূদিরা ফিলিস্তিনে কি করেছে? রুশরা আফগানিস্তানে কি করেছে? আমেরিকা সোমালিয়ায় কি করেছে? হে আল্লাহ সম্পদ ও জান দ্বারা জিহাদ করার রাস্তা আমাদের জন্য সুগম ও সহজ কর, তোমার অনুগ্রহ ও দয়ায়.. হে কারিম ! দয়ালু !
সমাপ্ত
প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, তাদের আমির ও শাসকের নিকট নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ জমা করা, যারা আকিদা, শরিয়ত, কথা ও কাজে জিহাদের জিম্মাদার। এ ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনীতে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে। প্রথম যুগের সাহাবা ও মুসলিমগণ যুদ্ধের জন্য মুজাহিদদের সজ্জিত করার মর্যাদা লাভের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করত।
وَفِي ذَلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْـمُتَنَافِسُونَ . المطففين : (26)
“আর প্রতিযোগিতাকারীদের উচিত এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করা”। মুতাফফিফিন:(২৬)
কোন এক যুদ্ধে মুজাহিদদের সজ্জিত করার জন্য আবু বকর ও ওমর প্রতিযোগিতা করেছিলেন, সেটাও আমাদের জন্য একটি নমুনা, যার অনুসরণ করা আমাদের অবশ্য জরুরী।
দ্বিতীয়ত : মুজাহিদদের পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব গ্রহণ করা, যারা সন্তান ও নারীদের পিছনে রেখে জিহাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে :
নিশ্চয় এসব পরিবার তাদের বৈষয়িক চাহিদা, যেমন পানাহার ও বাসস্থানের প্রয়োজন মিটানোর জন্য সম্পদের অধিক মুখাপেক্ষী। ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারী কাফেরদের মোকাবিলায় জিহাদে অবতীর্ণ মুজাহিদদের এভাবে নিশ্চিন্ত করাও এক প্রকার জিহাদ যে, আমাদের কতক ভাই রয়েছেন যারা আমাদের পরিবারের জন্য তাদের সম্পদ ব্যয় করে জিহাদে অংশ গ্রহণ করবে।
তৃতীয়ত : শহীদদের সন্তানের জন্য সম্পদ ব্যয় করা, যারা ইসলাম ও তার সুরক্ষার জন্য নিজেদের রক্ত প্রবাহিত করেছেন :
সম্পদশালীদের সম্পদে রয়েছে তাদের অধিকার, কারণ আল্লাহর রাস্তায় জান কুরবানকারী মুজাহিদ তোমার কাছে নিদেন পক্ষে এতটুকু কামনা করে যে, তোমার সামান্য সম্পদ দিয়ে তুমি তাদের সন্তান ও স্ত্রীদের সহযোগিতা করবে, যেন তারা বড় হয়ে তাদের পূর্বসূরীদের পতাকা হাতে তুলে নিতে পারে।
নিশ্চয় শহীদদের সন্তানেরা মুসলিম ধনীদের নিকট তাদের অধিকার চায়, এটা তোমরা অনুগ্রহ অথবা অনুদান মনে কর না, এটা তাদের জন্য বরাদ্দ নির্দিষ্ট হক, যা আল্লাহ তার এ বাণীতে নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ * لِلسَّائِلِ وَالْـمَحْرُومِ . ( المعارج :24-25)
“আর যাদের সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত হক, যাঞ্চাকারী ও বঞ্চিতদের জন্য”। [সূরা মাআরেজ: ২৪-২৫]
চতুর্থত : মুসলিমদের ধ্বংস প্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি-ঘর নির্মাণের জন্য সম্পদ ব্যয় করা:
কারণ ইয়াহূদি, কাফের ও তাগুতের স্বভাব হচ্ছে ধ্বংস ও ক্ষতি করা এবং মুসলিমদেরকে গৃহহীন ও ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা। ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তান আমাদের থেকে বেশি দূরে নয়। ইয়াহূদিরা ফিলিস্তিনে কি করেছে? রুশরা আফগানিস্তানে কি করেছে? আমেরিকা সোমালিয়ায় কি করেছে? হে আল্লাহ সম্পদ ও জান দ্বারা জিহাদ করার রাস্তা আমাদের জন্য সুগম ও সহজ কর, তোমার অনুগ্রহ ও দয়ায়.. হে কারিম ! দয়ালু !
সমাপ্ত