১
খলিফা মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে ইনসাফপন্থীদের কিছু বাণী
লেখকঃ আব্দুল মুহসিন ইবন হামদ আল-আব্বাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু কেন আলোচনার বিষয় বস্তু?
কেউ হয়তো বলবেন, আপনি মুয়াবিয়া ইবন আবু সুফিয়ানকে আলোচনার বিষয় বস্তু করলেন, অন্য সাহাবীকে কেন করলেন না? তার উত্তর, জনৈক আদর্শ মনীষী আবু তাওবাহ হালবি তার সুপ্রসিদ্ধ বাক্যে বলেছেন, “মুয়াবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের জন্য পর্দাস্বরূপ, যে এই পর্দা উঠাবে, সে তার ভেতর প্রবেশ করারও দুঃসাহস দেখাবে”। [আল- বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ: (৮/১৩৯)।]
অতএব, যে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর দোষ চর্চা করে এবং তার সম্পর্কে এমন কথা বলে, যা তার মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যশীল নয়, তার পক্ষে খুব স্বাভাবিক অন্যান্য সাহাবী সম্পর্কে কুৎসা রটনা করা, শুধু এতেই ক্ষান্ত হবে না, বরং তার চেয়েও উত্তম সাহাবী পর্যন্ত তার মুখ দরাজ হবে, বরং নবী ও রাসূলদের পর সর্বোত্তম সাহাবী আবু বকর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব, অতঃপর উসমান ইবন আফফান, অতঃপর আলী ইবন আবু তালিবকেও রেহাই দিবে না সে। আল্লাহ তাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন ও তাদের সবাইকে সন্তুষ্ট করুন। বস্তুত মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নিয়ে যে বিতর্কই হোক, সেটা অন্যান্য সাহাবী সম্পর্কেও হবে সন্দেহ নেই। তাই আজকের আলোচনার বিষয় মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু।
অতএব, যে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর দোষ চর্চা করে এবং তার সম্পর্কে এমন কথা বলে, যা তার মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যশীল নয়, তার পক্ষে খুব স্বাভাবিক অন্যান্য সাহাবী সম্পর্কে কুৎসা রটনা করা, শুধু এতেই ক্ষান্ত হবে না, বরং তার চেয়েও উত্তম সাহাবী পর্যন্ত তার মুখ দরাজ হবে, বরং নবী ও রাসূলদের পর সর্বোত্তম সাহাবী আবু বকর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব, অতঃপর উসমান ইবন আফফান, অতঃপর আলী ইবন আবু তালিবকেও রেহাই দিবে না সে। আল্লাহ তাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন ও তাদের সবাইকে সন্তুষ্ট করুন। বস্তুত মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নিয়ে যে বিতর্কই হোক, সেটা অন্যান্য সাহাবী সম্পর্কেও হবে সন্দেহ নেই। তাই আজকের আলোচনার বিষয় মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু।