১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গৃহে একদিন
লেখকঃ আব্দুল মালেক আল-কাসেম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
ফজরের পর
মদিনায় রাত্রি অবসানের পর, পূর্বাকাশে ফজরের আভা উঁকি দেয়ার পর, মসজিদে ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায়ান্তে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যোদয় হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকতেন, তারপর তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।
জাবের বিন সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أن النبي - صلى الله عليه وسلم - كان إذا صلى الفجر جلس في مصلاه حتى تطلع الشمس حسنًا» .
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর নামাযান্তে উত্তমরূপে সূর্যোদয় পর্যন্ত নামাযের স্থানেই বসে থাকতেন। [মুসলিম, হাদিস: ৬৭০]
আর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পড়ার জন্য তার উম্মতকে উৎসাহ প্রদান করেন, এবং এতে যে সওয়াব রয়েছে তাও স্মরণ করিয়ে দেন।
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«من صلى الفجر في جماعة،ثم قعد يذكر الله حتى تطلع الشمس ثم صلى ركعتين، كانت له كأجر حجة وعمرة، تامة، تامة، تامة» .
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন: যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের সালাত আদায়ান্তে বসে আল্লাহর যিকিরে মশগুল থেকে সূর্য উদয় হওয়ার পর দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে। পরিপূর্ণ এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [তিরমিযী, হাদিস: ৫৮৬]
জাবের বিন সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«أن النبي - صلى الله عليه وسلم - كان إذا صلى الفجر جلس في مصلاه حتى تطلع الشمس حسنًا» .
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর নামাযান্তে উত্তমরূপে সূর্যোদয় পর্যন্ত নামাযের স্থানেই বসে থাকতেন। [মুসলিম, হাদিস: ৬৭০]
আর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পড়ার জন্য তার উম্মতকে উৎসাহ প্রদান করেন, এবং এতে যে সওয়াব রয়েছে তাও স্মরণ করিয়ে দেন।
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«من صلى الفجر في جماعة،ثم قعد يذكر الله حتى تطلع الشمس ثم صلى ركعتين، كانت له كأجر حجة وعمرة، تامة، تامة، تامة» .
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন: যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের সালাত আদায়ান্তে বসে আল্লাহর যিকিরে মশগুল থেকে সূর্য উদয় হওয়ার পর দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে। পরিপূর্ণ এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [তিরমিযী, হাদিস: ৫৮৬]