১
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
দিনের ব্যস্ততা ও রাতের স্বস্তি আল্লাহর অনুগ্রহ
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلَّيۡلَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِضِيَآءٍۚ أَفَلَا تَسۡمَعُونَ ٧١ قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلنَّهَارَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِلَيۡلٖ تَسۡكُنُونَ فِيهِۚ أَفَلَا تُبۡصِرُونَ ٧٢ وَمِن رَّحۡمَتِهِۦ جَعَلَ لَكُمُ ٱلَّيۡلَ وَٱلنَّهَارَ لِتَسۡكُنُواْ فِيهِ وَلِتَبۡتَغُواْ مِن فَضۡلِهِۦ وَلَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ ٧٣﴾ [ القصص : ٧١، ٧٣ ]
“বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি আল্লাহ রাতকে তোমাদের উপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোন ইলাহ আছে কি যে তোমাদের আলো এনে দেবে? তবুও কি তোমরা শুনবে না’? বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি আল্লাহ দিনকে তোমাদের উপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোন ইলাহ আছে কি, যে তোমাদের রাত এনে দেবে যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে? তবুও কি তোমরা ভেবে দেখবে না’? আর তাঁর অনুগ্রহে তিনি তোমাদের জন্য রাত ও দিন করেছেন যাতে তোমরা বিশ্রাম নিতে পার এবং তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং যেন তোমরা শোকর আদায় করতে পার”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৭১-৭৩]
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার ওপর রাত-দিনের অনুগ্রহ প্রকাশ করে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা আদায় ও ইবাদাতের প্রতি আহ্বান করেছেন। কারণ, তিনি নিজ অনুগ্রহে দিন বানিয়েছেন, যেখানে তারা রিযক অন্বেষণ করে, তাদের প্রয়োজনে দিক্বিদিক ছুটে চলে। অনুরূপ তিনি রাত বানিয়েছেন যেন তারা স্বস্তি হাসিল করে, তাদের রুহ ও শরীর ক্লান্তি দূর হয়, যা বান্দার ওপর আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ।
রাত-দিন একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার সৃষ্টি, এতে কোনো মখলুকের দখল নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلَّيۡلَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِضِيَآءٍۚ أَفَلَا تَسۡمَعُونَ ٧١﴾ [ القصص : ٧١ ]
“যদি আল্লাহ রাতকে তোমাদের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহ আছে কি যে তোমাদের আলো এনে দেবে?”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৭১]
অন্যত্র তিনি বলেন,
﴿إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلنَّهَارَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِلَيۡلٖ تَسۡكُنُونَ فِيهِۚ أَفَلَا تُبۡصِرُونَ ٧٢﴾ [ القصص : ٧٢ ]
“যদি আল্লাহ দিনকে তোমাদের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহ আছে কি, যে তোমাদের রাত এনে দেবে যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে?”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৭২]
লক্ষ্য করুন আল্লাহ রাত সম্পর্কে বলেছেন: ﴿أَفَلَا تَسۡمَعُونَ ٧١ ﴾ “তোমরা কি শোন না”। আর দিন সম্পর্কে বলেছেন: ﴿أَفَلَا تُبۡصِرُونَ ٧٢ ﴾ “তোমরা কি দেখ না”। কারণ, রাতে দৃষ্টি শক্তির চেয়ে শ্রবণ শক্তি প্রখর থাকে, অনুরূপ দিনে শ্রবণ শক্তির চেয়ে দৃষ্টি শক্তি প্রখর থাকে।
বান্দা যদি এসব নি‘আমত নিঃশেষ ও বিলীন হওয়ার কথা চিন্তা করে, তাহলে তার বিবেক আল্লাহর অনুগ্রহের নিকট অবনত হবে। আর যে মনে করে এগুলো প্রকৃতির চিরাচরিত নিয়ম, আদিকাল থেকে চলছে, অনন্তকাল চলবে, তার অন্তর কখনো আল্লাহর কৃতজ্ঞতার জন্য উন্মুক্ত হবে না। তার চোখ অন্ধ, সে কখনো এ থেকে উপদেশ গ্রহণ করবে না, তার থেকে কখনো আল্লাহর শোকর প্রকাশ পাবে না। [তাফসীর সাদী: (৬/৫৩-৫৪)।]
আল্লাহর সকল প্রশংসা, তিনি আমাদেরকে অগণন ও বেহিসাব নি‘আমত দান করেছেন। তিনি আমাদেরকে ঘুমের জন্য দিয়েছেন অন্ধকার রাত, আর কাজের জন্য দিয়েছেন আলোকিত দিন। আমরা এতে নানা ইবাদত সম্পাদন করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম হই।
﴿قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلَّيۡلَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِضِيَآءٍۚ أَفَلَا تَسۡمَعُونَ ٧١ قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلنَّهَارَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِلَيۡلٖ تَسۡكُنُونَ فِيهِۚ أَفَلَا تُبۡصِرُونَ ٧٢ وَمِن رَّحۡمَتِهِۦ جَعَلَ لَكُمُ ٱلَّيۡلَ وَٱلنَّهَارَ لِتَسۡكُنُواْ فِيهِ وَلِتَبۡتَغُواْ مِن فَضۡلِهِۦ وَلَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ ٧٣﴾ [ القصص : ٧١، ٧٣ ]
“বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি আল্লাহ রাতকে তোমাদের উপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোন ইলাহ আছে কি যে তোমাদের আলো এনে দেবে? তবুও কি তোমরা শুনবে না’? বল, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি আল্লাহ দিনকে তোমাদের উপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোন ইলাহ আছে কি, যে তোমাদের রাত এনে দেবে যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে? তবুও কি তোমরা ভেবে দেখবে না’? আর তাঁর অনুগ্রহে তিনি তোমাদের জন্য রাত ও দিন করেছেন যাতে তোমরা বিশ্রাম নিতে পার এবং তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং যেন তোমরা শোকর আদায় করতে পার”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৭১-৭৩]
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার ওপর রাত-দিনের অনুগ্রহ প্রকাশ করে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা আদায় ও ইবাদাতের প্রতি আহ্বান করেছেন। কারণ, তিনি নিজ অনুগ্রহে দিন বানিয়েছেন, যেখানে তারা রিযক অন্বেষণ করে, তাদের প্রয়োজনে দিক্বিদিক ছুটে চলে। অনুরূপ তিনি রাত বানিয়েছেন যেন তারা স্বস্তি হাসিল করে, তাদের রুহ ও শরীর ক্লান্তি দূর হয়, যা বান্দার ওপর আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ।
রাত-দিন একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার সৃষ্টি, এতে কোনো মখলুকের দখল নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلَّيۡلَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِضِيَآءٍۚ أَفَلَا تَسۡمَعُونَ ٧١﴾ [ القصص : ٧١ ]
“যদি আল্লাহ রাতকে তোমাদের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহ আছে কি যে তোমাদের আলো এনে দেবে?”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৭১]
অন্যত্র তিনি বলেন,
﴿إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمُ ٱلنَّهَارَ سَرۡمَدًا إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَنۡ إِلَٰهٌ غَيۡرُ ٱللَّهِ يَأۡتِيكُم بِلَيۡلٖ تَسۡكُنُونَ فِيهِۚ أَفَلَا تُبۡصِرُونَ ٧٢﴾ [ القصص : ٧٢ ]
“যদি আল্লাহ দিনকে তোমাদের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহ আছে কি, যে তোমাদের রাত এনে দেবে যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে?”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৭২]
লক্ষ্য করুন আল্লাহ রাত সম্পর্কে বলেছেন: ﴿أَفَلَا تَسۡمَعُونَ ٧١ ﴾ “তোমরা কি শোন না”। আর দিন সম্পর্কে বলেছেন: ﴿أَفَلَا تُبۡصِرُونَ ٧٢ ﴾ “তোমরা কি দেখ না”। কারণ, রাতে দৃষ্টি শক্তির চেয়ে শ্রবণ শক্তি প্রখর থাকে, অনুরূপ দিনে শ্রবণ শক্তির চেয়ে দৃষ্টি শক্তি প্রখর থাকে।
বান্দা যদি এসব নি‘আমত নিঃশেষ ও বিলীন হওয়ার কথা চিন্তা করে, তাহলে তার বিবেক আল্লাহর অনুগ্রহের নিকট অবনত হবে। আর যে মনে করে এগুলো প্রকৃতির চিরাচরিত নিয়ম, আদিকাল থেকে চলছে, অনন্তকাল চলবে, তার অন্তর কখনো আল্লাহর কৃতজ্ঞতার জন্য উন্মুক্ত হবে না। তার চোখ অন্ধ, সে কখনো এ থেকে উপদেশ গ্রহণ করবে না, তার থেকে কখনো আল্লাহর শোকর প্রকাশ পাবে না। [তাফসীর সাদী: (৬/৫৩-৫৪)।]
আল্লাহর সকল প্রশংসা, তিনি আমাদেরকে অগণন ও বেহিসাব নি‘আমত দান করেছেন। তিনি আমাদেরকে ঘুমের জন্য দিয়েছেন অন্ধকার রাত, আর কাজের জন্য দিয়েছেন আলোকিত দিন। আমরা এতে নানা ইবাদত সম্পাদন করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম হই।