১
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
শিক্ষণীয় বিষয়:
১. রাত-দিন সৃষ্টিতে রয়েছে আল্লাহর বিশেষ হিকমত। তিনি দিন সৃষ্টি করেছেন কর্ম ও প্রয়োজন পূরণের জন্য, আর দিনের ক্লান্তি থেকে স্বস্তি হাসিল করার জন্য সৃষ্টি করেছেন রাত।
২. রাত-দিনের পরিক্রমায় রয়েছে আল্লাহর কুদরত, মহিমা ও তাওহীদের নিদর্শন।
৩. যাদের বুঝের ক্ষমতা, চিন্তার মেধা ও ইমানি শ্রবণ ইন্দ্রিয় রয়েছে, তারা আল্লাহর সৃষ্ট মখলুক থেকে উপদেশ হাসিল করে।
৪. রাতে ঘুম ও দিনে জীবিকা অর্জনের প্রতিযোগিতা আল্লাহর নিদর্শন, তাওহীদ ও কুদরতের দলীল।
৫. ইবাদাত বা প্রয়োজন ব্যতীত যে রাত জাগল, সে মানব প্রকৃতির বিরোধিতা করল, যে প্রকৃতির ওপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন।
৬. রাতকে ঘুম, স্বস্তি ও আরামের অনুকূল করা মানুষের ওপর আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও বড় নি‘আমত, যার শোকর আদায় করা ওয়াজিব, “কিন্তু অধিকাংশ মানুষ শোকর আদায় করে না”।
৭. মুমিন ব্যতীত কেউ রাত-দিনকে স্রষ্টার কুদরত বলে স্বীকার করে না এবং তার বিস্ময় নিয়ে চিন্তা করে না।
৮. বান্দার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ যে, তিনি অন্ধকারকে করেছেন রাতের আচ্ছাদন, ঘুমকে বানিয়েছেন স্বস্তি অর্জন ও ক্লান্তি থেকে মুক্তির উপকরণ। আর দিনকে করেছেন উজ্জ্বল, যেন তারা জীবিকা অর্জন ও প্রয়োজন পূরণে সক্ষম হয়। সকল প্রশংসার মালিক একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা।
২. রাত-দিনের পরিক্রমায় রয়েছে আল্লাহর কুদরত, মহিমা ও তাওহীদের নিদর্শন।
৩. যাদের বুঝের ক্ষমতা, চিন্তার মেধা ও ইমানি শ্রবণ ইন্দ্রিয় রয়েছে, তারা আল্লাহর সৃষ্ট মখলুক থেকে উপদেশ হাসিল করে।
৪. রাতে ঘুম ও দিনে জীবিকা অর্জনের প্রতিযোগিতা আল্লাহর নিদর্শন, তাওহীদ ও কুদরতের দলীল।
৫. ইবাদাত বা প্রয়োজন ব্যতীত যে রাত জাগল, সে মানব প্রকৃতির বিরোধিতা করল, যে প্রকৃতির ওপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন।
৬. রাতকে ঘুম, স্বস্তি ও আরামের অনুকূল করা মানুষের ওপর আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও বড় নি‘আমত, যার শোকর আদায় করা ওয়াজিব, “কিন্তু অধিকাংশ মানুষ শোকর আদায় করে না”।
৭. মুমিন ব্যতীত কেউ রাত-দিনকে স্রষ্টার কুদরত বলে স্বীকার করে না এবং তার বিস্ময় নিয়ে চিন্তা করে না।
৮. বান্দার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ যে, তিনি অন্ধকারকে করেছেন রাতের আচ্ছাদন, ঘুমকে বানিয়েছেন স্বস্তি অর্জন ও ক্লান্তি থেকে মুক্তির উপকরণ। আর দিনকে করেছেন উজ্জ্বল, যেন তারা জীবিকা অর্জন ও প্রয়োজন পূরণে সক্ষম হয়। সকল প্রশংসার মালিক একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা।