১
মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি
লেখকঃ জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি
ইসলামী শরীয়তের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, ভালো কাজের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং খারাপ ও মন্দ কাজের পরিণতি হতে তাদের হেফাজত করা। মানুষ যাতে কোন খারাপ কাজে লিপ্ত না হয় তার জন্য তাদের সতর্ক ও সংশোধন করা। এ কারণেই মানুষের কাজের হিসাব নেয়া ও তা পর্যালোচনার গুরুত্ব অপরিসীম। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ করতে নিষেধ করার মর্যাদা ও গুরুত্ব আল্লাহ তা‘আলার নিকট অধিক।
ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ হতে নিষেধ করা সমাজ সংশোধনের চাবিকাঠি ও সামাজিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সফলতার অন্যতম উপকরণ। একটি মুসলিম সমাজে এর প্রয়োজন এত তীব্র যে, বলতে গেলে এরই মাধ্যমে মুসলিমের ঈমান-আক্বীদার সংরক্ষণ হয়। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজকে সমাজ থেকে প্রতিহত করা না হলে, ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন।
একজন মুসলিম তার স্বীয় মর্যাদা রক্ষা ও বাতিলকে প্রতিহত করতে হলে এর কোন ব্যতিক্রম কখনোই খুঁজে পাবে না। শুধু চুপ করে বসে থাকার মাধ্যমে সে তার ঈমান ও ইসলামের হেফাযত করতে পারবে না। তাকে অবশ্যই সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে মানুষকে নিষেধ করার দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার মাধ্যমেই এ উম্মতকে ভোগবাদের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করা ও শুধু প্রবৃত্তির গোলামী ও দাসত্ব করা হতে হেফাযত করা যেতে পারে। উম্মতের অসংখ্য লোক যারা তাদের প্রবৃত্তি ও ভোগের তাড়নায় বিভিন্ন প্রকার অন্যায়, অশ্লীল ও খারাপ কাজে জড়িত হয় এবং খারাপ পরিবেশে যাতায়াত করে, এর মাধ্যমেই তাদেরকে প্রবৃত্তির অন্ধানুকরণ ও ভোগবাদিতা হতে সুরক্ষা করা সম্ভব হয়।
ইমাম গাযালী রহ. বলেন- দ্বীনের মধ্যে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে বারণ করা হল দ্বীনের মহান এক নক্ষত্র। এর গুরুত্ব এত বেশি যে, এ কাজটির মিশন নিয়েই আল্লাহ তা‘আলা সমস্ত নবী-রাসূল দুনিয়াতে প্রেরণ করেছিলেন। নবী ও রাসূলদের অবর্তমানে যদি আল্লাহর এ মিশনটিকে ঘুটিয়ে রাখা হয়, তার প্রতি ইলম ও আমল বন্ধ করা হয় তখন নবুওয়তের প্রয়োজনীয়তাই গুরুত্ব হয়ে পড়বে এবং দ্বীনদারী সম্পূর্ণ বাতিল হয়ে যাবে। মানুষের মধ্যে গোমরাহি বিস্তার করবে, অজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়বে, ফিতনা- ফাসাদ বৃদ্ধি পাবে, দেশ ও জাতি ধ্বংস হবে এবং বান্দাগণ আল্লাহর আযাবে আক্রান্ত হয়ে ধ্বংসে নিপতিত হবে। আর তারা এ সব খারাপ পরিণতি সম্পর্কে সেদিন জানতে পারবে যেদিন আল্লাহ তা‘আলা মানুষদের ডেকে বলবেন- আজকের দিন রাজত্ব কার? [ইহইয়ায়ু উলূমিদ্দিন: ২/২০৬।]
ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ হতে নিষেধ করা সমাজ সংশোধনের চাবিকাঠি ও সামাজিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সফলতার অন্যতম উপকরণ। একটি মুসলিম সমাজে এর প্রয়োজন এত তীব্র যে, বলতে গেলে এরই মাধ্যমে মুসলিমের ঈমান-আক্বীদার সংরক্ষণ হয়। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজকে সমাজ থেকে প্রতিহত করা না হলে, ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন।
একজন মুসলিম তার স্বীয় মর্যাদা রক্ষা ও বাতিলকে প্রতিহত করতে হলে এর কোন ব্যতিক্রম কখনোই খুঁজে পাবে না। শুধু চুপ করে বসে থাকার মাধ্যমে সে তার ঈমান ও ইসলামের হেফাযত করতে পারবে না। তাকে অবশ্যই সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে মানুষকে নিষেধ করার দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার মাধ্যমেই এ উম্মতকে ভোগবাদের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করা ও শুধু প্রবৃত্তির গোলামী ও দাসত্ব করা হতে হেফাযত করা যেতে পারে। উম্মতের অসংখ্য লোক যারা তাদের প্রবৃত্তি ও ভোগের তাড়নায় বিভিন্ন প্রকার অন্যায়, অশ্লীল ও খারাপ কাজে জড়িত হয় এবং খারাপ পরিবেশে যাতায়াত করে, এর মাধ্যমেই তাদেরকে প্রবৃত্তির অন্ধানুকরণ ও ভোগবাদিতা হতে সুরক্ষা করা সম্ভব হয়।
ইমাম গাযালী রহ. বলেন- দ্বীনের মধ্যে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে বারণ করা হল দ্বীনের মহান এক নক্ষত্র। এর গুরুত্ব এত বেশি যে, এ কাজটির মিশন নিয়েই আল্লাহ তা‘আলা সমস্ত নবী-রাসূল দুনিয়াতে প্রেরণ করেছিলেন। নবী ও রাসূলদের অবর্তমানে যদি আল্লাহর এ মিশনটিকে ঘুটিয়ে রাখা হয়, তার প্রতি ইলম ও আমল বন্ধ করা হয় তখন নবুওয়তের প্রয়োজনীয়তাই গুরুত্ব হয়ে পড়বে এবং দ্বীনদারী সম্পূর্ণ বাতিল হয়ে যাবে। মানুষের মধ্যে গোমরাহি বিস্তার করবে, অজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়বে, ফিতনা- ফাসাদ বৃদ্ধি পাবে, দেশ ও জাতি ধ্বংস হবে এবং বান্দাগণ আল্লাহর আযাবে আক্রান্ত হয়ে ধ্বংসে নিপতিত হবে। আর তারা এ সব খারাপ পরিণতি সম্পর্কে সেদিন জানতে পারবে যেদিন আল্লাহ তা‘আলা মানুষদের ডেকে বলবেন- আজকের দিন রাজত্ব কার? [ইহইয়ায়ু উলূমিদ্দিন: ২/২০৬।]