১
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য, যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু ও বিচার দিবসের মালিক। আমরা একমাত্র তাঁর ইবাদাত করি এবং তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক তার কোনো শরীক নেই। তিনি পূর্বাপর সবার ইলাহ, আসমান ও যমিনের রক্ষাকর্তা। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। যাকে তিনি দু’জাহানের রহমত, জীন ও মানব জাতির হিদায়াতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। তার ওপর ও তার পরিবার এবং তার সকল সাথী, স্ত্রী ও সন্তানের ওপর আল্লাহর দুরূদ ও সালাম। আরো যারা ইলম, আমল ও আল্লাহর দিকে আহ্বান করার মহান কর্মে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে ও কিয়ামত পর্যন্ত হিদায়াতের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে -তাদের সবার ওপর।
অতঃপর, আল্লাহ তা‘আলার হিকমত ও রহমতের দাবি, তিনি আমাদের জন্য রাতকে করেছেন আরাম ও বিশ্রামের স্থান এবং দিনকে করেছেন রিযিক ও জীবিকা নির্বাহের কর্মক্ষেত্র। এ হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্ট জগতবাসীর প্রকৃতি বা সাধারণ নিয়ম। এ নিয়মের বিরোধিতা মূলতঃ প্রকৃতির বিরোধিতা, যার পরিণতি কখনো শুভ নয়। ঘুমের জন্য রাত, কর্মের জন্য দিন নির্ধারিত। এর বিপরীত হলে শরীর, স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতা বিপর্যস্ত হয়। বিশেষ করে রাত জেগে গান-বাজনা ও অশ্লীল চিত্র দর্শনে মত্ত থাকার ফলে দিনের অধিকাংশ সময় ঘুমে নিঃশেষ হয়, শরীর জুড়ে অলসতা বিরাজ করে, প্রয়োজনীয় কর্মে ব্যাঘাত ঘটে এবং সূর্যাস্তের পর অসময়ে ফজর সালাত কাযা করা হয়। যা দীন, দুনিয়া ও আখেরাত ধ্বংসের কারণ। এ ক্ষতির কোনো তুলনা নেই, এর চেয়ে বড় কোনো মুসিবত নেই। এ থেকে তাওবা করা যতদ্রুত সম্ভব অতি জরুরি।
মুসলিম ভাইদের জন্য কল্যাণ কামনা ও তাদের থেকে অনিষ্ট দূরীকরণের আকাঙ্ক্ষা থেকে অত্র পুস্তিকা রচনা করি। যার নাম দিয়েছি تذكير البشر بفوائد النوم المبكر وأضرار السهر “মানব জাতিকে দ্রুত ঘুমানোর ফায়দা ও রাত জাগার ক্ষতি সম্পর্কে অবহিত করা”। এ গ্রন্থের প্রতিটি বিষয় আল্লাহর কালাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস ও জ্ঞানীদের বাণী থেকে সংগৃহীত।
আমি প্রথমে কুরআনের সেসব আয়াতগুলো উল্লেখ করেছি, যেখানে আল্লাহ তা‘আলা রাতকে স্বস্তি ও বিশ্রামের স্থান এবং দিনকে আলোকিত ও কর্মমুখর করে বান্দার ওপর অনুগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘুমের আদর্শ এবং রাত জাগার কুফল বর্ণনা করেছি। আরো উল্লেখ করেছি দিনে ঘুমানোর অপকারিতা বিশেষ করে ফজর ও আসর বাদ, এবং ঘুম দমিয়ে রাখার কুফল, যে কারণে নানা ব্যাধির সৃষ্টি হয়। হ্যাঁ, যার রাত জাগা ইবাদাত, তার পক্ষে ঘুমানোর তুলনায় জাগ্রত থাকা উত্তম, যদি তা সুন্নত মোতাবেক হয়।
আল্লাহ অত্র পুস্তিকাকে তার সন্তুষ্টি অর্জনের উসীলা ও মুসলিম ভাইদের উপকারী করুন। আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার ও সাথীসহ সকলের ওপর দুরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
অতঃপর, আল্লাহ তা‘আলার হিকমত ও রহমতের দাবি, তিনি আমাদের জন্য রাতকে করেছেন আরাম ও বিশ্রামের স্থান এবং দিনকে করেছেন রিযিক ও জীবিকা নির্বাহের কর্মক্ষেত্র। এ হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্ট জগতবাসীর প্রকৃতি বা সাধারণ নিয়ম। এ নিয়মের বিরোধিতা মূলতঃ প্রকৃতির বিরোধিতা, যার পরিণতি কখনো শুভ নয়। ঘুমের জন্য রাত, কর্মের জন্য দিন নির্ধারিত। এর বিপরীত হলে শরীর, স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতা বিপর্যস্ত হয়। বিশেষ করে রাত জেগে গান-বাজনা ও অশ্লীল চিত্র দর্শনে মত্ত থাকার ফলে দিনের অধিকাংশ সময় ঘুমে নিঃশেষ হয়, শরীর জুড়ে অলসতা বিরাজ করে, প্রয়োজনীয় কর্মে ব্যাঘাত ঘটে এবং সূর্যাস্তের পর অসময়ে ফজর সালাত কাযা করা হয়। যা দীন, দুনিয়া ও আখেরাত ধ্বংসের কারণ। এ ক্ষতির কোনো তুলনা নেই, এর চেয়ে বড় কোনো মুসিবত নেই। এ থেকে তাওবা করা যতদ্রুত সম্ভব অতি জরুরি।
মুসলিম ভাইদের জন্য কল্যাণ কামনা ও তাদের থেকে অনিষ্ট দূরীকরণের আকাঙ্ক্ষা থেকে অত্র পুস্তিকা রচনা করি। যার নাম দিয়েছি تذكير البشر بفوائد النوم المبكر وأضرار السهر “মানব জাতিকে দ্রুত ঘুমানোর ফায়দা ও রাত জাগার ক্ষতি সম্পর্কে অবহিত করা”। এ গ্রন্থের প্রতিটি বিষয় আল্লাহর কালাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস ও জ্ঞানীদের বাণী থেকে সংগৃহীত।
আমি প্রথমে কুরআনের সেসব আয়াতগুলো উল্লেখ করেছি, যেখানে আল্লাহ তা‘আলা রাতকে স্বস্তি ও বিশ্রামের স্থান এবং দিনকে আলোকিত ও কর্মমুখর করে বান্দার ওপর অনুগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘুমের আদর্শ এবং রাত জাগার কুফল বর্ণনা করেছি। আরো উল্লেখ করেছি দিনে ঘুমানোর অপকারিতা বিশেষ করে ফজর ও আসর বাদ, এবং ঘুম দমিয়ে রাখার কুফল, যে কারণে নানা ব্যাধির সৃষ্টি হয়। হ্যাঁ, যার রাত জাগা ইবাদাত, তার পক্ষে ঘুমানোর তুলনায় জাগ্রত থাকা উত্তম, যদি তা সুন্নত মোতাবেক হয়।
আল্লাহ অত্র পুস্তিকাকে তার সন্তুষ্টি অর্জনের উসীলা ও মুসলিম ভাইদের উপকারী করুন। আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার ও সাথীসহ সকলের ওপর দুরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন।